প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

বাংলাদেশের দিকে এগুচ্ছে ‘ফণী’

৩০ এপ্রিল ২০১৯ , ১২:৩৩:০০

ছবি: ইন্টারনেট

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট মওসুমের প্রথম ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ ধীরে ধীরে বাংলাদেশের দিকে এগুচ্ছে। সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ অনুযায়ী আরও শক্তি বাড়িয়ে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফণী।

গত ২৭ এপ্রিল সাগরে সৃষ্ট ঝড়টি গত তিন দিনে বাংলাদেশের দিকে প্রায় সাড়ে ৩০০ কিলোমিটার এগিয়েছে। গতিবেগ কম হলেও তা বেড়ে গিয়ে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের দিকে এগিয়ে আসতে পারে ঝড়টি। তবে ঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানবে কিনা তা আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

গত তিন দিন ধরে সাগরে অবস্থান করা ফণী প্রথম দিনের তুলনায় বাংলাদেশের দিকে কিছুটা এগিয়েছে। গত কয়েকদিনের আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষ বুলেটিন দেখে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টি বর্তমানে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে প্রায় ১ হাজার ৫৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। যদিও প্রথম দিন অর্থাৎ ২৭ এপ্রিল এর অবস্থান ছিল ১ হাজার ৯৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণে। একইভাবে ২৭ এপ্রিল কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ঝড়টি ১ হাজার ৮৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। তবে সোমবার (২৯ এপ্রিল) ঝড়টি এগিয়ে এসে ১ হাজার ৫১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে।

এদিকে মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ঝড়টি ১ হাজার ৯২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে ছিল। তবে আজ ১ হাজার ৫৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণে আছে। পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ঝড়টি ১ হাজার ৮৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে থাকলেও আজ এটি এগিয়ে ১ হাজার ৫০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে।

ঝড়টি বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ আশরাফ উদ্দিন বলেন, এখনো শতভাগ নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে প্রকৃত অবস্থান বোঝা যাবে। তবে একটা সম্ভাবনা আছে, সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। উত্তর-পূর্ব দিকে বাক নিয়ে উপকূল বরাবর হয়ে উপকূলীয় এলাকাগুলোর দিকে ঝড়টি যেতে পারে।

ঝড়ের গতিবেগের বিষয়ে তিনি বলেন, ঝড়ের গতিবেগ এখনও এত বেশি না। ঝড়ের কেন্দ্রের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। এমনিতে ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে আপডাউন করছে।

বিডি২৪লাইভ/এআইআর

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: