প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

অতিষ্ঠ নেতাকর্মীরা

বিএনপিতে উত্তেজনা চরমে, অফিসে তালা মারার হিড়িক

প্রকাশিত: ১০:৫৮ অপরাহ্ণ, ২২ মে ২০১৯

ছবি: প্রতিনিধি

উত্তেজনা আর বিরোধের যেন শেষ নেই বগুড়া বিএনপিতে। গত ১৫ মে নতুন কমিটি ঘোষণার পর থেকে আজ অবধি দফায় দফায় দুই গ্রুপের মধ্য ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। দলীয় কার্যালয়ে তালা, আগুন, মটর সাইকেল ভাংচুরের মতো ঘটনাও ঘটেছে বিএনপির ঘাটি খ্যাত বগুড়ায়।

প্রায় প্রতিদিন সকালে এক গ্রুপ কার্যালয়ের সামনে নব ঘোষিত আহবায়ক সিরাজের কুশপুত্তলিকা দাহ করে তালা লাগিয়ে দেয়; আবার সন্ধ্যায় আরেক গ্রুপ সেই তালা ভেঙে অফিস দখলে নিয়ে তাদের তালা ঝুলিয়ে দেয়। এদিকে ইতো মধ্যই আহবায়ক কমিটির বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের বেশ কয়েকজনকে বহিস্কারও করা হয়েছে দল থেকে। দলটির সাম্প্রতিক এমন কর্মকাণ্ডে হতাস হয়েছেন তৃনমূল নেতা কর্মীরা। আসন্ন ২৪ জুন নির্বাচনে এর বিরুপ প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকে।

এদিকে শহরের নবাববাড়ী সড়কে অবস্থিত জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বুধবার (২২ মে) বিকালে দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে, সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত কোন গ্রুপের নেতাকর্মীদের কার্যালয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পুলিশ।

এদিন বিকাল ৩টার দিকে আহবায়ক কমিটির বিপক্ষের গ্রুপ দলীয় কার্যালয়ে সামনে সংবাদ সম্মেলনের আহবান করে। এ খবর জানতে পেরে দুপুর আড়াইটায় আহবায়ক কমিটির নেতাকর্মীরা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে তালা ভাঙার চেষ্টা করে। এ সময় বিপক্ষ গ্রুপের নেতাকর্মীরা বাধা দিলে শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিয়ে কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় পুলিশ।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, নিজেদের মধ্যে সমঝোতা না হলে কোন পক্ষই কার্যালয়ে ঢুকতে পারবে না। পুলিশের এই বক্তব্য শুনে আহবায়ক কমিটির পক্ষে রেজাউল করিম বাদশা, আলী আজগর তালুকদার হেনা এবং ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল এবং অপর গ্রুপের পরিমল চন্দ্র দাস, শাহ মেহেদী হাসান হিমু এবং শাহাবুল আলম পিপলু আলোচনা শুরু করেন। প্রায় আধা ঘণ্টা আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত হয়- বৃহস্পতিবার উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র উত্তোলনের কাজ শেষে দুই পক্ষের নেতারা আলাচনায় বসবেন।

এরপর দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন অপর গ্রুপের নেতাকর্মীরা। এই গ্রুপের নেতারা বলেন, সংস্কারপন্থী নেতা আহবায়ক কমিটির আহবায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজকে মেনে নেওয়া যাবে না। তাকে বাদ দিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা না করা পর্যন্ত কার্যালয়ে তালা থাকবে।

বিডি২৪লাইভ/এজে

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: