প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

যেভাবে গুড়িয়ে দেয়া হবে বিজিএমইএ ভবন

১৬ এপ্রিল ২০১৯ , ০২:৫২:২০

ছবি: ইন্টারনেট

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে রাজধানীর হাতিরঝিলে অবস্থিত অবৈধভাবে নির্মাণ করা পোশাক কারখানার প্রধান কার্যালয় বিজিএমইএ’র বহুতল ভবন ভাঙ্গার কাজ শুরু হচ্ছে। ভাঙার প্রক্রিয়াটি হচ্ছে পার্ট বাই পার্ট ডেকোরেশন খুলে নেওয়ার পর ডিনামাইট ব্যবহার করে ভবনটি ভেঙে ফেলা হবে।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে ভবন ভাঙার বিষয়ে গণমাধ্যমকে এসব কথা জানিয়েছেন রাজউকের নির্বাহি মাজিস্ট্রেট জেসমিন আক্তার।

তিনি বলেন, রাজউকের হাতে ভবনটি ভাঙার জন্য তিন মাস সময় রয়েছে। তবে ভবনটি ভাঙার সব প্রস্তুতি রাজউক নিয়ে রেখেছে। ডিনামাইট দিয়ে ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। এত বড় একটি ভবন ম্যানুয়ালি ভাঙার সুযোগ নেই।

ইতোমধ্যে ভবনের কাছে অবস্থান করছেন রাজউকের প্রতিনিধি দল। এর আগে ভবন ভেঙে ফেলতে কয়েকবার সময় বেধে দেন আদালত। তবে, পোশাক শিল্পের স্বার্থ বিবেচনায় প্রতিবারই বাড়ানো হয়েছে সময়সীমা।

সবশেষ মুচলেকা দিয়ে ১ বছরের সময় নেয় বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ, যা শেষ হয় গত ১২ এপ্রিল। আদালতের রায় মাথায় রেখে রাজধানীর উত্তরায় চলছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন- বিজিএমইএ'র নতুন ভবনের নির্মাণ কাজ।

দুই তলা বেসমেন্টের ওপর ১৩ তলা ওই ভবনের ১ম ও ২য় পর্যায়ের কাজ শেষ হয়েছে। পুরানো ভবনের আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতি নতুন ভবনে স্থাপনের মাধ্যমে কিছুদিনের মধ্যেই বিজিএমইএ’র দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রসঙ্গত, জমির স্বত্ব না থাকা ও জলাধার আইন লঙ্ঘন করায় হাতিরঝিল প্রকল্প এলাকায় বিজিএমইএর বর্তমান ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশনা আসে উচ্চ আদালত থেকে। সেজন্য ভবনটি ছাড়তে গত ১২ এপ্রিল পর্যন্ত বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষকে সময় দিয়েছিল আদালত।

২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্ট এক রায়ে ওই ভবনটিকে ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যান্সারের মতো’ উল্লেখ করে রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেন। এর বিরুদ্ধে বিজিএমইএ লিভ টু আপিল করে, যা ২০১৬ সালের ২ জুন আপিল বিভাগে খারিজ হয়।

সর্বশেষ ১২ এপ্রিলের মধ্যে ভবনটি সরিয়ে নিতে সময় দেয় আদালত। নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পর আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে নামে রাজউক।

বিডি২৪লাইভ/এসএএস

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: