প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

লুটপাট করতে একদলীয় শাসন কায়েম করা হয়েছে

২৬ মে ২০১৯ , ১১:৪২:০০

ছবি: নিজস্ব

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এক্স স্টুডেন্টস এ্যাসোসিয়েশন (রুনেসা) ও ছাত্রদল-যুবদলের নেতৃবৃন্দ।

রবিবার (২৬ মে) সন্ধ্যার পর বিক্ষোভ মিছিলটি নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আবারও নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দী করা হয়েছে অন্যায়ভাবে অসত্য মামলায়। বেআইনী শাসকগোষ্টী গণতন্ত্রের প্রতীক বেগম জিয়াকে কারাগারে আটকিয়ে রেখেছে তাদের ব্যর্থতা, অনাচার ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যাতে কোন প্রতিবাদ ধ্বনিত না হয়। দেশে এখন এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা।

তিনি বলেন, মিডনাইট নির্বাচনের পর অবৈধ শাসকগোষ্ঠীর প্রধান শেখ হাসিনা আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে এক বিভৎস দুঃশাসনের বৃত্তে জনগণকে আটকিয়ে রেখেছে। কথা বলা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা সম্পূর্ণরূপে হরণ করা হয়েছে। গুম, খুন, বিচার বহির্ভূত হত্যা তথা রক্ত ঝরানোর সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে জনগণকে ভয় দেখানোর জন্য। মহা দুর্নীতি ও অবাধে লুটপাট নিশ্চিত করার জন্যই একদলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসন কায়েম করা হয়েছে। 

রিজভী বলেন, জনগণের ওপর চলছে তাদের (সরকারের) স্টিম রোলার। কৃষকরা ক্ষেতের ধান পুড়িয়ে দিচ্ছে, শ্রমিকরা মজুরি না পেয়ে ইফতারির সময় শূন্য থালা নিয়ে বসে আছে। চারিদিকে শুধু হাহাকার ও দীর্ঘশ্বাসের শব্দ শোনা যায়। এই নৈরাজ্যকর অবস্থা চলতে পারে না। আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যে বহুদলীয় গণতন্ত্রের কোন অস্তিত্ব নেই। জাতিকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করতে ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এ মুহূর্তে মুক্তি দিতে হবে, অন্যথায় সরকারকে জনরোষের মুখোমুখি হয়ে যবনিকার অন্তরালে চলে যেতে হবে। 

মিছিলে অংশগ্রহণ করেন-বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জল, জাসাস সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক হেলাল খান, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন ভুঁইয়া শিশির, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, রুনেসার সভাপতি বাহাউদ্দিন বাহার, জাসাস সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রিপন, জাসাস সহ-সভাপতি জাহেদুল আলম হিটো, মহানগর জাসাস আহবায়ক মীর সানাউল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রোকন, মাকসুদুর রহমান টিপু, রফিকুল ইসলাম স্বপন, ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, মোকাম্মেল কবির প্রমূখ।

বিডি২৪লাইভ/এমই/এআইআর

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: