প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

ধর্ষক শিক্ষককে বাঁচাতে মরিয়া অধ্যক্ষ ও সভাপতি

প্রকাশিত: ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল জলিল। ছবি: প্রতিনিধি

নাটোর সদর উপজেলার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক আব্দুল জলিল বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হলেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না কলেজ কর্তৃপক্ষ।

ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী কলেজ কর্তৃপক্ষকে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। এর প্রেক্ষিতে ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গত সপ্তাহে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি অধ্যক্ষ ও পরিচালচনা কমিটির সভাপতি।

তদন্ত কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত সপ্তাহে তদন্ত কমিটি ঘটনার সত্যতা পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন কলেজের অধ্যক্ষকে জমা দেয়। কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাবেক যুব ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার ও তার মেয়ে অধ্যক্ষ মৌসুমী পারভীন বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন। যার প্রেক্ষিতে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার পরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না।

কলেজের কয়েকজন শিক্ষক জানান, কলেজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকারের নির্দেশে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর পরিবার আত্মগোপনে রয়েছে। এই কথার সত্যতা জানতে চন্দ্রকলা এলাকায় ওই ছাত্রীর বাড়িতে গেলে জানা যায় তারা রাজশাহীতে অবস্থান করছে।

এ ব্যাপারে জানতে অধ্যক্ষ মৌসুমী পারভীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাবেক প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার বলেন, ‘তদন্ত কমিটির রিপোর্টই সব না। পরিচালনা কমিটি বৈঠককের পর বিস্তারিত জানা যাবে।’

কত দিনের মধ্যে পরিচালনা কমিটি বৈঠক হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৭ দিনের মধ্যে বৈঠক হবে। সে পর্যন্ত সকলকে অপেক্ষা করতে হবে।

বিডি২৪লাইভ/টিএএফ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: