প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

ঐক্যফ্রন্টের নেতারা কে কোন আসনে ভোটে লড়বেন

১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ১২:৪৯:০০

ড. কামালের চেম্বারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের বৈঠক। ছবি : ফাইল ফটো

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এই জোটে এখন চলছে শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন ভাগাভাগির দরকষাকষি।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী এখনও চূড়ান্ত হয়নি। যে কোন দল কয়টি আসনে নির্বাচন করবে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে জানা যায়।

আসন ভাগাভাগির বিষয় নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান শরিক দল বিএনপিকে বেশ কিছু বিষয়ে হিসাব মিলাতে হচ্ছে। ঐক্যফ্রন্ট ছাড়াও বিএনপি ২০ দলের (সম্প্রসারিত ২৩ দল) প্রধান শরিক। ২০ দলের সঙ্গে বিএনপির গাঁটছাড়া বহু দিনের।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে বিএনপি ছাড়াও রয়েছে ৪টি দল। সেগুলো হচ্ছে- গণফোরাম, জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। এছাড়া জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার ব্যানারে নির্বাচন করবেন বেশ কয়েকজন।

তাই সবমিলিয়ে আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে বিএনপিকে ২৭টি দল (২৩ দলীয় জোট + ঐক্যফ্রন্টের ৪ দল) নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। দুই জোটের প্রধান শরিক হওয়ায় কয়টি আসন শরিক দলগুলোকে সন্তুষ্ট করা যায় সেটিই প্রধান বিবেচনা বিএনপি নেতাদের।

জানা গেছে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দল বিএনপির কাছ থেকে শতাধিক আসন তারা দাবি করেছে।

এই জোটের শরিক দলগুলো যেসব আসন দাবি করেছে, সেগুলোর কোনো কোনোটিতে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীও রয়েছেন। শুধু তাই নয়, জোটের একাধিক দলের হেভিওয়েট প্রার্থীও আছেন একই আসনে। আর এসব নিয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে বিএনপিকে।

আসন ভাগাভাগিতে ২০ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের ছাড় দিতে গিয়ে দলের পোড় খাওয়া নেতাদের কিভাবে সামাল দেবেন, এটিই এখন বিএনপির নীতিনির্ধারকদের বড় মাথাব্যথার কারণ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দল শতাধিক আসন দাবি করলেও তারা সর্বোচ্চ ৫০-৬০ আসন ছাড়তে পারেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এমন খবর এসেছে। তবে উইনেবল প্রার্থী হলে ৭০টি আসন ছাড়তেও প্রস্তত বিএনপি এমনটাই জানা গেছে।

যেসব আসনে বিএনপির এবং জোটের একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন, সেখানে অপেক্ষাকৃত গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেয়া হতে পারে। জোটকে ম্যানেজ করা না গেলে ওইসব আসনে বিএনপির প্রার্থীকে বসিয়ে দেয়া হতে পারে।

যোগ্য প্রার্থী পেলে আসন ছাড়তে প্রস্তুত থাকবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এই বড় শরিক দলটি। বিএনপি বলছে, জয়ী হওয়ার মতো প্রার্থী থাকলে শরিক দলগুলোকে আসন ছাড়তে তাদের কোনো আপত্তি নেই।

এদিকে একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিজ নিজ এলাকা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। কেউ কেউ একাধিক আসনেও নির্বাচনের কথা ভাবছেন।

বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার মাধ্যমে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে। জয়ের পরিকল্পনা থেকেই তুলনামূলক শক্ত প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে চায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা তৈরি করতে নিজ নিজ দলের মধ্যে বৈঠক করছে শরিক দলগুলো। এরপর ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে প্রার্থী তালিকা।

এদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনকে নিয়ে আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। তবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা নেই তার। যদিও দল ও জোট নেতারা চান, তিনি যেন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

যদিও আলোচনায় আছে, আইনি বাধ্যবাধকতায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে না পারলে ড. কামাল হোসেনর তার আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন। তবে সেই সম্ভাবনা কম।

আবার এমনও হতে পারে ঢাকার ধানমন্ডি আসন থেকে নির্বাচন করবেন ড. কামাল। ওই আসন থেকে এর আগেও একাধিকবার গণফোরাম থেকে নির্বাচন করেন তিনি।

আগামী নির্বাচনে দুটি আসন থেকেই নির্বাচন করার কথা ভাবছেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু। সেই দুটি হচ্ছে ঢাকা-২ ও ঢাকা-৩।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা আগে ঢাকা-৩ আসনের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ২০০৮ থেকে এটি ঢাকা-২ ও ঢাকা-৩ আসনে ভাগ হয়ে যায়। ১৯৮৬ সালে তিনি আওয়ামী লীগের হয়ে ঢাকা-৩-এর সংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন।

১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে হেরে যান বিএনপির আমানউল্লাহ আমানের কাছে। এ আসনের চারবারের এমপি আমান এবার ঢাকা-২ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী।

আর ঢাকা-৩ থেকে বিএনপির মনোনয়ন চাইছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ২০০৮-এর নির্বাচনে তিনি হেরে যান আওয়ামী লীগের নসরুল হামিদের কাছে।

মন্টু যদি এই দুই আসনের একটি থেকে নির্বাচন করতে চান সেক্ষত্রে বহু পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে বিএনপিকে। দীর্ঘদিনের পোড় খাওয়া দুই নেতার একজনকে বসিয়ে দিতে হবে।

টাঙ্গাইলের দুই আসনে কাদের সিদ্দিকী: সখীপুর ও বাসাইল উপজেলা নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল–৮ এবং কালিহাতি এই দুটি আসনে নির্বাচন করতে চান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের অন্যতম শীর্ষ নেতা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

টাঙ্গাইল-৮ আসনে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ এবং ২০০১ সালে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের হয়ে সাংসদ হন কাদের সিদ্দিকী। ২০০৮ সালে নিজ দলের হয়ে লড়ে হেরে যান আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে। এবার তিনি দুটি আসনে নির্বাচন করতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। দুটি না পেলে টাঙ্গাইল-১ আসন তিনি হাতছাড়া করতে চাইবেন না।

মান্নার আসন বগুড়া-২: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আসন নিযে সবচেয়ে সুবিধায় আছেন নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। বগুড়া-২ আসনে তার মনোনয়ন প্রায় নিশ্চিত। ১৯৭৩ সালের প্রথম সংসদ নির্বাচনের পর এ আসনে আর কখনো নৌকা জেতেনি।

ডাকসুর সাবেক ভিপি মান্না ১৯৯১ থেকে তিন বার এ আসনে নির্বাচন করেছেন। প্রথমবার জনতা মুক্তি পার্টির হয়ে, পরের দুবার ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। জিততে পারেননি একবারও। তবে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হলে বিএনপি–জামায়াতের সমর্থন কাজে লাগিয়ে আগামী নির্বাচনে এগিয়ে থাকবেন তিনি।

অলি আহমদের আসনে সুব্রত: চন্দনাইশ উপজেলা ও সাতকানিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম–১৪ আসনটি ২০০৮–এর আগে চট্টগ্রাম–১৩ আসন ছিল। এ আসনের চারবার এমপি নির্বাচিত হন সাবেক বিএনপি নেতা ও বর্তমানে এলডিপির সভাপতি অলি আহমদ।

২০০৮ সালে এ দুটি আসন থেকেই প্রার্থী হন তিনি। আগামী নির্বাচনেও ২০–দলীয় জোটের হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে এ দুই আসনে তার প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা আছে।

সূত্র বলছে, অলি আহমদ চট্টগ্রাম–১৩ থেকে লড়বেন। চট্টগ্রাম–১৪ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের হয়ে মনোনয়ন চাচ্ছেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী। এ এলাকায় জামায়াতেরও প্রার্থী আছে।

১৯৯১ ও ২০০১ সালে শাজাহান চৌধুরী এবং ২০০৮ সালে শামসুল ইসলাম জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হন। এবারও তারা দলের নিবন্ধন না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে মনোনয়ন কিনেছেন।

আ স ম রব: লক্ষ্মীপুর বরাবরই বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিচিত। ১৯৯৬ সালে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে জয়ী হলেও ১৯৯১, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির কাছে হেরে যান তিনি। এবার ঐক্যফ্রন্টের হয়ে এ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়তে পারেন তিনি।

বিএনপি ও জেএসডির মধ্যে প্রতিবার লড়াই হয় এ আসনে। বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা হলে রবের জন্য অবস্থা সুবিধাজনক হবে।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে রতন: জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন কুমিল্লা–৪ থেকে ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়নপ্রত্যাশী। ১৯৯১ থেকে ২০০১ পর্যন্ত এ আসনটি বিএনপির দখলে ছিল। ওই সময়ে চারবারই বিএনপির প্রার্থী ছিলেন মনজুরুল আহসান মুন্সী।

কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি মনজুরুল আহসান আইনি জটিলতার কারণে ২০০৮ সালে নির্বাচন করতে পারেননি। এবারও দলের হয়ে মাঠে আছেন তিনি। স্থানীয় বিএনপির নেতা–কর্মীরা তাঁকেই আবার প্রার্থী হিসেবে চান। তাই ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়ন নিয়ে বিএনপি ও জেএসডির মধ্যে সমঝোতা লাগবে।

সুলতান মনসুর: কমলগঞ্জ ও কুলাউড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার–২ আসনে এবার ঐক্যফ্রন্টের হয়ে লড়তে পারেন সাবেক ডাকসু ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর। এ আসনে আওয়ামী লীগের হয়ে তিনবার প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে একবার এমপি নির্বাচিত হন তিনি।

এ আসনে বিএনপির কখনোই ভালো অবস্থান ছিল না। বর্তমানে জাতীয় পার্টির দখলে থাকলেও সুলতান মনসুরের মাধ্যমে এটি দখলের স্বপ্ন দেখছেন বিরোধী দলের স্থানীয় নেতা–কর্মীরা। সুলতান মনসুর বর্তমানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য।

নারায়ণগঞ্জে আকরাম: নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা এস এম আকরাম নির্বাচন করতে চান জন্মস্থান নারায়ণগঞ্জ থেকে। আওয়ামী লীগের হয়ে’ ৯৬ সালে নারায়ণগঞ্জ–৫ আসনে এমপি নির্বাচিত হন তিনি। দলীয় বিবেদে পরে যোগ দেন নাগরিক ঐক্যে। ঐক্যফ্রন্টের হয়ে এ আসনে এবার প্রার্থী হতে চান তিনি। যদিও বিএনপির গত ৬ বারের প্রার্থী আবুল কালাম এবারও বিএনপির মনোনয়ন চাইছেন।

এদিকে বিশিষ্ট আইনজীবী শাহদীন মালিক জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার ব্যানারে সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন বলে জানা গেছে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সূত্রে জানা গেছে, ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলগুলো যার যার মতো করে নিজেদের চাহিদার তালিকা তৈরি করছে, যা বিএনপি সংশ্লিষ্ট নেতাদের হাতে দিচ্ছে।

এর মধ্যে শরিক দলগুলোর মধ্যে যোগ্য প্রার্থী কে কোন আসনে আছেন, সে বিষয়ে বিএনপিও খোঁজখবর নিচ্ছেন। দু–এক দিনের মধ্যে এ নিয়ে শরিকদের সঙ্গে বিএনপি আলাদাভাবে বসবে।

উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রতীক নির্ধারণ, আসন ভাগাভাগি, এখনও গ্রেপ্তার-মামলা ও চলমান রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করতে গত মঙ্গলবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির জরুরি বৈঠক হয়।

বৈঠকে আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা, বৈঠক শেষে এ নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন। জবাবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এ বিষয়ে আরও পরে আলোচনা হবে।

মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর ১২ টায় এ বৈঠক শুরু হয়। মতিঝিলে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে তার সভাপতিত্বে উপস্থিত আছেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরী, কৃষক শ্রমিক জনতালীগের আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, গণফোরামের মহাসচিব মোস্তফা মহসীন মন্টু, ঐক্যপ্রক্রিয়ার সুলতান মুহাম্মদ মনসুর ও আব্দুল মালেক রতন।

জেএসডির আ স ম আব্দুর রব ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, ব্যারিস্টার মওদুদ, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এখনো উপস্থিত হননি।

বিডি২৪লাইভ/টিএএফ

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: