প্রচ্ছদ / সারাবিশ্ব / বিস্তারিত

এগিয়ে মোদী, আসলে এই বুথফেরত জরিপ কি?

প্রকাশিত: ০৩:১৪ পূর্বাহ্ণ, ২০ মে ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ভোট এলেই শোনা যায় বুথফেরত জরিপের কথা। এ জরিপে অনেক ক্ষেত্রে হিসাব মেলে, অনেক ক্ষেত্রে মেলে না। তবুও দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এই জরিপ।

লোকসভা নির্বাচনে সপ্তম দফার ভোট গ্রহণের নির্দিষ্ট সময় শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রোববার সন্ধ্যায় চ্যানেলে চ্যানেলে বুথফেরত জরিপের ফল প্রকাশের কথা রয়েছে। যাবতীয় উত্তেজনা ও জল্পনা এখন এই ‘এক্সিট পোল’ বা বুথফেরত জরিপ ঘিরেই।

আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম দফার ভোটের ফলাফল ২৩ মে। তার আগেই বুথফেরত জরিপ নিয়ে দেশজুড়ে এই মুহূর্তে টানটান উত্তেজনা।

ভোটকেন্দ্র থেকে বেরনোর পরই ভোটারদের মধ্যে জরিপ চালানো হয়। বেশ কয়েকটি সংস্থা এই জরিপ চালায়। কোন দল কেমন ফল করবে, তার একটা আভাস এই সমীক্ষা থেকে পাওয়া যায়।

সারা ভারতে বিভিন্ন সংস্থা এই জরিপ চালায়। বুথফেরত জরিপের প্রথম ধাপ হল স্যাম্পলিং বা নমুনা সংগ্রহ। কোনও কোনও সংস্থা লোকসভা কেন্দ্র থেকে নমুনাগুলির র‌্যান্ডম স্যাম্পলিং করে, কেউ কেউ সিস্টেমেটিক স্যাম্পলিং করে।

ষাটের দশকে দিল্লির সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব ডেভেলপিং সোসাইটিজ এটি শুরু করেছিলে। ১৯৮০-র দশকে গণমাধ্যমের দ্বারা ভোট সমীক্ষা তার পর শুরু হয়। বয়স, লিঙ্গ, ধর্ম, জাত এগুলোকেও এক-একটা মাপকাঠি হিসাবে ধরা হয় বুথফেরত জরিপে।

জনগণের প্রতিনিধিত্ব আইন (১৯৫১)-এর ১২৬-এ ধারা অনুযায়ী শেষ দফা ভোটের আধ ঘণ্টা পরে বুথফেরত জরিপের প্রকাশ করা যায়।

২০০৪ সালে নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রণালয় আবেদন করে ভোট শেষ হওয়ার আগে বুথফেরত জরিপের ফল প্রকাশ না করার আবেদন জানায়। এই বিষয়ে সংশোধনী প্রস্তাব আনার আবেদনও জানানো হয়।

বুথফেরত জরিপ আদৌ কতটা বিশ্বাসযোগ্য, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। ২০০৪ সালেই যেমন বিজেপি-এনডিএ জোট সরকার ক্ষমতায় আসবে এমনটা বলা হয়েছিল কোনও কোনও সমীক্ষায়, মেলেনি তা।

২০০৯ সালেও ইউপিএ জোট সরকার যে যথেষ্ট সংখ্যক আসন পাবে, তা বুথফেরত সমীক্ষায় সেভাবে বলা হয়নি। তবুও বুথফেরত জরিপ নিয়ে ভারতীয়দের মধ্যে আগ্রহ কমেনি। 

বিডি২৪লাইভ/এমআর

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: