প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

ভূঞাপুর মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের বেতনের টাকা নিয়ে নয়-ছয়’র অভিযোগ!

প্রকাশিত: ১২:০৩ অপরাহ্ণ, ২৪ মে ২০১৯

ছবি: প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের (৬৪ জেলা) প্রকল্প বাস্তবায়নকারী এনজিও ভূঞাপুর উপজেলা শাখা’র ‘বন্ধন সমাজ উন্নয়ন সংস্থা’র প্রোগ্রাম অফিসার মো. আল আমিনের যোগসাজসে এবং সুপারভাইজারদের সহযোগিতায় শিক্ষকদের বেতনের টাকা নিয়ে লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। 
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরের প্রকল্প কার্যালয়ের সামনে এ টাকা লেনদেনের সত্যতা পাওয়া গেছে। 

সরেজমিনে কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রকল্প শুরু হওয়া থেকে এ অনিয়ম শুরু হয়েছে। চাকুরী দেওয়ার সুযোগ করে প্রত্যেক শিক্ষকের কাছ থেকে ৫’শ টাকা করে নিয়েছে। এরপর তাদের চাকুরীর নিয়োগ প্রক্রিয়া অনিয়মের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ করেছে। তাদের নির্ধারিত বেতন উল্লেখ আছে ২ হাজার ৪’শ টাকা। কিন্তু তাদের নির্ধারিত বেতন না দিয়ে তিন মাসের মধ্যে প্রতি মাসের ১ হাজার ৭০ টাকা করে মোট ২ হাজার ১’শ ৪০ টাকা দিচ্ছে। আর বাকি টাকাগুলো প্রোগ্রাম অফিসার মো. আল আমিন ও তার সহযোগী সুপারভাইজারদের নিয়ে নয় ছয় করেছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গাবসারার এক শিক্ষক জানান, বিভিন্ন প্রকল্পের নাম করে প্রোগ্রাম অফিসার বরাত দিয়ে সুপারভাইজাররা শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করছে অফিসের সামনে থেকে। টাকা নেওয়ার বিষয়ে সুপারভাইজারদের কাছে জানতে চাইলে তারা কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তারা বলছে বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের জন্য এ টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তাদের দেয়া হচ্ছে না টাকা নেওয়ার কোন রশিদ।

প্রোগ্রাম অফিসার মো. আল আমিন বলেন, উপজেলায় মোট তিনশ স্কুল রয়েছে। যেখানে দু’জন করে ৬’শ শিক্ষক রয়েছে। তারা অনেকেই সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেনি যার কারণে যেসব শিক্ষকরা দায়িত্বে অবহেলা করেছেন তাদের কাছ থেকে ৫’শ করে টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। 

শিক্ষকদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা অস্বীকার করে বলেন, টাকা লেনদেনের বিষয়ে আমি অবগত নই এবং কে বা কাহারা এ টাকা উত্তোলন করেছে সে বিষয়ে আমি জানি না। এদিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, এই প্রকল্পের সুপারভাইজার এবং কতিপয় শিক্ষক প্রকল্প অফিস কার্যালয়ের সামনে টাকা লেনদেনের মহোৎসবে মেতে উঠতে দেখা যায়।

অনিয়মের বিষয়ে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঝোটন চন্দ মুঠোফোনে জানান, এ ব্যাপারে আমি অবগত নই।

বিডি২৪লাইভ/এমআর 

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: