স্ত্রীকে না জানিয়েই বাংলাদেশের কোচের চাকরি

২৫ এপ্রিল, ২০১৯ ০৮:৩৯:০০

ছবি: প্রতিনিধি

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে তার এক বছরের চুক্তিও শেষ হচ্ছে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে। ১৫ দিন ছুটি নিয়ে দেশে যায়, জেমি ডে তিন সপ্তাহেও ফিরে আসেন নি। বাংলাদেশের ফুটবলের কোচ হিসেবে থাকছেন? নাকি জেমি ডে’র ছুটিতে যাওয়াই হয়ে যাচ্ছে বিদায়? এমন প্রশ্নই ফুটবল অঙ্গনে।

জেমি ডে বলেছেন, এক বছর আগে আমার এক অস্ট্রেলিয়ান বন্ধু এজেন্ট আমাকে এসএমএস করে জানায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন জাতীয় দলের কোচ খুঁজছে এমন খবর জানান। তুমি আগ্রহী কি না? আমি তাকে এক কথায় বলে দিয়েছি হ্যাঁ। কোন সমস্যা নেই। এটা করতে পারলে আমি খুশিই হবো; কিন্তু এ কথাগুলো পরিবারের কাউকে বলিনি।

পরে আমার বন্ধু জানতে চেয়েছিল আমি লন্ডন যেতে পারবো কি না। সেখানে বাফুফের শীর্ষ এক কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে হবে। লন্ডনে বাংলাদেশ ফুটবাল ফেডারেশনের কর্মকর্তার সঙ্গে এক ঘণ্টা কথাবার্তা হয় এবং আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে চাকরি প্রস্তাব দিলেন।

জেমি ডে বলেন, আমি কোচ হিসেবে যোগ দেবো, অথচ খবরটি আমি জানাইনি আমার স্ত্রীকে। যদিও আমি কোন দেশের জাতীয় দলে কাজ করার জন্যই আগ্রহী ছিলাম। অপেশাদার এবং ছোট লিগের দল থেকে জাতীয় দল পরিচালনার সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত হলাম এবং ঝুঁকিও নিলাম বাংলাদেশে গিয়ে দায়িত্ব নিতে।

পরক্ষণেই তিনি বলেন, কিন্তু এটা খুব কষ্টকর। আমার চার সন্তান। আমি বাংলাদেশে এক বছর ধরে থাকছি সন্তানদের না দেখেই। এটা আমার জন্য বেশ কঠিন। আমার স্ত্রী-সন্তানের জন্য আরও কঠিন। সন্তানদের ভালোভাবেই দেখাশুনা করে আমার স্ত্রী। এ দায়িত্বটি সে সুন্দরভাবেই করছে। এ জন্য তাকে ত্যাগও স্বীকার করতে হচ্ছে।

বিডি২৪লাইভ/এজে

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: