প্রচ্ছদ / সারাবিশ্ব / বিস্তারিত

অনলাইনে মোবাইল অর্ডার, বাক্স খুলে মিলল কাপড় কাচার সাবান!

২৩ জানুয়ারি ২০১৯ , ০৯:১৭:০০

ছবি : সংগৃহীত

বড় আসা নিয়ে অনলাইনে করেছিলেন ফোনের অর্ডার। সময় মতো পেয়ে যান ডেলিভারির প্যাকেটও। কিন্তু প্যাকেট খুলেই থ! প্যাকেট খোলার পর দেখা যায় ভেরতে রয়েছে মোবাইলের বদলে দু’টি কাপড় কাচার সাবান!

এমন ঘটনারই সাক্ষী হয়েছেন ভারতের কলকাতার উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় বাগুইআটি এলাকার বাসিন্দা নীরজ কুমার ও তার স্ত্রী প্রীতি কুমার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীরজ জানান, ২০-২৩ জানুয়ারি একটি আন্তর্জাতিক অনলাইন শপে সব ধরনের কেনাকাটায় বিশেষ ছাড় ঘোষণা করে। সেই ছাড় দেখেই ২০ জানুয়ারি একটি মোবাইল ফোনের অর্ডার দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে পুরনো মোবাইল বিনিময়ের সুযোগও ছিল। তিনি স্ত্রীর একটি পুরনো মোবাইল বিনিময় করার শর্তে অনলাইনে ৫ হাজার ৮৯৯ রুপি পেমেন্টও করেন। পরের দিনই অর্থাৎ ২১ জানুয়ারি তার কাছে একটি এসএমএস আসে। সেখানে ওই অনলাইন শপের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২২ জানুয়ারি মোবাইল ফোনটি ডেলিভারি করা হবে।

এরপর সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার (২২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মোবাইল ফোনটি ডেলিভারি দিতে আসেন দুই যুবক। ওই দুই যুবক সেই সময় তাদের মোবাইলে আসা ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) মিলিয়ে দেখে ডেলিভারি দিয়ে যান। একই সাথে তারা প্রীতির পুরনো ফোনটিও নিয়ে যান।

এরপর নীরজ বলেন, ‘ঘরে ঢুকে ডেলিভারি প্যাকেট খোলে প্রীতি। প্রথমেই চোখে পড়ে যে মোবাইল তিনি অর্ডার দিয়েছিলেন, ডেলিভারিতে আসা মোবাইলের বাক্সটি সেই একই কোম্পানির হলেও মডেল আলাদা। এর পর বাক্স খুলে আক্কেল গুড়ুম! বাক্সে মোবাইলের বদলে কাপড় কাচার দু’টি সাবান! সঙ্গে সঙ্গে তিনি বাড়ির নিরাপত্তা রক্ষীদের বলেন ডেলিভারি দিতে আসা যুবকদের খোঁজ করতে। কিন্তু ততক্ষণে তারা চলে গেছেন।’

প্রীতির অভিযোগ, ‘এর পর ভালো করে খেয়াল করে দেখি মোবাইলের বাক্সের সিল ঠিক করে আটকানো নেই। পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল, সিল ভাঙা হয়েছে।’

এর পরই অনলাইন ওই সংস্থাকে ফোন করে অভিযোগ জানান নীরজ। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা অভ্যন্তরীণ তদন্ত করে দেখে চার-পাঁচ দিন পরে নীরজের সঙ্গে যোগাযোগ করবে।

সবশেষ মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ওই দম্পতি।

বিডি২৪লাইভ/এইচকে

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: