প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

পরকীয়া, স্বামী দেশে ফেরার ১০ ঘণ্টার মধ্যে হত্যা

১৫ মে ২০১৯ , ১২:৩৭:১০

ছবি: প্রতিনিধি

বেনাপোলে একাধিক পরকীয়ার নায়িকা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য বিদেশ থেকে দেশে আসার ১০ ঘণ্টার মধ্যে স্বামী জামাল হোসেনকে (৩৬) প্রেমিকদের সহযোগিতায় কুপিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (১৫ মে) নিজ বাড়ির বেড রুমে স্ত্রী আয়েশা তার স্বামীকে কথিত প্রেমিক ও নিজ বাবা মায়ের সহযোগিতায় হত্যা করে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক পুলিশ আয়েশার মা-বাবাদসহ তিনজনকে আটক করেছে। নিহত জামাল হোসেন বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে।

আটককৃতরা হলো- নিহত জামালের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শশুর রিয়াজুল ইসলাম টুকু, ও শাশুড়ী ফুলবুড়ি।

নিহতের বাবা হবিবার রহমান অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে প্রায় ১৫ বছর যাবৎ মালায়েশিয়া থাকে। একই গ্রামের রিয়াজুলের মেয়ে আয়েশার সাথে তার প্রায় ১৫ বছর আগে বিবাহ হয়। আর বিগত এই ১৫ বছরে তার ছেলে মালায়েশিয়া থেকে মাত্র ৩ বার বাড়ি এসেছে। ছেলে বাড়ি না থাকার কারণে স্ত্রী আয়েশা এলাকার বিভিন্ন ছেলের সাথে প্রেম করত। প্রায় কারও না কারও সাথে সে মোটরসাইকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে দুই তিন দিন পর বাড়ি ফিরত। তার ছেলের আলাদা করে বাড়ি যে বিল্ডিং তৈরী করেছে সেই বিল্ডিংয়ে আয়েশা ও তার মা বাবা বসবাস করত। ছেলে গতকাল মঙ্গলবার বেলা ২ টার সময় মালায়েশিয়া থেকে বাড়িতে আসে। আর রাত ১২টার সময় তার বুকে পেটে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। তবে কার সাথে প্রেম করত তার ছেলের স্ত্রী এ প্রশ্নে তিনি এলাকার লোকের বাধার মুখে নাম বলতে অস্বীকার করেন।

স্থানীয়রা জানায়, স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে আয়েশা একাধিক প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এলাকায়। কেউ তাকে ফোন করে ডাকলে সে মোটরসাইকেল ভাড়া ঘরে দুই তিনদিন একাধারে হারিয়ে যেত। এর আগে যখন তার স্বামী বিদেশ থেকে বাড়ি আসে তখন তাকে বিদ্যুতের তার জড়িয়ে হত্যা করার চেষ্টা করে বলে এলকার জনসাধারন অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি ৯ (তদন্ত) আলমগীর হোসেন বলেন, হত্যার তদন্তের জন্য তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের সাথে আলাপ চলছে কে বা কারা এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তদন্ত না করে কিছু বলা যাবে না।

বিডি২৪লাইভ/এমআর

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: