চীনা শিল্পীর স্কেচে খালেদার কারাজীবন

২৬ এপ্রিল ২০১৯ , ০৮:১৯:১৪

ছবি: সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ার ব্যানার নিউজ নামক একটি সংবাদ মাধ্যম বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জেল জীবন নিয়ে কয়েকটি স্কেচ প্রকাশ করেছে। স্কেচগুলো এঁকেছেন চীনের খ্যাতিমান শিল্পী ওয়াং লিমিং। খালেদা জিয়ার জেল জীবন কেমন তা ফুটিয়ে তুলতে কল্পনার আশ্রয় নিয়েছেন এই শিল্পী। এ ছাড়া সত্যিকারে খালেদা জিয়া কেমন আছেন তা জানতে তিনি নানাভাবে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। ওয়াং লিমিং রাজনৈতিক কার্টুন এঁকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি রেডিও ফ্রি এশিয়াতে কর্মরত। তিনি নিজেকে ‘রেবেল পিপার’ নামে পরিচয় দেন। স্কেচগুলো আঁকতে তাকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করেছেন বাংলাদেশে ব্যানারের প্রতিবেদক কামরান রেজা চৌধুরী।

ব্যানার নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে দুর্নীতির দায়ে খালেদা জিয়া ১ বছর ধরে বন্দি।

তার কক্ষে কারও প্রবেশের অনুমতি নেই। ফলে সেখানকার অবস্থা সমপর্কে জানার সুযোগ কম। প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি বন্দি হওয়ার পর থেকে কোনো সাংবাদিক বা ফটোগ্রাফার সেখানে তার সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। ফলে ৭৩ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেমন কক্ষে রয়েছেন সে সমপর্কে সপষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না। স্কেচগুলোর মধ্যদিয়ে সেই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করেছেন ওয়াং লিমিং।

এতে দেখা যায়, ২২৮ বছরের পুরনো কারাগারে আটক আছেন খালেদা জিয়া। সেখানে একটি ১০ঢ৮ ফুট কক্ষে অবস্থান করছেন তিনি। যাতে একটি টিভিও রয়েছে বিটিভি দেখার জন্য। একটি স্কেচে তাকে বাংলাদেশের একটা জাতীয় দৈনিক পড়তে দেখা যায়। ছবিতে আছে খালেদা জিয়ার জন্য ৬ঢ৬ ফুট বিছানা। এ ছাড়া দুটি চেয়ারসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। 

আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, খালেদা জিয়ার কক্ষে একটি বিড়াল ইঁদুর শিকার করেছে। গত বছর জুন মাসে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার কক্ষে বড় বড় ইঁদুর রয়েছে। তার ভিত্তিতেই এই কাল্পনিক চিত্রটি স্কেচে তুলে এনেছেন ওয়াং লিমিং। এ ছাড়া ব্যানার নিউজ কারাগারে খালেদা জিয়ার বিচারে আদালত স্থাপন এবং বর্তমানে তার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন থাকার তথ্যও উল্লেখ করা হয়। সূত্র: মানবজমিন।

 

বিডি২৪লাইভ/এমআর

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: