সম্পাদনা: মো: হৃদয় আলম

ডেস্ক এডিটর

৩৮ জওয়ান নিহতের নেপথ্যে আদিল আহমেদ!

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৮:২১:০০

ছবি: ইন্টারনেট থেকে

উপত্যকায় সিআরপিএফ কনভয়ে প্রাণঘাতী হামলায় এখন পর্যন্ত শহীদ কমপক্ষে ৩৮ জন জওয়ান। ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলা জানিয়েছে এ নারকীয় হামলার মূলে রয়েছে জঙ্গি আদিল আহমেদ দার। আজকের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো তার সম্পর্কে কিছু তথ্য।

পরিবারের দাবি, ২০১৬ সালে জঙ্গি বুরহান ওয়ানির মৃ্ত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল আদিল। বিক্ষোভ দেখানোর সময়ে আদিলের পায়ে গুলি করা হয়। এরপর ২০১৮ সালে জইশ-ই-মহম্মদে যোগ দেয় আদিল।

একাদশ শ্রেণির পরে আর পড়াশোনা করেনি সে। স্কুল ছাড়ার পরের থেকে বেশ কয়েক দিন নিখোঁজ ছিল আদিল। তখন পরিবার থানায় মিসিং ডায়েরিও করেছিল।

আদিলের সঙ্গে তার এক বন্ধু সমীর আহমেদ নিখোঁজ রয়েছে। সমীরের এখনও পর্যন্ত কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। পুলওয়ামার হামলাস্থল থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে গুন্ডিবাগেই বাড়ি আদিলের।

জঙ্গি দলে যোগ দেওয়ার আগে একটি মিলে কাজ করত আদিল। ফিঁদায়ে হামলার জন্য আদিলকে বেছে নিয়েছিল জইশ এর মাথারা।

ক্যাটাগরি ‘সি’ জঙ্গি ছিল আদিল। সেখান থেকে নিজের দিকে নজর ঘোরাতেই বড় নাশকতার ছক কষে সে। আফগানিস্তানে জঙ্গি যশ ও গাজি রশিদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নেয় আদিল।

আফিগানিস্তানে মাঝে মধ্যে সেনার উপরেও একই কায়দায় হামলা চালায় তালিবানরা। সেখান থেকেই আদিল অনুপ্রাণিত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভিডিওতে আদিলের হাতে এমফোর কার্বাইন দেখা গিয়েছে। এত শক্তিশালী অস্ত্র তার হাতে কী করে এল, সেটাই ভাবাচ্ছে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের।

আদিলের কাছের এক আত্মীয় জঙ্গি দলে ছিল। পরে নিরাপত্তরক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে সে প্রাণ হারায়। জইশের হয়ে কাজ করলেও একাধিক বার লস্কর ও হিজবুলের সঙ্গেও দেখা গিয়েছে ২২ বছরের আদিলকে।

এখন এই জঙ্গি সংগঠনের বাকি মাথাদের খোঁজে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী।

বিডি২৪লাইভ/এইচকে

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: