প্রচ্ছদ / সারাবিশ্ব / বিস্তারিত

সমুদ্রপথ দিয়ে ভারতে ঢুকে গেছে জঙ্গিরা, যে কোন মুহূর্তে বড় হামলা

২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ , ০৫:৩২:৪১

ছবি: ইন্টারনেট

২০০৮ সালে মুম্বাই জঙ্গি হামলার (যা সাধারণত ছাব্বিশে নভেম্বর বা ২৬/১১ নামে পরিচিত) সময় সমুদ্রপথে ভারতে প্রবেশ করেছিল জঙ্গিরা। এবার আরও একবার সতর্কতা জারি হল সেই মুম্বাইতেই। লস্কর জঙ্গিরা সমুদ্রপথে ভারতে প্রবেশ করেছে, এমনটাই দাবি গোয়েন্দাদের। ঘটনার জেরে বাণিজ্য নগরীতে কয়েকগুন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা।

গোয়েন্দাদের দেওয়া রিপোটফ অনুযায়ী আগামী তিন মাসের মধ্যে মুম্বাই ফের বড়সয জঙ্গি হামলার সম্ভাবনা রয়েছে। রেল স্টেশনগুলিতে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। সেইসঙ্গে সিন্ধদূর্গ, রত্নগিরি, রায়গড় এলাকায় সমুদ্রের তীরেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ‌্যম কলকাতা২৪ এর একটি প্রতিবেদনে এমন সংবাদ পাওয়া গেছে।

গোয়েন্দারা খবর পেয়েছেন, সমুদ্র পথে লস্কর জঙ্গিরা মুম্বাইতে ঢুকেছে কিংবা ঢোকার চেষ্টা করছে। এই রিপোর্ট দেওয়ার পরই রেল বোর্ডের প্রেসিডেন্ট বিনোদ কুমার যাদব জিআরপি ও আরপিএফ-কে নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সন্দেহভাজন কাউকে দেখলেই যে তাদের গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় সার্চ অপারেশনও চালানো হচ্ছে। বিশেষত দূরপাল্লার ট্রেনগুলিতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

আশঙ্কা করা হচ্ছে মুম্বাইয়ের কোনও স্টেশনে হামলা হতে পারে আগামী তিন মাসের মধ্যে। দিল্লি থেকে ছাড়ার সময় এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে বম্ব ইন্সপেক্ট ও ডগ স্কোয়াড পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের ব্যাগ স্ক্যান করা হবে। প্রয়োজনে তৈরি করা হবে চেকিং স্কোয়াড। সন্দেহজনক কিছু দেখলেই যাত্রীরা যাতে রেল পুলিশের কাছে জানায়, সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে গুজব না ছড়াতে অনুরোধ করা হয়েছে যাত্রীদের।

এদিকে, শুক্রবারই জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার সন্দেহে দু’জনকে উত্তরপ্রদেশে দেওবন্দ থেকে গ্রেফতার করে এটিএস৷ এর মধ্যে একজনের নাম শাহনবাজ আহমেদ আলি বলে জানা গিয়েছে৷

শাহনবাজ জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামের বাসিন্দা৷ সে জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের জন্য কাজ করত বলে জানা গিয়েছে৷ চলছে জিজ্ঞাসাবাদ৷ এএনআই সূত্রে খবর, শাহনবাজ গ্রেনেড এক্সপার্ট৷ তাদের কী টার্গেট, অর্থ যোগান দিচ্ছে কারা, এইসব প্রশ্নের উত্তরের খোঁজ চলছে৷

পুলওয়ামা হামলার সঙ্গে কোনও যোগ রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ তাদের থেকে মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে৷ এই মোবাইলে জঙ্গিদের বহু ভিডিও রয়েছে।

বিডি২৪লাইভ/এআইআর

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: