প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

রাসেল হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ, পুলিশের ধাওয়া

প্রকাশিত: ০৭:১৯ অপরাহ্ণ, ১৯ মে ২০১৯

ছবি: প্রতিনিধি

ময়মনসিংহে যুবলীগ নেতা রাসেল হত্যার বিচার চাইতে গিয়ে চাইতে গিয়ে তাঁর বাবা পুলিশের ধাওয়া খেয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় পুলিশ দুইজনকে আটক করে প্রায় ঘন্টাখানেক আটকে রাখে। ঘন্টা খানেক পর মুচলেকা রেখে আটককৃতদের ছেড়ে দেয়া হয়।

জানা যায়, রোববার (১৯ মে) সকাল ১১টায় ময়মনসিংহে যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম রাসেল হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে ডিআইজি অফিস ও জেলা পুলিশ সুপার বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করে নিহত রেজাউল করিম রাসেলের পরিবার ও অনুসারীরা।

এ সময় ডিআইজি বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করে অফিসের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন তারা। পরে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করে কার্যালয়ের সামনেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। একপর্যায়ে রাসেলের অনুসারীরা উত্তেজিত হয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, যুবলীগ রেজাউল করিম রাসেল হত্যার সুষ্ঠ বিচারের দাবিতে ময়সনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার বরাবর স্বারকলিপি দিতে আসে। স্বারকলিপি দিয়ে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে বিশৃঙ্খলা পরিবেশ সৃষ্টি করে হামলার পরিকল্পনা করে। এ সময় তাদের ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হয়।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা দুইজনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিশৃঙ্খলাকারীদের মধ্য থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছিলো। পরে অভিভাবক পক্ষের লোকজনের মুচলেকা রেখে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

যুবলীগ নেতা রাসেল হত্যা মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত মোবারক হোসেন ও  আজিজুর রহমানকে গ্রেফতার করার পর হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় তারা। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চলছে।

নিহত যুবলীগ নেতা রাসেলের ভাই মাসুদ বলেন, আমার ভাইয়ের বিচারের জন্য প্রায় ৫ সহস্রাধিক লোক আজ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন করছিলেন। এ সময় পুলিশের লোকজন আমাদের ধাওয়া করে দুইজনকে আটক করে নিয়ে যায়।

নিহত যুবলীগ নেতা রাসেলের বাবা জালাল উদ্দিন বলেন, ছেলে হত্যার বিচার চাইতে গিয়ে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ফিরে এসেছি। পুলিশ শুধু ধাওয়াই করেনি আমাদের দু’জনকে গ্রেফতার করে ঘন্টাখানেক আটকে রেখেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৩ মে রাতে যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম রাসেলকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহত যুবলীগ নেতা রাসেল বাবা জালাল উদ্দিন পরদিন ১৪ মে রাতে শহর ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন আরিফসহ ৪জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

বিডি২৪লাইভ/এইচকে

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: