প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

আইএসের দায় স্বীকার

গুলিস্তানের ককটেলটি অনেক শক্তিশালী ছিল: ডিএমপি কমিশনার

৩০ এপ্রিল ২০১৯ , ১২:৩৮:৩০

ছবি: ফাইল ছবি

রাজধানীর গুলিস্তানে পুলিশকে লক্ষ্য করে যে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে তা অনেক শক্তিশালী ছিল বলে জানিয়েছেন, ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, উগ্রবাদ ইস্যুকে কেন্দ্র করে কোনো মহল উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এ কাজটি করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইএস-এর বিষয়টিও পরীক্ষা করা হচ্ছে। অন্য কেউ আইএস-এর নাম দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে কি-না তাও দেখা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন।

আহতরা হলেন- ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল নজরুল ইসলাম (৪৫), লিটন (৪২) এবং কমিউনিটি পুলিশ সদস্য মো. আশিক (২৮)। সবাইকে আহতাবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার পর গুলিস্তান পাতাল মার্কেট সংলগ্ন ডন প্লাজার সামনে হঠাৎ ককটেল ছুঁড়ে মারা হয়। তবে কে এই ঘটনার সাথে জড়িত তা জানা যায়নি।

মালয়েশীয় সংবাদমাধ্যম স্ট্রেইট টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে সাইট ইন্টেলিজেন্স-এর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে পুলিশের ওপর হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস। ওই জঙ্গিগোষ্ঠীর দাবি, ঢাকায় তারা একদল পুলিশ সদস্যের ওপর বিস্ফোরক ডিভাইসের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।

সোমবারের (২৯ এপ্রিল) হামলায় পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘একটি বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল। নিক্ষেপ করা বোমাটি হাতে তৈরি।’ ঘটনাস্থল থেকে সিআইডি’র ক্রাইম সিনের সদস্যরা আলামত সংগ্রহ করছেন।

ককটেল বিস্ফোরণের পাঁচ ঘণ্টা পর এক টুইট বার্তায় সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ জানায়, গুলিস্তানে পুলিশের তিন সদস্যের ওপর আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটস (আইএস) সদস্যরা ককটেল নিক্ষেপ করেছে। একই বার্তা তাদের ওয়েবসাইটেও প্রচার করা হয়।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৬ সালে গুলশানের হলি আর্টিজান হামলার দায় স্বীকার করেছিল আইএস। দুনিয়াজুড়ে আলোড়ন তৈরি করা ওই হামলায় ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। নিহতদের মধ্যে ৯ জন ইতালি, ৭ জন জাপান, ৩ জন বাংলাদেশি এবং ১ জন ভারতীয় নাগরিক। এছাড়া জঙ্গিদের হামলায় দুই পুলিশ সদস্যও নিহত হন। তবে ওই হামলাকারীদের মধ্যে অনেকেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলো। এরা শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। মামলার তদন্তে ঘটনার সঙ্গে মোট ২১ জন জড়িত ছিল বলে জানতে পারে পুলিশ। এর মধ্যে ঘটনার দিন ও পরে ১৩ জনই নিরাপত্তা বাহিনীর বিভিন্ন অভিযানে নিহত হয়।

বিডি২৪লাইভ/এসএএস

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: