প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

গ্রামীণ খেলাধুলা এখন শুধুমাত্র গল্প!  

১৭ মে ২০১৯ , ০৩:০০:০০

ফাইল ফটো

গোল্লাছুট, বৌছি, কানামাছি, সাতচারা, হাডুডু, নৌকা বাইচ, কুতকুত, দাড়িয়া বান্ধা এসব খেলার নাম শুনেনি এমন মানুষ কমই আছে। এসব দ্বীপজেলা জেলা ভোলার ঐতিহ্যবাহী গ্রামীন খেলা।

এসব খেলাগুলো এখন শুধু মাএ গল্প হয়ে গেছে। এছাড়াও বাংলার আনাচে-কানাচে  রয়েছে অসংখ্য খেলা। এসব খেলা এখন বিলুপ্তির পথে। গ্রাম গায়েও ঘুরেও চোখে পড়ে না এসব খেলা। যেন জাদুঘরেই চলে গেছে বাংলার এই ক্রীড়া সংস্কৃতি।

কিছু কিছু জায়গায় অবশ্য মাঝে মাঝে স্থানীয় লোকজন আয়োজন করে বাংলার এই গ্রামীন খেলা। তবে স্থায়ী কোনো পৃষ্ঠপোষকতা না থাকার কারনে সেই আয়োজনও কমে যাচ্ছে। গ্রামীন খেলাধুলার আলাদা কোন ফেডারেশন না থাকার কারণে একত্রিত হতে পারছেনা তারা।

এসব খেলা বাচাতে আলাদা ফেডারেশনের বিকল্প কিছু নাই। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারনে ফাকা জায়গা সংকুচিত হওয়া। স্মার্ট ফোন, ল্যাপটপ ও ডেস্কটপে  ভিডিও গেমস খেলার কারনে এসব খেলা বিলুপ্তির পথে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া প্রেমীরা।বর্তমানে গ্রামীন খেলাধুলা সম্পর্কে ধারনা আছে এমন শিশুর সংখ্যা নেই বললেই চলে।

শিশুরা তাদের বাবা, দাদা, মা, নানীদের কাছ থেকে শুধু গল্প শুনে মাত্র। গ্রামীন এসব খেলাধুলা তাদের কাছে হারনো ঐতিহ্য।ছোট বেলায় খেলাধুলা যেমন শারীরিক সুফল দেয়,তেমনি মানসিক সুফলও আসে।সুস্থ দেহের সঙ্গে সুস্থ মানসিক বিকাশ ও গড়ে উঠে।

এ বিষয়ে শিক্ষাবিদ ও ক্রীড়া প্রেমীদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, প্রতিটি অভিবাবকেরই দ্বায়িত্ব শিশুদের লেখা পড়ার পাশাপাশি প্রতিটি শিশুকে খেলাধুলায় ব্যস্ত রাখা। খেলাধুলার চর্চার মাধ্যমে শিশুদের সুস্থ মন বিকাশ গড়ে উঠে,  শিশুদের স্বাস্থ্যও ভালো থাকে। এছাড়াও এতে শিশুরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠে।

বিডি২৪লাইভ/এজে

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: