প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

বেতন পাবেন না ঐক্যফ্রন্টের এমপিরা!

১৫ জানুয়ারি ২০১৯ , ০৮:১০:৪০

ছবি : ইন্টারনেট

সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন-২) নিতিশ চন্দ্র সরকার জানিয়েছেন, শপথ না নিলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আট এমপি বেতন পাবেন না।

তিনি বলেন, গেজেটে নাম আসায় তাদের স্ট্যাটাস এখন এমপি। কিন্তু যখন তারা শপথ নেবেন, তখন থেকে এটি কার্যকর হবে।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) তিনি জানান, শপথ না নিলে তারা বেতনভাতা পাবেন না। যেদিন তারা শপথ নেবেন, সেদিন থেকেই বেতনভাতা পাবেন।

নিতিশ চন্দ্র সরকার জানান, যারা এখনও শপথ নেননি, তারা সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর দিন থেকে পরবর্তী ৯০ দিন পর্যন্ত তাদের ‘স্ট্যাটাস’ এমপিই থাকবে।

নিতিশ চন্দ্র বলেন, দশম সংসদের মেয়াদ ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত রয়েছে। একটা নির্বাচনী এলাকায় তো দুজন (এমপি) থাকেন না। তার পরও যেহেতু শপথ নেননি, আগেরজনও আছেন, এ কারণে ৩০ জানুয়ারি সংসদ আহ্বান করা হয়েছে।

ঐক্যফ্রন্টের জয়ী সংসদ সদস্যের মর্যাদা দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হলেও শপথ না নেয়া পর্যন্ত তারা কোনো সরকারি সুবিধা পাবেন না।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ আগেই জানিয়েছেন, ভোটে নির্বাচিত কেউ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে তার আসন শূন্য হয়ে যাবে।

এবারের নির্বাচনে ২৫৭ আসন পাওয়া আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করেছে।

নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীদের মধ্যে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বগুড়া-৪ আসনে মোশারফ হোসেন, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জাহিদুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে হারুনুর রশিদ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে আব্দুস সাত্তার ভূঞা জয়ী হয়েছেন।

আর মৌলভীবাজার-২ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী গণফোরামের সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ধানের শীষ প্রতীকে এবং সিলেট-২ আসনে গণফোরামের মুকাব্বির খান উদীয়মান সূর্য নিয়ে জয়ী হন।

কী সুবিধা পান এমপিরা

২০১৬ সালের ৫ মে সংসদ সদস্যদের বেতন-ভাতা দ্বিগুণ করার বিল অর্থাৎ, মেম্বারস অব পার্লামেন্ট (রেমুনেরেশন অ্যান্ড অ্যালাউয়েন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল’ জাতীয় সংসদে পাস হয়।

এর ফলে এমপিদের বেতন ২৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৫ হাজার টাকা দাঁড়িয়েছে; সঙ্গে বেড়েছে অন্যান্য ভাতাও।

বেতনের বাইরে একজন সংসদ সদস্য পাঁচ হাজার টাকা ব্যয় নিয়ামক ভাতা, ৭৫০ টাকা দৈনিক ভাতা, পাঁচ লাখ টাকা স্বেচ্ছাধীন তহবিল, সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্বাচনী এলাকার মাসিক খরচ, মাসে ৭০ হাজার টাকা পরিবহন খরচ, ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বার্ষিক ভ্রমণ খরচ, দেড় হাজার টাকা মাসিক লন্ড্রি ভাতা, ৬ হাজার টাকা মাসিক ক্রোকারিজ ভাতা এবং নির্বাচনী এলাকার অফিস খরচ বাবদ মাসে ১৫ হাজার টাকা করে পান।

বিডি২৪লাইভ/এসএস

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: