প্রচ্ছদ / বিনোদন / বিস্তারিত

মায়ের মুখ দেখা হলো না শাহনাজ রহমতুল্লাহর ছেলেমেয়ের

২৪ মার্চ ২০১৯ , ০৯:২৯:৫৫

দুই ছেলে-মেয়ে সায়েফ রহমতুল্লাহ ও নাহিদ রহমতুল্লাহকে ছাড়াই দাফন সম্পন্ন হয় প্রয়াত কণ্ঠশিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহর। রবিবার বাদ জোহর বেলা ২টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বনানীস্থ সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে। এর আগে বারিধারার ৯ নম্বর রোডের পার্ক মসজিদে বাদ জোহর একমাত্র জানাজা হয়।

মেয়ে নাহিদ রহমতুল্লাহ থাকেন লন্ডনে আর ছেলে সায়েফ রহমতুল্লাহ থাকেন কানাডায়। তাদের ভিসা ম্যানেজ করে আসতে সময় লেগে যাবে। তাই ছেলেমেয়ের অপেক্ষায় না থেকে স্ত্রীকে দাফনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শাহনাজ রহমতুল্লাহর স্বামী মেজর (অব.) আবুল বাশার রহমতুল্লাহ।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যে গেছে তাকে তো আর ফেরানো যাবে না। ছেলে কবে আসতে পারবে তার নিশ্চয়তা নেই। টিকিট পাওয়ার বিষয় আছে। সে এলে দোয়া অনুষ্ঠানে অংশ নেবে। আপনারা সবাই দোয়া করবেন।’

তবে মেয়ে নাহিদ রহমতুল্লাহ লন্ডন থেকে আসছেন কি না সে বিষয়েও তিনি স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি।

১৯৫৩ সালের ২ জানুয়ারি জন্ম নেয়া এই শিল্পী অল্প বয়সেই গায়িকা হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা করেন পাকিস্তান রেডিও ও টিভিতে। তখন তিনি শাহনাজ বেগম নামে পরিচিতি পান। দেশাত্মবোধক গানের জন্য তিনি পাকিস্তান ও বাংলাদেশ; দুই দেশেই সমাদৃত।

১৯৬৩ সালে মাত্র ১১ বছর বয়সে চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দেন শাহনাজ রহমতুল্লাহ। সেই চলচ্চিত্রের নাম ছিলো ‘নতুন সুর’। এরপরের বছর ১৯৬৪ সালে প্রথম টেলিভিশনে গান করেন শাহনাজ। এরপর ধীরে ধীরে তিনি শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি বাড়তে থাকে তার।

শাহনাজ রহমতুল্লাহর গাওয়া গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’, ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’, ‘আমার দেশের মাটির গন্ধে’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বল রে এবার বল’, ‘আমায় যদি প্রশ্ন করে’, ‘সাগরের তীর থেকে’, ‘পারি না ভুলে যেতে’, ‘ফুলের কানে ভ্রমর এসে’, ‘যে ছিলো দৃষ্টির সীমানায়’, ‘আমি তো আমার গল্প বলেছি’, ‘আরও কিছু দাও না’, ‘এই জীবনের মঞ্চে মোরা কেউবা কাঁদি কেউবা হাসি’, ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’ ইত্যাদি।

বিডি২৪লাইভ/আরআই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: