প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর

গেলেন ড. কামাল, এবার যাচ্ছেন এরশাদ

২০ জানুয়ারি ২০১৯ , ০৮:২৬:০০

ছবি : ইন্টারনেট থেকে

চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন বাংলাদেশের দুই প্রবীণ ও আলোচিত রাজনীতিক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও ড. কামাল হোসেন।

শনিবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টায় সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন ড. কামাল। তার সঙ্গে রয়েছেন তার স্ত্রী হামিদা হোসেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অপরদিকে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ নিয়মিত মেডিকেল চেকআপের জন্য আজ রোববার (২০ জানুয়ারি) সিঙ্গাপুর যাবেন। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন।

তার সঙ্গে যাবেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) খালেদ আখতার, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছোট ভাই হুসেইন মোর্শেদ এবং হুসেইন মোর্শেদের স্ত্রী রুখসানা খান মোর্শেদ।

ড. কামালের সিঙ্গপুরে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী জানান, ড. কামাল সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন নিজের শারীরিক চিকিৎসা গ্রহণ করতে। এছাড়া আইনি বিষয়ে দুয়েকজন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলতে পারে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামালের চেম্বারে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে জেএসডির সভাপতি ও জোটের শীর্ষ নেতা আ স ম আব্দুর রব জানান, ‘আগামী পরশুদিন (শনিবার) ড. কামাল হোসেন চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাবেন। তিনি ফিরলে পরবর্তীতে আরও কর্মসূচি দেওয়া হবে।’

অপরদিকে জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান ও নবগঠিত একাদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এইচএম এরশাদ গুরুতর অসুস্থ। তার শরীর বেশ ভেঙে পড়েছে। প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে পড়েছেন তিনি।

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে তার উঠতে-বসতে ও হাঁটাচলায় সমস্যা হলেও গত দুইদিন ধরে তার নড়াচড়া করার সামর্থ্যও কমে এসেছে। পরিমাণমতো খেতেও পারছেন না। ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন এরশাদ এককথায় বিছানায় পড়ে গেছেন। এই অবস্থায় আজ তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হচ্ছে।

এরশাদের ছোট ভাই ও জাপার কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের জানান, এরশাদ সাহেবের শরীর দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়ে পড়েছে। হাঁটাচলা তো করতেই পারছেন না, এমনকি বিছানায় নড়াচড়া করতেও তার কষ্ট হচ্ছে। চিকিৎসকরা খাবারের পরিমাণ বাড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু তিনি ঠিকমতো খেতেও পারছেন না, শুক্রবার একটু খেয়েছেন, তাও পরিমাণে খুব সামান্য। সম্ভবত তার লিভারে খুব সমস্যা হচ্ছে।

এর আগে গত ৮ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এরশাদ। এরপর থেকে বেশিরভাগ সময় তাকে হাসপাতালেই থাকতে হচ্ছে। ১০ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিলেও তার অবস্থার খুব একটা উন্নতি হয়নি। রংপুর-৩ আসন থেকে এবারও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও অসুস্থতার কারণে একদিনও প্রচারণায় যেতে পারেননি। গত ৫ জানুয়ারি হুইল চেয়ারে করে সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে গিয়ে এমপি হিসেবে শপথ নেন।

বিডি২৪লাইভ/এইচকে

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: