ম্যাচ জিতে খুশি হয়ে যা বললেন মাশরাফি

১৩ মে, ২০১৯ ২৩:৫৩:০০

ছবি: ইন্টারনেট

ডাবলিনের ব্যাটিং উইকেটে বোলারদের কাজটা সহজ করে দেওয়ার পর বাকি কাজটা সেড়ে ফেললেন সৌম্য, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহরা।

ত্রিদেশীয় সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ছুড়ে দেওয়া ২৪৮ রানের টার্গেটে ব্যাটিং নেমে মুশফিকের ৬৩ ও সৌম্যর ৫৪ রানের ইনিংসে ভর করে ১৬ বল হাতে রেখেই টার্গেট টপকে যায় টাইগাররা।

ক্যারবীয়দের ছুড়ে দেওয়া মাঝারি লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ম্যাচের মতই দেখে-শুনে, ধীরে-সুস্থে ইনিংসের সূচনা করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল এবং সৌম্য সরকার। তবে প্রথম ম্যাচের মত এত বড় জুটি গড়তে পারেননি তারা।

অ্যাশলে নার্সের ওভারেই উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন তামিম। ২১ রানে তিনি হয়ে যান বোল্ড।

তামিম ফিরে গেলেও টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ফিফটি তুলে নিয়েছেন বাঁহাতি ড্যাশিং ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার। আগের ম্যাচে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই খেলেছিলেন ৭৩ রানের ইনিংস। এবার পেলেন আরেকটি হাফসেঞ্চুরি।

কিন্তু ম্যাচের ২১তম ওভারে এসেই পরপর দুই উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। প্রথমে ২৯ রান করে নার্সের বলে ক্যাচ আউটের ফাঁদে পড়েন সাকিব। এরপর সেই নার্সের শিকার হন সৌম্যও। তিনি ফিরে যান ৫৪ রান করে।

তৃতীয় উইকেটের পতনের পর ব্যাট হাতে দলের হার ধরা মিঠুন ফেরেন ফিফটির আগেই। আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৪৩ রান।

এরপর মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গী বানিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌছে দেন মুশফিক। মাহমুদউল্লাহ ৩০ রান করে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।

ব্যাটসম্যানদের দিনে বল হাতে উজ্জল ছিলেন মাশরাফি-মোস্তাফিজরাও।

বাংলাদেশের হয়ে ৯ ওভারে ৪৩ রান খরচায় কাটার মাস্টার নেন ৪টি উইকেট। ১০ ওভারে ৬০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন মাশরাফি। একটি করে উইকেট সাকিব আল হাসান আর মেহেদী হাসান মিরাজের।

টাইগারদের এই পারফম্যান্সে খুশি অধিনায়ক মাশরাফি। ম্যাচ শেষে বললেন এই ধারাবাহিকতাটা ধরে রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্যে।

মাশরাফি বলেন, প্রথমবারের মতো কোনো ত্রিদেশীয় সিরিজ জেতার এটাই সবচেয়ে বড় সুযোগ বাংলাদেশের। যেহেতু এর আগে বাংলাদেশের কোনো ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল জেতা হয়নি।

বিডি২৪লাইভ/এআইআর

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: