প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

জাতীয় কমিটির বিবৃতি

ঈদ যাত্রা নিরাপদ করতে সড়কপথে ১২ সুপারিশ

২১ মে ২০১৯ , ০৯:০০:১০

ছবি: ইন্টারনেট

আসন্ন ঈদকে সামনে রেখেই ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে ঘরেফেরা মানুষের ঈদ আনন্দ। আর এই ঈদ যাত্রা নিরাপদ করতে সড়কপথে ১২ দফা সুপারিশ করেছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।

সোমবার (২০ মে) এক বিবৃতিতে এ সুপারিশ উত্থাপন করে সংগঠনের সভাপতি হাজি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে এসময় তারা ১২ সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ঈদ যাত্রায় ১২টি সুপারিশে বলা হয়েছে-

১. দুর্ঘটনা রোধে রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস ও রুট পারমিটবিহীন সব ধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে হবে।

২. বাস টার্মিনাল ও কাউন্টারগুলোয় প্রয়োজনীয়সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ সব টার্মিনাল ও মহাসড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

৩. বাসের ছাদে, ট্রাক ও পিক-আপ ভ্যানে যাত্রী পরিবহন বন্ধে মহাসড়ক, আন্তজেলা সড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।

৪. সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সব জেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

৫. অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও টিকিট কালোবাজারি বন্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

৬. দূরপাল্লার সড়কে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চলাচল ও বেআইনিভাবে ওভারটেকিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৭. জাল লাইসেন্সধারী ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের গাড়ি চালানো ও চলন্ত অবস্থায় চালকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে ক্ষমতা দিতে হবে।

৮. জাতীয় মহাসড়ক ও আন্তজেলা সড়কে অটোরিকশা, ইজিবাইকসহ তিন চাকার সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করতে হবে।

৯. শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে নিরবচ্ছিন্ন ফেরি ও লঞ্চ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।

১০. ঈদের আগে শিমুলিয়া ও পাটুরিয়া এবং ঈদের পর কাঁঠালবাড়ি ও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে সাত দিন করে ভ্রাম্যমাণ আদালতসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জোর তৎপরতা চালাতে হবে।

১১. মহাসড়কের দুঃসহ যানজট রোধে সড়কসংলগ্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

১২. মহাসড়কপথে কোনো রকম চাঁদাবাজির ঘটনা না ঘটে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

এদিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসাকে জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, সড়ক ও পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, যানজট নিরসন এবং বড় প্রকল্পগুলো যথাসময়ে শেষ করাই এ ইনিংসের বড় চ্যালেঞ্জ। আশা করি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তা আনতে পারবো। এবারের ঈদযাত্রা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে অধিকতর স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। দুই মাস ১৬ দিন পর গতকাল রবিবার সকালে সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরো বলেন, প্রথম ইনিংস শেষ করেছি। ইনশাল্লাহ আমি এবার দ্বিতীয় ইনিংস খেলব।

বিডি২৪লাইভ/এসএএস

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: