<rss version="2.0" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xml:base="https://www.bd24live.com/bangla/feed" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/">
    <channel>
        <title>bd24live</title>
        <link>https://www.bd24live.com/bangla/feed</link>
        <atom:link rel="self" href="https://www.bd24live.com/bangla/feed" />
        <description>bd24live.com is the Most Popular Bangla Online Newspaper in Bangladesh. It covers Breaking News, Politics, Economies, National, International, Live Sports, Entertainment, Lifestyle, Tech, Education, Photo, Video, BD News &amp; More. Stay with us for get more Latest News.</description>
        <language>bn-bd</language>

            
                
<item>
<title>গুরুদাসপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আনন্দ র‌্যালি ও পথসভা</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805089</link>
<description>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গুরুদাসপুরে আনন্দ র‌্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় পৌরসভা গেটের সামনে থেকে বর্র্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। এসময় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ওমর আলী শেখ, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক দুলাল সরকার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক মাহমুদুজ্জামান সোহাগ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সময় হাসান ও যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম বিপ্লবসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপনে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীরাও আনন্দ র‌্যালিতে অংশ নেন। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে থানার মোড়ে এসে সমবেত হয়। এরপর সেখানে অনুষ্ঠিত পথসভায় বক্তব্য দেন আব্দুল আজিজ এমপি। তিনি দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর তাৎপর্য তুলে ধরে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। </description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805089</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 17:12:40 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="800" height="450" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_301038_1788259254_original_1788261160.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গুরুদাসপুরে আনন্দ র&zwnj;্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় পৌরসভা গেটের সামনে থেকে বর্র্ণাঢ্য র&zwnj;্যালি বের হয়। এসময় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ওমর আলী শেখ, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক দুলাল সরকার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক মাহমুদুজ্জামান সোহাগ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সময় হাসান ও যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম বিপ্লবসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপনে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীরাও আনন্দ র&zwnj;্যালিতে অংশ নেন। র&zwnj;্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে থানার মোড়ে এসে সমবেত হয়। এরপর সেখানে অনুষ্ঠিত পথসভায় বক্তব্য দেন আব্দুল আজিজ এমপি। তিনি দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর তাৎপর্য তুলে ধরে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।&nbsp;</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>বরগুনায় ২২৬ শিক্ষার্থীকে জেলা পরিষদের ১৪ লাখ টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805086</link>
<description>বরগুনায় ২০২৫ সালের এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ ২২৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে মোট ১৩ লাখ ৯ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করেছে বরগুনা জেলা পরিষদ। মঙ্গলবার জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বৃত্তির চেক হস্তান্তর করা হয়।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের মাননীয় চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ নূরুল ইসলাম মনি এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থেকে শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। বরগুনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ নজরুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনিমেষ বিশ্বাস, বরগুনা পুলিশ সুপার মোঃ কুদরত-ই-খুদা (পিপিএম-সেবা), বরগুনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অরবিন্দ বিশ্বাস, বরগুনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান, বরগুনা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল মালেক, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তার এবং বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহ আজিজ।সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক মোঃ নজরুল ইসলাম মোল্লা জানান, &quot;শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড এবং মেধাবীদের যোগ্য মূল্যায়নই আমাদের আগামী দিনের সুন্দর স্বপ্ন পূরণ করবে। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ত্বরান্বিত করতে ও মেধার সঠিক মূল্যায়নে বরগুনা জেলা পরিষদ সবসময় এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।&quot; অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তীর্ণ ২২৬ জন কৃতী শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805086</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 17:06:46 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="800" height="450" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_301036_1788258628_original_1788259009.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>বরগুনায় ২০২৫ সালের এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ ২২৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে মোট ১৩ লাখ ৯ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করেছে বরগুনা জেলা পরিষদ। মঙ্গলবার জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বৃত্তির চেক হস্তান্তর করা হয়।<br /><br />অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের মাননীয় চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ নূরুল ইসলাম মনি এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থেকে শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। বরগুনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ নজরুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন&mdash; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনিমেষ বিশ্বাস, বরগুনা পুলিশ সুপার মোঃ কুদরত-ই-খুদা (পিপিএম-সেবা), বরগুনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অরবিন্দ বিশ্বাস, বরগুনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান, বরগুনা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল মালেক, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তার এবং বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহ আজিজ।<br /><br />সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক মোঃ নজরুল ইসলাম মোল্লা জানান, "শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড এবং মেধাবীদের যোগ্য মূল্যায়নই আমাদের আগামী দিনের সুন্দর স্বপ্ন পূরণ করবে। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ত্বরান্বিত করতে ও মেধার সঠিক মূল্যায়নে বরগুনা জেলা পরিষদ সবসময় এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।" অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তীর্ণ ২২৬ জন কৃতী শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>বাইকসহ গাড়ির মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805087</link>
<description>জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা ছাড়াই শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে মোটরযানের বিভিন্ন কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। এর মধ্যে রয়েছে ফিটনেস সনদ, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিট। একই সুবিধায় ড্রাইভিং লাইসেন্সও হালনাগাদ করা যাবে।
গ্রাহকদের শেষবারের মতো সুযোগ দিয়ে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে সব ধরনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিআরটিএ।

গাড়ি বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তনে কঠোরতা
এর আগে এক বিজ্ঞপ্তিতে মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিল বিআরটিএ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী কোনো মোটরযান বিক্রি হলে এর মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক। তবে সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই সড়ক ও মহাসড়কে গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পূর্বের মালিককে নানা ধরনের আইনি ও আর্থিক জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে।
মালিকানা পরিবর্তন না করার কারণে মোটরযানের জন্য নির্ধারিত অগ্রিম আয়কর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১৫০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জও পুরোনো মালিকের ওপর বর্তাচ্ছে। ফলে গাড়ি বিক্রি করেও অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক দায় বহন করতে হচ্ছে বিক্রেতাকে।
একই দিনে হচ্ছে মালিকানা পরিবর্তন
মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ। বর্তমানে অনলাইনে (bsp.brta.gov.bd) আবেদন করার পর বিক্রেতার উপস্থিতিতে হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক, অর্থাৎ আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।
একই প্রক্রিয়ায় ক্রেতা বা নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য প্রয়োজনীয় বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।
এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট সব মোটরযান মালিক ও ক্রেতাকে দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে বিআরটিএ। অন্যথায় আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্সে পয়েন্ট কর্তন শুরু
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ কার্যকর করতে মোটরযান চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনও শুরু করেছে বিআরটিএ।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনের ধারা ১১(১) অনুযায়ী প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে ১২টি পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। আইন অমান্য বা বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে চালককে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি তার লাইসেন্স থেকে নির্ধারিত দোষসূচক পয়েন্টও কর্তন করা হচ্ছে।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805087</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:53:49 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="888" height="499" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-04%2FBrta_original_1777130249.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা ছাড়াই শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে মোটরযানের বিভিন্ন কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। এর মধ্যে রয়েছে ফিটনেস সনদ, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিট। একই সুবিধায় ড্রাইভিং লাইসেন্সও হালনাগাদ করা যাবে।</p>
<p>গ্রাহকদের শেষবারের মতো সুযোগ দিয়ে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে সব ধরনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিআরটিএ।</p>
<p><img src="https://www.bd24live.com/bangla/public/images/inserted/image_1788259401_r8y65RHwqPkRhOSeRYC3cIZIpoGsTqrFLwhXBjeK.jpg" alt="" width="800" height="420" /></p>
<p><strong>গাড়ি বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তনে কঠোরতা</strong></p>
<p>এর আগে এক বিজ্ঞপ্তিতে মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিল বিআরটিএ।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী কোনো মোটরযান বিক্রি হলে এর মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক। তবে সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই সড়ক ও মহাসড়কে গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পূর্বের মালিককে নানা ধরনের আইনি ও আর্থিক জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে।</p>
<p>মালিকানা পরিবর্তন না করার কারণে মোটরযানের জন্য নির্ধারিত অগ্রিম আয়কর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১৫০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জও পুরোনো মালিকের ওপর বর্তাচ্ছে। ফলে গাড়ি বিক্রি করেও অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক দায় বহন করতে হচ্ছে বিক্রেতাকে।</p>
<p><strong>একই দিনে হচ্ছে মালিকানা পরিবর্তন</strong></p>
<p>মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ। বর্তমানে অনলাইনে (bsp.brta.gov.bd) আবেদন করার পর বিক্রেতার উপস্থিতিতে হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক, অর্থাৎ আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।</p>
<p>একই প্রক্রিয়ায় ক্রেতা বা নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য প্রয়োজনীয় বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।</p>
<p>এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট সব মোটরযান মালিক ও ক্রেতাকে দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে বিআরটিএ। অন্যথায় আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।</p>
<p><strong>ড্রাইভিং লাইসেন্সে পয়েন্ট কর্তন শুরু</strong></p>
<p>সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ কার্যকর করতে মোটরযান চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনও শুরু করেছে বিআরটিএ।</p>
<p>কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনের ধারা ১১(১) অনুযায়ী প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে ১২টি পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। আইন অমান্য বা বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে চালককে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি তার লাইসেন্স থেকে নির্ধারিত দোষসূচক পয়েন্টও কর্তন করা হচ্ছে।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>নড়াইলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805084</link>
<description>জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, র‌্যালি, আলোচনা সভা, বৃক্ষরোপণ, মাছের পোনা অবমুক্ত করণ, দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নড়াইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে জেলা বিএনপির আয়োজনে নড়াইল শহরের চৌরাস্তায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাস টার্মিনালের মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়।
পরে সেখানে নড়াইল জেলা বিএনপির সভাপতি ও নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় সভায় বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির নেতারা। সভা সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার ইজাজুল হাসান বাবু।
এসব কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, নড়াইল জেলা পরিষদ প্রশাসক ও নড়াইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান আলেক, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুব মুর্শেদ জাপল, টিপু সুলতান, কৃষক দলের খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা কামাল মোস্তফা, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. জুলফিকার মন্ডল, সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আলী হাসান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার রিজভী জর্জ, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদুর রহমান পলাশ, নড়াইল পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি তেলায়েত হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ফশিয়ার রহমান, জেলা যুবদলের সভাপতি মশিয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক সায়দাত কবীর রুবেল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক খন্দকার মঞ্জুরুল সাঈদ বাবু, সদস্য সচিব আরিফুজ্জামান মিলন, জেলা ছাত্রদলের আহŸায়ক খন্দকার মাহমুদুল হাসান সনি, সদস্য সচিব মামুন গাজী, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ফরিদ বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
অন্যদিকে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নড়াইলের লোহাগড়ায় র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে লোহাগড়া উপজেলার প্রধান ফটক থেকে শুরু হওয়া র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ল²ীপাশা চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নড়াইল জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. টিপু সুলতানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম। র‌্যালিতে উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, ইউনিয়ন বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805084</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:34:49 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="800" height="450" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_301035_1788258317_original_1788258715.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, র&zwnj;্যালি, আলোচনা সভা, বৃক্ষরোপণ, মাছের পোনা অবমুক্ত করণ, দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নড়াইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে জেলা বিএনপির আয়োজনে নড়াইল শহরের চৌরাস্তায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র&zwnj;্যালি বের করা হয়। র&zwnj;্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাস টার্মিনালের মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়।</p>
<p>পরে সেখানে নড়াইল জেলা বিএনপির সভাপতি ও নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় সভায় বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির নেতারা। সভা সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার ইজাজুল হাসান বাবু।</p>
<p>এসব কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, নড়াইল জেলা পরিষদ প্রশাসক ও নড়াইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান আলেক, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুব মুর্শেদ জাপল, টিপু সুলতান, কৃষক দলের খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা কামাল মোস্তফা, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. জুলফিকার মন্ডল, সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আলী হাসান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার রিজভী জর্জ, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদুর রহমান পলাশ, নড়াইল পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি তেলায়েত হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ফশিয়ার রহমান, জেলা যুবদলের সভাপতি মশিয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক সায়দাত কবীর রুবেল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক খন্দকার মঞ্জুরুল সাঈদ বাবু, সদস্য সচিব আরিফুজ্জামান মিলন, জেলা ছাত্রদলের আহ&Yuml;ায়ক খন্দকার মাহমুদুল হাসান সনি, সদস্য সচিব মামুন গাজী, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ফরিদ বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।</p>
<p>অন্যদিকে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নড়াইলের লোহাগড়ায় র&zwnj;্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে লোহাগড়া উপজেলার প্রধান ফটক থেকে শুরু হওয়া র&zwnj;্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ল&sup2;ীপাশা চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নড়াইল জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. টিপু সুলতানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম। র&zwnj;্যালিতে উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, ইউনিয়ন বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>স্কুলের ভবন বিক্রি করা সেই প্রধান শিক্ষককে শোকজ, তদন্ত কমিটি গঠন</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805082</link>
<description>নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধানুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন ভেঙে বিক্রি করা সেই প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। টেন্ডার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই ব্যবহার উপযোগী ভবনটি ভেঙে ফেলায় এলাকায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি। এ ঘটনায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম রাফিউল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির গঠণ করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম আকতার, উপজেলা প্রকৌশলী মিলন মিয়া, বিএডিসি প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ও স্থানীয় ইউপি চেযারম্যান মাহবুবুর রহমান।
মঙ্গলবার সরজমিনে জানা গেছে, গত জুন-জুলাই মাসে ধানুড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন ২০২০-২১ অর্থবছরে বিদ্যালয়ের দুইকক্ষ বিশিষ্ট একতলা ভবন ও দুটি টিনশেড ঘর ভেঙে ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। অথচ ইউজিডিপি ও জাইকা প্রকল্পের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ২২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫২ টাকা ব্যয়ে ওই ভবন নির্মাণ করে। ২০২৩ সালে ভবনটি নির্মাণ শেষে উদ্বোধন করা হয়। এদিকে ভেঙে ফেলা ভবনের জায়গাতেই ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন চারতলা বিশিষ্ট একতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের কথা। কিন্তু জায়গা সংকটের কারণ দেখিয়ে স্কুলের ওই ভবনসহ পুরোনো আধাপাকা আরো একটি ভবন ভেঙে ফেলা হয় বলে জানান অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক।
তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম রাফিউল ইসলাম বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। ইউএনও স্যারের নির্দেশনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পেলে আইনগত ব্যবস্থার সুপারিশ করবে। বিদ্যালয়ের বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি রনি আহমেদ বলেন, ভবন ভাঙা ও বিক্রির বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। প্রতিষ্ঠানের হিসাব-নিকাশও তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। তদন্তে প্রধান শিক্ষক দোষী প্রমানিত হলে বিচারও দাবী করেন তিনি।
এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির রেজুলেশন রয়েছে বলে প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেন দাবি করে বলেন- উপজেলা প্রশাসন থেকে কারন দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছিলো। তিনি তার জবাব দিয়েছেন। তদন্ত কাজ চলমান। তিনি আশা করছেন নির্দোশ প্রমানিত হবেন। ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ বলেন, নিয়মনীতি উপেক্ষা করে প্রধান শিক্ষক নতুন ভবনটি ভেঙে বিক্রি করেছেন। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব করে চিঠি দেয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। নিয়মনীতির ব্যত্যয় ঘটলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805082</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:34:29 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="865" height="463" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-04%2FNatore_original_1777397343.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধানুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন ভেঙে বিক্রি করা সেই প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। টেন্ডার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই ব্যবহার উপযোগী ভবনটি ভেঙে ফেলায় এলাকায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি। এ ঘটনায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম রাফিউল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির গঠণ করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম আকতার, উপজেলা প্রকৌশলী মিলন মিয়া, বিএডিসি প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ও স্থানীয় ইউপি চেযারম্যান মাহবুবুর রহমান।</p>
<p>মঙ্গলবার সরজমিনে জানা গেছে, গত জুন-জুলাই মাসে ধানুড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন ২০২০-২১ অর্থবছরে বিদ্যালয়ের দুইকক্ষ বিশিষ্ট একতলা ভবন ও দুটি টিনশেড ঘর ভেঙে ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। অথচ ইউজিডিপি ও জাইকা প্রকল্পের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ২২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫২ টাকা ব্যয়ে ওই ভবন নির্মাণ করে। ২০২৩ সালে ভবনটি নির্মাণ শেষে উদ্বোধন করা হয়। এদিকে ভেঙে ফেলা ভবনের জায়গাতেই ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন চারতলা বিশিষ্ট একতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের কথা। কিন্তু জায়গা সংকটের কারণ দেখিয়ে স্কুলের ওই ভবনসহ পুরোনো আধাপাকা আরো একটি ভবন ভেঙে ফেলা হয় বলে জানান অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক।</p>
<p>তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম রাফিউল ইসলাম বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। ইউএনও স্যারের নির্দেশনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পেলে আইনগত ব্যবস্থার সুপারিশ করবে। বিদ্যালয়ের বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি রনি আহমেদ বলেন, ভবন ভাঙা ও বিক্রির বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। প্রতিষ্ঠানের হিসাব-নিকাশও তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। তদন্তে প্রধান শিক্ষক দোষী প্রমানিত হলে বিচারও দাবী করেন তিনি।</p>
<p>এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির রেজুলেশন রয়েছে বলে প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেন দাবি করে বলেন- উপজেলা প্রশাসন থেকে কারন দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছিলো। তিনি তার জবাব দিয়েছেন। তদন্ত কাজ চলমান। তিনি আশা করছেন নির্দোশ প্রমানিত হবেন। ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ বলেন, নিয়মনীতি উপেক্ষা করে প্রধান শিক্ষক নতুন ভবনটি ভেঙে বিক্রি করেছেন। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব করে চিঠি দেয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। নিয়মনীতির ব্যত্যয় ঘটলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>জয়পুরহাট চিনিকলে ৩,৭০০ একর জমিতে আখ চাষের লক্ষ্যমাত্রা, রোপণ মৌসুমের উদ্বোধন</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805083</link>
<description>দেশের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জয়পুরহাট চিনিকলে ২০২৬-২০২৭ রোপণ মৌসুমের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সদর সাবজোনের ১ ও ২ নম্বর ইউনিটের আখচাষীদের জমিতে এসটিপি (সুগারকেন ট্রেঞ্চ পদ্ধতি) ও সরাসরি পদ্ধতিতে আখ রোপণের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের শুভ সূচনা হয়। একই সঙ্গে চিনিকলের আওতাধীন ১০টি সাবজোনের ৮৮টি ইউনিটে একযোগে আখ রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।চিনিকল সূত্র জানায়, সদর সাবজোনের আখচাষী তরিকুল ইসলাম, কাঞ্চন ও আলম হোসেনের জমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জয়পুরহাট চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্যা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের (বিএসএফআইসি) ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক (পিডিএম) কৃষিবিদ মো. আমিনুল ইসলাম। জয়পুরহাট চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) কৃষিবিদ আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মিলের মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) আব্দুর রাজ্জাক, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) হাবিবুর রহমান, মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) ইশতিয়াক আহমেদ রাজীব, ডিজিএম (সম্প্রসারণ) প্রবীর মল্লিক, ডিজিএম (এসআই অ্যান্ড এগ্রো) এ কে এম শফিউল আযম, ডিএম (সিপি) লিটন কুমার মন্ডল, শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আলী আকতার, সাধারণ সম্পাদক জায়েদ হোসেন, চিনিকল জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আমিনুল ইসলাম এবং সদর-এ সাবজোন প্রধান রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় আখচাষীরা উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্যা বলেন, &quot;আখ একটি অত্যন্ত লাভজনক অর্থকরী ফসল। সঠিক সময়ে রোপণ, উন্নত জাত নির্বাচন এবং আধুনিক প্রযুক্তি অনুসরণ করলে চাষীরা ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারবেন।&quot; তিনি জানান, চাষীদের উৎসাহিত করতে মিলগেটে প্রতি কুইন্টাল আখের মূল্য ৬৫১ টাকা এবং বাহির কেন্দ্রে ৬৩৭ টাকা ৪৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।চলতি ২০২৬-২০২৭ রোপণ মৌসুমে জয়পুরহাট চিনিকলের আওতাধীন এলাকায় মোট ৩ হাজার ৭০০ একর জমিতে আখ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক চাষীদের বেশি লাভের আশায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমি প্রস্তুত করে আগাম ও উচ্চফলনশীল জাতের আখ রোপণের আহ্বান জানান।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805083</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:33:22 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="800" height="450" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_301034_1788257716_original_1788258681.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>দেশের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জয়পুরহাট চিনিকলে ২০২৬-২০২৭ রোপণ মৌসুমের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সদর সাবজোনের ১ ও ২ নম্বর ইউনিটের আখচাষীদের জমিতে এসটিপি (সুগারকেন ট্রেঞ্চ পদ্ধতি) ও সরাসরি পদ্ধতিতে আখ রোপণের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের শুভ সূচনা হয়। একই সঙ্গে চিনিকলের আওতাধীন ১০টি সাবজোনের ৮৮টি ইউনিটে একযোগে আখ রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।<br /><br />চিনিকল সূত্র জানায়, সদর সাবজোনের আখচাষী তরিকুল ইসলাম, কাঞ্চন ও আলম হোসেনের জমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জয়পুরহাট চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্যা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের (বিএসএফআইসি) ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক (পিডিএম) কৃষিবিদ মো. আমিনুল ইসলাম। জয়পুরহাট চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) কৃষিবিদ আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মিলের মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) আব্দুর রাজ্জাক, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) হাবিবুর রহমান, মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) ইশতিয়াক আহমেদ রাজীব, ডিজিএম (সম্প্রসারণ) প্রবীর মল্লিক, ডিজিএম (এসআই অ্যান্ড এগ্রো) এ কে এম শফিউল আযম, ডিএম (সিপি) লিটন কুমার মন্ডল, শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আলী আকতার, সাধারণ সম্পাদক জায়েদ হোসেন, চিনিকল জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আমিনুল ইসলাম এবং সদর-এ সাবজোন প্রধান রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় আখচাষীরা উপস্থিত ছিলেন।<br /><br />প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্যা বলেন, "আখ একটি অত্যন্ত লাভজনক অর্থকরী ফসল। সঠিক সময়ে রোপণ, উন্নত জাত নির্বাচন এবং আধুনিক প্রযুক্তি অনুসরণ করলে চাষীরা ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারবেন।" তিনি জানান, চাষীদের উৎসাহিত করতে মিলগেটে প্রতি কুইন্টাল আখের মূল্য ৬৫১ টাকা এবং বাহির কেন্দ্রে ৬৩৭ টাকা ৪৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।<br /><br />চলতি ২০২৬-২০২৭ রোপণ মৌসুমে জয়পুরহাট চিনিকলের আওতাধীন এলাকায় মোট ৩ হাজার ৭০০ একর জমিতে আখ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক চাষীদের বেশি লাভের আশায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমি প্রস্তুত করে আগাম ও উচ্চফলনশীল জাতের আখ রোপণের আহ্বান জানান।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুখবর</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805081</link>
<description>বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা ইস্যুতে আরোপ করা স্থগিতাদেশ তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২১ আগস্ট থেকে এ স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ২৮ আগস্ট হালনাগাদ করা তথ্যেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। অভিবাসী ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয় এবং পরবর্তী সময়ে গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথও উন্মুক্ত থাকে।
তখন মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন। এ কারণে তাদের আবেদন আরও গভীরভাবে যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে। অতিরিক্ত যাচাই-বাছাইয়ের অংশ হিসেবেই ভিসা ইস্যু স্থগিত রাখা হয়েছিল।
এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক (সিএলআইএনআইসি)। মামলায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে বিবাদী করা হয়।
নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল আদালতের বিচারক জেনেট ভার্গাস মামলাটির রায় দেন। আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, শুধু কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাগরিক হওয়ার কারণে অভিবাসী ভিসা আটকে রাখা অভিবাসন ও জাতীয়তা আইন (আইএনএ)-এর অধীনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে।
আদালতের রায়ের পর ২১ আগস্ট থেকে ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা ইস্যুর ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর যোগ্য আবেদনকারীদের এখন অভিবাসী ভিসা ইস্যু করা যেতে পারে।
তবে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হলেও ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে আগের নিয়ম ও যোগ্যতার শর্তগুলো বহাল রয়েছে। অর্থাৎ, স্থগিতাদেশ উঠে যাওয়ার অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়। আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত সব অভিবাসন ও ভিসা-সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে হবে।
স্থগিতাদেশের সময় কী হয়েছিল?
স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকাকালে আগে থেকে ইস্যু করা অভিবাসী ভিসা বাতিল করা হয়নি। একই সঙ্গে নতুন ভিসা আবেদন জমা দেওয়া এবং সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার সুযোগও ছিল। মূলত আবেদন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে অভিবাসী ভিসা ইস্যু করার ওপরই স্থগিতাদেশটি কার্যকর ছিল।
এখন স্থগিতাদেশ উঠে যাওয়ায় তালিকাভুক্ত দেশগুলোর যোগ্য আবেদনকারীদের অভিবাসী ভিসা ইস্যু করা সম্ভব হবে। তবে প্রত্যেক আবেদনকারীকে স্বাভাবিক নিয়মে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে।
৭৫ দেশের তালিকায় যারা
বাংলাদেশ ছাড়া তালিকায় রয়েছে—আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামাস, বারবাডোস, বেলারুশ, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ব্রাজিল, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, কোত দিভোয়ার, কিউবা, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ডমিনিকা, মিশর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনি, হাইতি, ইরান, ইরাক, জ্যামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, মন্টেনিগ্রো, মরক্কো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজেরিয়া, উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, পাকিস্তান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, রুয়ান্ডা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, তিউনিসিয়া, উগান্ডা, উজবেকিস্তান, উরুগুয়ে ও ইয়েমেন।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805081</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:32:52 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="881" height="493" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-04%2FVisa324_original_1777115889.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা ইস্যুতে আরোপ করা স্থগিতাদেশ তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২১ আগস্ট থেকে এ স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ২৮ আগস্ট হালনাগাদ করা তথ্যেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
<p>চলতি বছরের জানুয়ারিতে তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। অভিবাসী ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয় এবং পরবর্তী সময়ে গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথও উন্মুক্ত থাকে।</p>
<p>তখন মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন। এ কারণে তাদের আবেদন আরও গভীরভাবে যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে। অতিরিক্ত যাচাই-বাছাইয়ের অংশ হিসেবেই ভিসা ইস্যু স্থগিত রাখা হয়েছিল।</p>
<p>এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক (সিএলআইএনআইসি)। মামলায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে বিবাদী করা হয়।</p>
<p>নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল আদালতের বিচারক জেনেট ভার্গাস মামলাটির রায় দেন। আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, শুধু কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাগরিক হওয়ার কারণে অভিবাসী ভিসা আটকে রাখা অভিবাসন ও জাতীয়তা আইন (আইএনএ)-এর অধীনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে।</p>
<p>আদালতের রায়ের পর ২১ আগস্ট থেকে ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা ইস্যুর ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর যোগ্য আবেদনকারীদের এখন অভিবাসী ভিসা ইস্যু করা যেতে পারে।</p>
<p>তবে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হলেও ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে আগের নিয়ম ও যোগ্যতার শর্তগুলো বহাল রয়েছে। অর্থাৎ, স্থগিতাদেশ উঠে যাওয়ার অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়। আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত সব অভিবাসন ও ভিসা-সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে হবে।</p>
<p><strong>স্থগিতাদেশের সময় কী হয়েছিল?</strong></p>
<p>স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকাকালে আগে থেকে ইস্যু করা অভিবাসী ভিসা বাতিল করা হয়নি। একই সঙ্গে নতুন ভিসা আবেদন জমা দেওয়া এবং সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার সুযোগও ছিল। মূলত আবেদন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে অভিবাসী ভিসা ইস্যু করার ওপরই স্থগিতাদেশটি কার্যকর ছিল।</p>
<p>এখন স্থগিতাদেশ উঠে যাওয়ায় তালিকাভুক্ত দেশগুলোর যোগ্য আবেদনকারীদের অভিবাসী ভিসা ইস্যু করা সম্ভব হবে। তবে প্রত্যেক আবেদনকারীকে স্বাভাবিক নিয়মে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে।</p>
<p><strong>৭৫ দেশের তালিকায় যারা</strong></p>
<p>বাংলাদেশ ছাড়া তালিকায় রয়েছে&mdash;আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামাস, বারবাডোস, বেলারুশ, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ব্রাজিল, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, কোত দিভোয়ার, কিউবা, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ডমিনিকা, মিশর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনি, হাইতি, ইরান, ইরাক, জ্যামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, মন্টেনিগ্রো, মরক্কো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজেরিয়া, উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, পাকিস্তান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, রুয়ান্ডা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, তিউনিসিয়া, উগান্ডা, উজবেকিস্তান, উরুগুয়ে ও ইয়েমেন।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>ক্যাপ্টেন ভরতের বিরুদ্ধে তনুশ্রীর ক্ষোভ, তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডা</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805078</link>
<description>স্টার জলসায় শুরু হয়েছে ‘বিগ বস বাংলা’র নতুন সিজন। এবারের মৌসুমে সঞ্চালকের দায়িত্বে রয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক চমক দেখা যাচ্ছে প্রতিযোগীদের মধ্যে। এবার সেই তালিকায় যোগ হয়েছে ভরত কল ও তনুশ্রী রায় দাসের তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডা।
ইতিমধ্যেই ‘বিগ বস বাংলা’র ঘরে প্রবেশ করেছেন মনামী ঘোষ, সৃজলা গুহ, সোনামণি সাহা, ভরত কল, অনিন্দ্য সেনগুপ্ত, আলেকজান্দ্রা টেলর, নিরঞ্জন মণ্ডল, ঝিলাম গুপ্ত, সায়াক চক্রবর্তী, সোহিনী পাল, জয়িতা চ্যাটার্জি, তনুশ্রী রায় দাস, নন্দিনী দত্ত, দীপেন্দু বিশ্বাস ও দুর্নিবার সাহা। সিজন শুরু হওয়ার পরপরই প্রতিযোগীদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা মতবিরোধ ও উত্তেজনা।
৩১ আগস্ট ‘বিগ বস’-এর ঘরে প্রথম ক্যাপ্টেন নির্বাচনের পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সদস্যদের ভোটে প্রথম ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হন অভিনেতা ভরত কল।
তবে ক্যাপ্টেন হওয়ার পরদিনই তাঁকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। প্রকাশ্যে এসেছে ‘বিগ বস বাংলা’র আসন্ন পর্বের একটি প্রিক্যাপ প্রোমো। সেখানে ভরত কলের ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলতে দেখা যায় তনুশ্রীকে।
প্রোমোতে তনুশ্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘তুমি একজন খারাপ মানুষ। যে ক্যাপ্টেনের মুখের ভাষা ঠিক নেই, সে আবার কীসের ক্যাপ্টেন? মানি না তোমায়। যতদিন এখানে থাকব, তোমায় ক্যাপ্টেন হিসেবে মানব না।’
তনুশ্রীর এমন মন্তব্যের পাল্টা প্রতিবাদ করতে দেখা যায় ভরত কলকেও। এরপর দু’জনের মধ্যে শুরু হয় তীব্র বাকবিতণ্ডা। একপর্যায়ে তাঁদের কথার লড়াইয়ে ‘বিগ বস’-এর ঘরের পরিবেশ বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
তবে ঠিক কী কারণে ভরত কলের সঙ্গে তনুশ্রীর এমন বিরোধ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রিক্যাপ প্রোমোতে পুরো ঘটনার আভাস দেওয়া হলেও আসল কারণ জানতে হলে দেখতে হবে ১ সেপ্টেম্বরের পর্ব।
ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেই প্রোমো। ভরত ও তনুশ্রীর উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। ক্যাপ্টেন হিসেবে ভরত কল পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেন এবং তনুশ্রীর সঙ্গে তাঁর বিরোধ শেষ পর্যন্ত কোন দিকে গড়ায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
সূত্র: আজকাল ইন</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805078</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:32:19 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="1366" height="768" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-09%2FOne%20School%20Bell%2C%201%2C643%20Lives%20Saved%20%2837%29_original_1788257583.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>স্টার জলসায় শুরু হয়েছে &lsquo;বিগ বস বাংলা&rsquo;র নতুন সিজন। এবারের মৌসুমে সঞ্চালকের দায়িত্বে রয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক চমক দেখা যাচ্ছে প্রতিযোগীদের মধ্যে। এবার সেই তালিকায় যোগ হয়েছে ভরত কল ও তনুশ্রী রায় দাসের তুমুল বাগ্&zwnj;বিতণ্ডা।</p>
<p>ইতিমধ্যেই &lsquo;বিগ বস বাংলা&rsquo;র ঘরে প্রবেশ করেছেন মনামী ঘোষ, সৃজলা গুহ, সোনামণি সাহা, ভরত কল, অনিন্দ্য সেনগুপ্ত, আলেকজান্দ্রা টেলর, নিরঞ্জন মণ্ডল, ঝিলাম গুপ্ত, সায়াক চক্রবর্তী, সোহিনী পাল, জয়িতা চ্যাটার্জি, তনুশ্রী রায় দাস, নন্দিনী দত্ত, দীপেন্দু বিশ্বাস ও দুর্নিবার সাহা। সিজন শুরু হওয়ার পরপরই প্রতিযোগীদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা মতবিরোধ ও উত্তেজনা।</p>
<p>৩১ আগস্ট &lsquo;বিগ বস&rsquo;-এর ঘরে প্রথম ক্যাপ্টেন নির্বাচনের পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সদস্যদের ভোটে প্রথম ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হন অভিনেতা ভরত কল।</p>
<p>তবে ক্যাপ্টেন হওয়ার পরদিনই তাঁকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। প্রকাশ্যে এসেছে &lsquo;বিগ বস বাংলা&rsquo;র আসন্ন পর্বের একটি প্রিক্যাপ প্রোমো। সেখানে ভরত কলের ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলতে দেখা যায় তনুশ্রীকে।</p>
<p>প্রোমোতে তনুশ্রীকে বলতে শোনা যায়, &lsquo;তুমি একজন খারাপ মানুষ। যে ক্যাপ্টেনের মুখের ভাষা ঠিক নেই, সে আবার কীসের ক্যাপ্টেন? মানি না তোমায়। যতদিন এখানে থাকব, তোমায় ক্যাপ্টেন হিসেবে মানব না।&rsquo;</p>
<p>তনুশ্রীর এমন মন্তব্যের পাল্টা প্রতিবাদ করতে দেখা যায় ভরত কলকেও। এরপর দু&rsquo;জনের মধ্যে শুরু হয় তীব্র বাকবিতণ্ডা। একপর্যায়ে তাঁদের কথার লড়াইয়ে &lsquo;বিগ বস&rsquo;-এর ঘরের পরিবেশ বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।</p>
<p>তবে ঠিক কী কারণে ভরত কলের সঙ্গে তনুশ্রীর এমন বিরোধ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রিক্যাপ প্রোমোতে পুরো ঘটনার আভাস দেওয়া হলেও আসল কারণ জানতে হলে দেখতে হবে ১ সেপ্টেম্বরের পর্ব।</p>
<p>ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেই প্রোমো। ভরত ও তনুশ্রীর উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। ক্যাপ্টেন হিসেবে ভরত কল পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেন এবং তনুশ্রীর সঙ্গে তাঁর বিরোধ শেষ পর্যন্ত কোন দিকে গড়ায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।</p>
<p>সূত্র: <a href="https://www.aajkaal.in/entertainment/bigg-boss-bangla-conflict-tanushree-roy-das-complaint-against-captain-bharat-kaul-511728">আজকাল ইন</a></p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>চ্যালেঞ্জ নয়, জ্বালানি খাত এখন বড় সমস্যা: বিইপিআরসি সদস্য</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805080</link>
<description>দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান পরিস্থিতিকে আর শুধু ‘চ্যালেঞ্জ’ বলার সুযোগ নেই, এটি বড় সমস্যায় পরিণত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের (বিইপিআরসি) সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) ড. রফিকুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) ডিএমকে লেকচার গ্যালারিতে ‘ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তরের প্রমাণভিত্তিক পথ: নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ ও ইনভেন্টরি স্টাডির ফলাফল’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি সংকট কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা শুধু সরকারের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। সরকার, শিল্পখাত, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি জানান, ২০১৫ সালে দেশের প্রাথমিক জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা ১০ শতাংশের কম থাকলেও বর্তমানে তা প্রায় ৬৭ শতাংশে পৌঁছেছে। দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাসেরও উল্লেখযোগ্য অংশ আমদানি করতে হচ্ছে। এ নির্ভরতা কমাতে দেশীয় সম্পদ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন তিনি।
জ্বালানি খাতে সঠিক তথ্যের ঘাটতি দূর করতে আন্তর্জাতিক মানের একটি কেন্দ্রীয় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ডেটা সেন্টার গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এতে প্রায় ৪০ থেকে ৫০টি প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য সংগ্রহ করে একটি সমন্বিত ডেটাবেস তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে বিপুল অর্থ ব্যয়ে গবেষণার দায়িত্ব দেওয়ার পরিবর্তে স্থানীয় গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সক্ষমতা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, গবেষণার ফলাফল ও বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে নীতি প্রণয়ন করা গেলে জ্বালানি খাতের সমন্বয়হীনতা ও বাস্তবায়নগত সমস্যা কমানো সম্ভব।
অনুষ্ঠানে আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক এম তামিমসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, জ্বালানি ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, উন্নয়ন সহযোগী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805080</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:31:42 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="1366" height="768" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-09%2FOne%20School%20Bell%2C%201%2C643%20Lives%20Saved%20%2838%29_original_1788258506.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান পরিস্থিতিকে আর শুধু &lsquo;চ্যালেঞ্জ&rsquo; বলার সুযোগ নেই, এটি বড় সমস্যায় পরিণত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের (বিইপিআরসি) সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) ড. রফিকুল ইসলাম।</p>
<p>মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) ডিএমকে লেকচার গ্যালারিতে &lsquo;ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তরের প্রমাণভিত্তিক পথ: নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ ও ইনভেন্টরি স্টাডির ফলাফল&rsquo; শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p>
<p>রফিকুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি সংকট কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা শুধু সরকারের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। সরকার, শিল্পখাত, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।</p>
<p>তিনি জানান, ২০১৫ সালে দেশের প্রাথমিক জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা ১০ শতাংশের কম থাকলেও বর্তমানে তা প্রায় ৬৭ শতাংশে পৌঁছেছে। দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাসেরও উল্লেখযোগ্য অংশ আমদানি করতে হচ্ছে। এ নির্ভরতা কমাতে দেশীয় সম্পদ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন তিনি।</p>
<p>জ্বালানি খাতে সঠিক তথ্যের ঘাটতি দূর করতে আন্তর্জাতিক মানের একটি কেন্দ্রীয় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ডেটা সেন্টার গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এতে প্রায় ৪০ থেকে ৫০টি প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য সংগ্রহ করে একটি সমন্বিত ডেটাবেস তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।</p>
<p>বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে বিপুল অর্থ ব্যয়ে গবেষণার দায়িত্ব দেওয়ার পরিবর্তে স্থানীয় গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সক্ষমতা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, গবেষণার ফলাফল ও বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে নীতি প্রণয়ন করা গেলে জ্বালানি খাতের সমন্বয়হীনতা ও বাস্তবায়নগত সমস্যা কমানো সম্ভব।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক এম তামিমসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, জ্বালানি ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, উন্নয়ন সহযোগী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>টেন্ডার ও অনুমতি ছাড়াই কুমিল্লা-বুড়িচং-সালদা সড়কের গাছ কাটার অভিযোগ</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805079</link>
<description>কুমিল্লা-বুড়িচং-সালদা-সৈয়দাবাদ সরকারি সড়কের পাশের গাছ টেন্ডার ও প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, চার লেন মহাসড়ক প্রকল্পের জন্য গাছের তালিকাকরণ চলাকালেই একটি সিন্ডিকেট চক্র সড়কের দুই পাশের গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে।
ইতোমধ্যে ২০ থেকে ৩০ বছর আগে লাগানো বনজ ও ফলজ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবেশকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুমিল্লা-বুড়িচং-সালদা সড়কের পাশে বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের চড়ানল-ধারেশ্বর এলাকায় বনজ ও ফলজ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।
জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে কুমিল্লা-বুড়িচং-সালদা-সৈয়দাবাদ (কসবা) সড়কটিকে চার লেনবিশিষ্ট জাতীয় মহাসড়কে উন্নীত করার পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের মেয়াদকাল জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০২৮ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই আঞ্চলিক সড়কটি কুমিল্লা নগরী, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া হয়ে সালদা ও কসবা পর্যন্ত চার লেনে বিস্তৃত হবে। সরকারের ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) প্রকল্পটি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণ, প্রাথমিক জরিপ ও গাছ তালিকাকরণসহ অন্যান্য কাজ চলমান রয়েছে।এই সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫৮ লাখ টাকা, অর্থাৎ প্রায় ১ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা।
জানা গেছে, সম্প্রতি টেন্ডারের উদ্দেশ্যে এই সড়কের দুই পাশের প্রতিটি গাছের ইউনিক নম্বর প্রদান ও তালিকাকরণের কাজ করছে কুমিল্লা জেলা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারের পক্ষ থেকে টেন্ডার হওয়ার আগেই কুমিল্লা-বুড়িচং-সালদা-সৈয়দাবাদ (কসবা) সড়কের দুই পাশের ছোট-বড় গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে একটি সিন্ডিকেট চক্র।
সোমবার সন্ধ্যায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চড়ানল হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা সংলগ্ন এবং ধারেশ্বর হরিমঙ্গল প্রবেশপথ এলাকায় সড়কের দুই পাশের ছোট-বড় প্রায় ২০ থেকে ৩০টি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কেটে ফেলা গাছগুলোর বাজারমূল্য আনুমানিক লক্ষাধিক টাকা।
ঘটনাস্থলে থাকা সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে সাংবাদিকরা বিষয়টি কুমিল্লা জেলা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ), জেলা পরিষদ ও বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মতিন বলেন, “কয়েকদিন যাবত দেখছি রাস্তার পাশের ছোট-বড় অনেকটি গাছ নিজেদের দাবি করে কেটে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় কিছুসংখ্যক ব্যক্তিরা। প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া এভাবে গাছগুলো কেটে নেওয়া তাদের ঠিক হয়নি। এই সড়কে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের নজর রাখা প্রয়োজন।”
এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক তানভীর হোসেন বলেন, “গাছ কাটার খবর পেয়ে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা ঘটনাস্থলে জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার জহিরুল কাইয়ুমকে পাঠিয়েছেন এবং গাছগুলো উদ্ধার করে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।”
কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম জাকারিয়া বলেন, “সড়কের গাছ কাটার অভিযোগ পেয়ে সার্ভেয়ার জহিরুল কাইয়ুমকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি এবং গাছগুলো উদ্ধার করে আনা হচ্ছে। বেআইনিভাবে সড়কের গাছ কাটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, “সড়কের গাছ কাটার খবরটি আপনার মাধ্যমে শুনেছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805079</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:27:39 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="800" height="450" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_301032_1788257416_original_1788258142.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>কুমিল্লা-বুড়িচং-সালদা-সৈয়দাবাদ সরকারি সড়কের পাশের গাছ টেন্ডার ও প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, চার লেন মহাসড়ক প্রকল্পের জন্য গাছের তালিকাকরণ চলাকালেই একটি সিন্ডিকেট চক্র সড়কের দুই পাশের গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে।</p>
<p>ইতোমধ্যে ২০ থেকে ৩০ বছর আগে লাগানো বনজ ও ফলজ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবেশকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।</p>
<p>সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুমিল্লা-বুড়িচং-সালদা সড়কের পাশে বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের চড়ানল-ধারেশ্বর এলাকায় বনজ ও ফলজ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।</p>
<p>জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে কুমিল্লা-বুড়িচং-সালদা-সৈয়দাবাদ (কসবা) সড়কটিকে চার লেনবিশিষ্ট জাতীয় মহাসড়কে উন্নীত করার পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের মেয়াদকাল জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০২৮ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>এই আঞ্চলিক সড়কটি কুমিল্লা নগরী, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া হয়ে সালদা ও কসবা পর্যন্ত চার লেনে বিস্তৃত হবে। সরকারের ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) প্রকল্পটি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণ, প্রাথমিক জরিপ ও গাছ তালিকাকরণসহ অন্যান্য কাজ চলমান রয়েছে।এই সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫৮ লাখ টাকা, অর্থাৎ প্রায় ১ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা।</p>
<p>জানা গেছে, সম্প্রতি টেন্ডারের উদ্দেশ্যে এই সড়কের দুই পাশের প্রতিটি গাছের ইউনিক নম্বর প্রদান ও তালিকাকরণের কাজ করছে কুমিল্লা জেলা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।</p>
<p>স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারের পক্ষ থেকে টেন্ডার হওয়ার আগেই কুমিল্লা-বুড়িচং-সালদা-সৈয়দাবাদ (কসবা) সড়কের দুই পাশের ছোট-বড় গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে একটি সিন্ডিকেট চক্র।</p>
<p>সোমবার সন্ধ্যায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চড়ানল হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা সংলগ্ন এবং ধারেশ্বর হরিমঙ্গল প্রবেশপথ এলাকায় সড়কের দুই পাশের ছোট-বড় প্রায় ২০ থেকে ৩০টি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কেটে ফেলা গাছগুলোর বাজারমূল্য আনুমানিক লক্ষাধিক টাকা।</p>
<p>ঘটনাস্থলে থাকা সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে সাংবাদিকরা বিষয়টি কুমিল্লা জেলা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ), জেলা পরিষদ ও বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেন।</p>
<p>স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মতিন বলেন, &ldquo;কয়েকদিন যাবত দেখছি রাস্তার পাশের ছোট-বড় অনেকটি গাছ নিজেদের দাবি করে কেটে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় কিছুসংখ্যক ব্যক্তিরা। প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া এভাবে গাছগুলো কেটে নেওয়া তাদের ঠিক হয়নি। এই সড়কে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের নজর রাখা প্রয়োজন।&rdquo;</p>
<p>এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক তানভীর হোসেন বলেন, &ldquo;গাছ কাটার খবর পেয়ে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা ঘটনাস্থলে জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার জহিরুল কাইয়ুমকে পাঠিয়েছেন এবং গাছগুলো উদ্ধার করে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।&rdquo;</p>
<p>কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম জাকারিয়া বলেন, &ldquo;সড়কের গাছ কাটার অভিযোগ পেয়ে সার্ভেয়ার জহিরুল কাইয়ুমকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি এবং গাছগুলো উদ্ধার করে আনা হচ্ছে। বেআইনিভাবে সড়কের গাছ কাটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&rdquo;</p>
<p>কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, &ldquo;সড়কের গাছ কাটার খবরটি আপনার মাধ্যমে শুনেছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&rdquo;</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805060</link>
<description>সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নবম জাতীয় পে স্কেলের আওতায় আসছেন। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো যেদিন থেকে কার্যকর হবে, একই সময় থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন বেতন স্কেলের সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সরকারের উচ্চপর্যায়ের ওই সূত্র।
সূত্র জানায়, এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাভুক্ত। ফলে তাদের নবম পে স্কেলের বাইরে রাখার সুযোগ নেই। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হবে।
তবে নতুন পে স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেসব ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তার সবগুলো পাবেন না বলে জানিয়েছে সূত্রটি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, “এমপিওভুক্ত জনবল নবম পে স্কেলের আওতায় আসবেন। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য যেদিন থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হবে, সেদিন থেকেই শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পাবেন।”
এর আগে সোমবার (৩১ আগস্ট) সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। দীর্ঘ আলোচনা ও বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার পর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, সর্বোচ্চ গ্রেড-১-এর বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন গ্রেডে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও এর আওতায় আসবেন। তবে বেতন কাঠামোর সুবিধা পেলেও ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে সরকারি চাকরিজীবীদের সঙ্গে তাদের পার্থক্য থাকবে।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805060</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:18:26 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="888" height="499" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2025-11%2FPay_scale22_original_1762852161.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নবম জাতীয় পে স্কেলের আওতায় আসছেন। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো যেদিন থেকে কার্যকর হবে, একই সময় থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন বেতন স্কেলের সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র।</p>
<p>মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সরকারের উচ্চপর্যায়ের ওই সূত্র।</p>
<p>সূত্র জানায়, এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাভুক্ত। ফলে তাদের নবম পে স্কেলের বাইরে রাখার সুযোগ নেই। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হবে।</p>
<p>তবে নতুন পে স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেসব ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তার সবগুলো পাবেন না বলে জানিয়েছে সূত্রটি।</p>
<p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, &ldquo;এমপিওভুক্ত জনবল নবম পে স্কেলের আওতায় আসবেন। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য যেদিন থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হবে, সেদিন থেকেই শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পাবেন।&rdquo;</p>
<p>এর আগে সোমবার (৩১ আগস্ট) সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। দীর্ঘ আলোচনা ও বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার পর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।</p>
<p>প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, সর্বোচ্চ গ্রেড-১-এর বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন গ্রেডে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।</p>
<p>নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও এর আওতায় আসবেন। তবে বেতন কাঠামোর সুবিধা পেলেও ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে সরকারি চাকরিজীবীদের সঙ্গে তাদের পার্থক্য থাকবে।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>নতুন পরিচয়ে তানজিন তিশা</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805077</link>
<description>অভিনয়জগতের পাশাপাশি অনেক তারকাই যুক্ত হন চাকরি কিংবা ব্যবসায়। সেই ধারাবাহিকতায় এবার ব্যবসায়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। রাজধানীর বনানীতে ‘ও রিয়েল’ নামে একটি রেস্তোরাঁ চালুর মধ্য দিয়ে ব্যবসায়ী হিসেবে নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন তিনি। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে রেস্তোরাঁটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
নতুন এই উদ্যোগ নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রচারণায় নেমেছেন তানজিন তিশা। রেস্তোরাঁটির নিজস্ব ফেসবুক পেজের পাশাপাশি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও অন্দরসজ্জার আলো-ছায়ায় তৈরি নান্দনিক রিলস শেয়ার করছেন অভিনেত্রী। দর্শনার্থীদের জন্য ভিন্নধর্মী ও মানসম্মত খাবারের অভিজ্ঞতা দিতে তাদের এই আয়োজন বলে জানা গেছে।
ব্যবসায়িক ব্যস্ততার পাশাপাশি অভিনয়েও সমানতালে সরব তানজিন তিশা। নাটক ও ওয়েব কনটেন্টে জনপ্রিয়তার পর এবার বড়পর্দায় অভিষেক হতে যাচ্ছে তার। সাকিল ফাহাদ পরিচালিত ‘সোলজার’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন তিনি।
দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে সিনেমাটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ছবিটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ফলে ব্যবসায়িক অঙ্গনে নতুন পরিচয়ের পাশাপাশি বড়পর্দায় অভিষেক নিয়েও আলোচনায় রয়েছেন এই অভিনেত্রী।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805077</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:16:17 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="888" height="499" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-07%2FTisha_original_1783923544.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>অভিনয়জগতের পাশাপাশি অনেক তারকাই যুক্ত হন চাকরি কিংবা ব্যবসায়। সেই ধারাবাহিকতায় এবার ব্যবসায়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। রাজধানীর বনানীতে &lsquo;ও রিয়েল&rsquo; নামে একটি রেস্তোরাঁ চালুর মধ্য দিয়ে ব্যবসায়ী হিসেবে নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন তিনি। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে রেস্তোরাঁটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।</p>
<p>নতুন এই উদ্যোগ নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রচারণায় নেমেছেন তানজিন তিশা। রেস্তোরাঁটির নিজস্ব ফেসবুক পেজের পাশাপাশি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও অন্দরসজ্জার আলো-ছায়ায় তৈরি নান্দনিক রিলস শেয়ার করছেন অভিনেত্রী। দর্শনার্থীদের জন্য ভিন্নধর্মী ও মানসম্মত খাবারের অভিজ্ঞতা দিতে তাদের এই আয়োজন বলে জানা গেছে।</p>
<p>ব্যবসায়িক ব্যস্ততার পাশাপাশি অভিনয়েও সমানতালে সরব তানজিন তিশা। নাটক ও ওয়েব কনটেন্টে জনপ্রিয়তার পর এবার বড়পর্দায় অভিষেক হতে যাচ্ছে তার। সাকিল ফাহাদ পরিচালিত &lsquo;সোলজার&rsquo; সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন তিনি।</p>
<p>দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে সিনেমাটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ছবিটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ফলে ব্যবসায়িক অঙ্গনে নতুন পরিচয়ের পাশাপাশি বড়পর্দায় অভিষেক নিয়েও আলোচনায় রয়েছেন এই অভিনেত্রী।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>নাগরপুরে দৈনিক মজলুমের কন্ঠ পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805076</link>
<description>টাঙ্গাইলের নাগরপুরে স্থানীয় দৈনিক মুজলুমের কন্ঠ পত্রিকার ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে নাগরপুর প্রেসক্লাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দৈনিক মুজলুমের কন্ঠ পত্রিকার নাগরপুর উপজেলা প্রতিনিধি ও নাগরপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. এরশাদ মিয়ার উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিখন বনিক।নাগরপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আক্তারুজ্জামান বকুলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. এরশাদ মিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি&#039;র সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান হবি, নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জহুরুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাছুম বিল্লাহ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ হাসান জাহিদ, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মীর খালিদ মাহমুদ রাসেল, সদস্য সচিব মো. শহিদুল ইসলাম মনির সহ নাগরপুর প্রেস ক্লাবের সকল সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805076</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:12:07 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="800" height="450" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_301030_1788255944_original_1788257347.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>টাঙ্গাইলের নাগরপুরে স্থানীয় দৈনিক মুজলুমের কন্ঠ পত্রিকার ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে নাগরপুর প্রেসক্লাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দৈনিক মুজলুমের কন্ঠ পত্রিকার নাগরপুর উপজেলা প্রতিনিধি ও নাগরপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. এরশাদ মিয়ার উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিখন বনিক।<br /><br />নাগরপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আক্তারুজ্জামান বকুলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. এরশাদ মিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান হবি, নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জহুরুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাছুম বিল্লাহ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ হাসান জাহিদ, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মীর খালিদ মাহমুদ রাসেল, সদস্য সচিব মো. শহিদুল ইসলাম মনির সহ নাগরপুর প্রেস ক্লাবের সকল সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>কৃষির উন্নয়ন হলেই দেশের উন্নয়ন হবে: কৃষিমন্ত্রী</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805075</link>
<description>কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, &#039;কৃষির উন্নয়ন হলেই দেশের উন্নয়ন হবে। কৃষকের উন্নয়নের জন্য যা যা করা প্রয়োজন, এ সরকার তা-ই করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত আছে। আগামী দিনে বাংলাদেশের কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে। এতে করে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। তাই আমাদের সরকারের প্রতিজ্ঞা, আগামী দিনে কৃষিপণ্য হবে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানিযোগ্য পণ্য।&#039;মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে মহানগর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের একমাত্র প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন। দেশের কল্যাণের জন্য জীবন-প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। তার মৃত্যুর পরে ভাঙা সুটকেস এবং অ্যাকাউন্টে সাড়ে ৩০০ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। আমরা সেই জিয়াউর রহমানের আদর্শের রাজনীতি করি। বিএনপির প্রতিটি নেতা-কর্মীকে সেই আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দেশের কল্যাণের কথা ভাবতে হবে।তিনি বলেন, আপনি যে নেতার রাজনীতি করেন, তার চরিত্রের সঙ্গে আপনার চরিত্র কতটুকু মিল আছে, তা খেয়াল করে দেখবেন। আপনার মুখের কথা, অন্তরের কথা এবং মাথার চিন্তা যেন এক হয়। তাহলে দেশ সুন্দর হবে, সরকার প্রশংসিত হবে। জনগণ বারবার ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনবে। মনে রাখতে হবে, আগামী প্রজন্ম অনেক সচেতন। তারা আপনার কথা ও কাজের রূপ বাস্তবে দেখতে চায়। আমাদের পবিত্র দায়িত্ব আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে।কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবুর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া এমপি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজিবসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সভা পরিচালনা করেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805075</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:11:23 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="800" height="450" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_301029_1788255955_original_1788257282.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, 'কৃষির উন্নয়ন হলেই দেশের উন্নয়ন হবে। কৃষকের উন্নয়নের জন্য যা যা করা প্রয়োজন, এ সরকার তা-ই করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত আছে। আগামী দিনে বাংলাদেশের কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে। এতে করে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। তাই আমাদের সরকারের প্রতিজ্ঞা, আগামী দিনে কৃষিপণ্য হবে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানিযোগ্য পণ্য।'<br /><br />মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে মহানগর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের একমাত্র প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন। দেশের কল্যাণের জন্য জীবন-প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। তার মৃত্যুর পরে ভাঙা সুটকেস এবং অ্যাকাউন্টে সাড়ে ৩০০ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। আমরা সেই জিয়াউর রহমানের আদর্শের রাজনীতি করি। বিএনপির প্রতিটি নেতা-কর্মীকে সেই আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দেশের কল্যাণের কথা ভাবতে হবে।<br /><br />তিনি বলেন, আপনি যে নেতার রাজনীতি করেন, তার চরিত্রের সঙ্গে আপনার চরিত্র কতটুকু মিল আছে, তা খেয়াল করে দেখবেন। আপনার মুখের কথা, অন্তরের কথা এবং মাথার চিন্তা যেন এক হয়। তাহলে দেশ সুন্দর হবে, সরকার প্রশংসিত হবে। জনগণ বারবার ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনবে। মনে রাখতে হবে, আগামী প্রজন্ম অনেক সচেতন। তারা আপনার কথা ও কাজের রূপ বাস্তবে দেখতে চায়। আমাদের পবিত্র দায়িত্ব আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে।<br /><br />কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবুর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া এমপি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজিবসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সভা পরিচালনা করেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805074</link>
<description>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে নানা বর্ণাঢ্য কর্মসূচি পালন করেছে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনসমূহ। আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, ভাস্কর্যে শ্রদ্ধা নিবেদন ও বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দিনটি উদযাপিত হয়। এসব কর্মসূচিতে দলটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
​প্রতিষ্ঠানবার্ষিকীর প্রথম পর্বে খাগড়াছড়ি খাদ্য গুদামসংলগ্ন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এক পরিবেশবান্ধব বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
​সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শহরের চেঙ্গী স্কয়ার এলাকায় রঙিন বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া। শোভাযাত্রাটি চেঙ্গী স্কয়ার থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বর অতিক্রম করে খাগড়াছড়ি টাউন হলে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে টাউন হল প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
​আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমা, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রবীণ চন্দ্র চাকমা, সাধারণ সম্পাদক এমএন আবছার সহ জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই বিশেষ দিনে জেলার তৃণমূল পর্যায় থেকেও সর্বস্তরের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে পুরো শহরকে উৎসবমুখর করে তোলেন।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805074</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:06:42 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="800" height="450" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_301027_1788255620_original_1788257010.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে নানা বর্ণাঢ্য কর্মসূচি পালন করেছে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনসমূহ। আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, ভাস্কর্যে শ্রদ্ধা নিবেদন ও বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দিনটি উদযাপিত হয়। এসব কর্মসূচিতে দলটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p>​প্রতিষ্ঠানবার্ষিকীর প্রথম পর্বে খাগড়াছড়ি খাদ্য গুদামসংলগ্ন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এক পরিবেশবান্ধব বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।</p>
<p>​সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শহরের চেঙ্গী স্কয়ার এলাকায় রঙিন বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া। শোভাযাত্রাটি চেঙ্গী স্কয়ার থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বর অতিক্রম করে খাগড়াছড়ি টাউন হলে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে টাউন হল প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>​আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমা, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রবীণ চন্দ্র চাকমা, সাধারণ সম্পাদক এমএন আবছার সহ জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই বিশেষ দিনে জেলার তৃণমূল পর্যায় থেকেও সর্বস্তরের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে পুরো শহরকে উৎসবমুখর করে তোলেন।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>এক ফুডকোর্ট, দুই দফা ব্যয়: জবিতে ১৩ লাখের পর ফের ৬ লাখ ৫২ হাজার</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805073</link>
<description>জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) টিনশেড ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রথম তিন ধাপে প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয় করা হলেও নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। পরে অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে প্রকৌশল দপ্তরের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে আরও ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ফলে একই ফুডকোর্ট নির্মাণে দুই দফায় মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।
প্রকৌশল দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ফুডকোর্ট নির্মাণে তিন ধাপে ব্যয় হয়েছে যথাক্রমে ৫ লাখ ৯৭ হাজার, ৫ লাখ ৯৮ হাজার ও ৯৮ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রথম তিন ধাপে মোট ব্যয় হয় ১২ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। এর মধ্যে দ্বিতীয় ধাপে ফুডকোর্ট ও ড্রেনেজের কাজ এবং তৃতীয় ধাপে বৈদ্যুতিক কাজ করা হয়।
তবে প্রথম তিন ধাপে প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ের পরও ফুডকোর্টের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। পরে অতিরিক্ত ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দে চারটি বেঞ্চ, দুটি ছাতা, একটি সিঁড়ি, রফিক ভবনের দেয়ালে প্লাস্টার, ড্রেনের ওপর ঢাকনা, ফুডকোর্টের পেছনে একটি বারান্দা, একটি এসএসের টেবিল, একটি রেক, একটি ক্যানোপি শেড, সলিং, গাইড ওয়াল, গার্ডেন, একটি এক্সহস্ট ফ্যান ও একটি দরজার কাজ করা হয়েছে।
প্রথম তিন ধাপের ১২ লাখ ৯৩ হাজার টাকার সঙ্গে নতুন বরাদ্দের ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা যোগ হলে ফুডকোর্ট নির্মাণে মোট ব্যয় দাঁড়ায় ১৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।
এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, প্রথম তিন ধাপে প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ের পরও কেন নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়নি এবং পরবর্তীতে একই ফুডকোর্টে আরও ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকার প্রয়োজন হলো? নতুন বরাদ্দের আওতায় করা কাজগুলো প্রথম প্রাক্কলনে ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অতিরিক্ত এই ব্যয় শিক্ষার্থীদের মনেও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ ফুডকোর্ট নির্মাণের পরিকল্পনা ও প্রাক্কলনের যথার্থতা এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।
অতিরিক্ত ব্যয়ের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শারমিন বলেন, “ফুডকোর্টের বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। এ বিষয়ে প্রকৌশল দপ্তর জানে।”
অতিরিক্ত এই ব্যয় নিয়ে জবির প্রধান প্রকৌশলী বলেন, “এখানে অনেক কাজ করা হয়েছে, তাই এই ব্যয়।”</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805073</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:06:06 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="800" height="450" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/images%2Fimage_301026_1788255017_original_1788256996.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) টিনশেড ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রথম তিন ধাপে প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয় করা হলেও নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। পরে অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে প্রকৌশল দপ্তরের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে আরও ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ফলে একই ফুডকোর্ট নির্মাণে দুই দফায় মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।</p>
<p>প্রকৌশল দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ফুডকোর্ট নির্মাণে তিন ধাপে ব্যয় হয়েছে যথাক্রমে ৫ লাখ ৯৭ হাজার, ৫ লাখ ৯৮ হাজার ও ৯৮ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রথম তিন ধাপে মোট ব্যয় হয় ১২ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। এর মধ্যে দ্বিতীয় ধাপে ফুডকোর্ট ও ড্রেনেজের কাজ এবং তৃতীয় ধাপে বৈদ্যুতিক কাজ করা হয়।</p>
<p>তবে প্রথম তিন ধাপে প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ের পরও ফুডকোর্টের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। পরে অতিরিক্ত ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দে চারটি বেঞ্চ, দুটি ছাতা, একটি সিঁড়ি, রফিক ভবনের দেয়ালে প্লাস্টার, ড্রেনের ওপর ঢাকনা, ফুডকোর্টের পেছনে একটি বারান্দা, একটি এসএসের টেবিল, একটি রেক, একটি ক্যানোপি শেড, সলিং, গাইড ওয়াল, গার্ডেন, একটি এক্সহস্ট ফ্যান ও একটি দরজার কাজ করা হয়েছে।</p>
<p>প্রথম তিন ধাপের ১২ লাখ ৯৩ হাজার টাকার সঙ্গে নতুন বরাদ্দের ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা যোগ হলে ফুডকোর্ট নির্মাণে মোট ব্যয় দাঁড়ায় ১৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।</p>
<p>এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, প্রথম তিন ধাপে প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ের পরও কেন নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়নি এবং পরবর্তীতে একই ফুডকোর্টে আরও ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকার প্রয়োজন হলো? নতুন বরাদ্দের আওতায় করা কাজগুলো প্রথম প্রাক্কলনে ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।</p>
<p>অতিরিক্ত এই ব্যয় শিক্ষার্থীদের মনেও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ ফুডকোর্ট নির্মাণের পরিকল্পনা ও প্রাক্কলনের যথার্থতা এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।</p>
<p>অতিরিক্ত ব্যয়ের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শারমিন বলেন, &ldquo;ফুডকোর্টের বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। এ বিষয়ে প্রকৌশল দপ্তর জানে।&rdquo;</p>
<p>অতিরিক্ত এই ব্যয় নিয়ে জবির প্রধান প্রকৌশলী বলেন, &ldquo;এখানে অনেক কাজ করা হয়েছে, তাই এই ব্যয়।&rdquo;</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>অতীত ভুলে ফের একসঙ্গে দেব-শুভশ্রী, জানালেন তাদের প্রতিজ্ঞা</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805072</link>
<description>একসময় জনপ্রিয় জুটি ছিলেন দেব ও শুভশ্রী। তবে পর্দার বাইরে তাদের ছিল প্রেমের সম্পর্ক আর সেটা সবার জানা। দুই তারকার বিচ্ছেদের পর ভক্তদের আবদার ছিল তাদের একসঙ্গে দেখা। আর সেই কথা রেখেছেন দেব আর শুভশ্রী। তবে প্রেমের সম্পর্ক না থাকলেও দেব-শুভশ্রীর মধ্যে বন্ধুত্ব এখনও অটুট। নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে নানান কথা জানিয়েছেন এই দুই তারকা।
হিন্দুস্তান টাইমস থেকে  জানা যায়, সোমবার (৩১ আগস্ট) দিনভর দেব-শুভশ্রীর একটা ফেসবুক লাইভ নিয়ে তোলপাড় চলছে। ধূমকেতুর পর ফের পর্দায় একসঙ্গে প্রাক্তন জুটি। মূলত তাদের আসন্ন সিনেমা ‘দেশু৭’ কেন্দ্র করেই নানান কথা বলেছেন তারা।
জীবনের অনেক গোপন কথাও ফাঁস করেছেন দেব-শুভশ্রী। আলোচনার মাঝে কখনও দেব বলে উঠেছেন, ‘আবার কেস খেলাম?’ আবার কখনও শুভশ্রীকে জিজ্ঞেস করেছেন, ‘চাপ হবে না তো? তুমি সামলে নেবে তো?’ একটা সময় দেবের সবচেয়ে কাছের বন্ধু ছিলেন শুভশ্রী। দুজনের কথায় সে বিষয়গুলো উঠে এসেছে বারবার।
‘দেশু৭’ সিনেমার অংশ হিসেবে ফেসবুক লাইভে দেব জানান, শুভশ্রীর সঙ্গে ‘দুই বাচ্চার মা’ বিতর্কের পর তাদের ভুল বুঝাবুঝি হয়েছি; আর রাগে অভিনেত্রীর ফোন নম্বর ডিলিট করে দেন। আর ঝগড়া হলে পরস্পরের নম্বর ব্লক করে দেয়া কিংবা ডিলিট করা তাদের পুরোনো অভ্যাস। দেব জানান, এসবের পরেও শুভশ্রীর সঙ্গে তার যোগাযোগ পুরোপুরি ছিন্ন হয়নি কোনওদিনও। এমনকি রাজ-শুভশ্রীর বিয়ের আগেরদিনও শুভশ্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে দেবের। 
এমনকি তাদের প্রতিজ্ঞার কথাও জানান শুভশ্রী। অভিনেত্রী জানান, আর যাই হোক, আমরা ঠিক করেছি আর ঝগড়া করব না। আর একে অপরের নম্বর ব্লক করব না। এমনি দেব ফেসবুক লাইভে শুভশ্রীর নম্বর এডিট করে লেখেন ‘শুভ’। সব মিলিয়ে দুই তারকার গল্প নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে তাদের ভক্তরা।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805072</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:05:32 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="800" height="450" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-09%2Fdev-and-shuvo-1788255194_original_1788256934.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>একসময় জনপ্রিয় জুটি ছিলেন দেব ও শুভশ্রী। তবে পর্দার বাইরে তাদের ছিল প্রেমের সম্পর্ক আর সেটা সবার জানা। দুই তারকার বিচ্ছেদের পর ভক্তদের আবদার ছিল তাদের একসঙ্গে দেখা। আর সেই কথা রেখেছেন দেব আর শুভশ্রী। তবে প্রেমের সম্পর্ক না থাকলেও দেব-শুভশ্রীর মধ্যে বন্ধুত্ব এখনও অটুট। নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে নানান কথা জানিয়েছেন এই দুই তারকা।</p>
<p>হিন্দুস্তান টাইমস থেকে &nbsp;জানা যায়, সোমবার (৩১ আগস্ট) দিনভর দেব-শুভশ্রীর একটা ফেসবুক লাইভ নিয়ে তোলপাড় চলছে। ধূমকেতুর পর ফের পর্দায় একসঙ্গে প্রাক্তন জুটি। মূলত তাদের আসন্ন সিনেমা &lsquo;দেশু৭&rsquo; কেন্দ্র করেই নানান কথা বলেছেন তারা।</p>
<p>জীবনের অনেক গোপন কথাও ফাঁস করেছেন দেব-শুভশ্রী। আলোচনার মাঝে কখনও দেব বলে উঠেছেন, &lsquo;আবার কেস খেলাম?&rsquo; আবার কখনও শুভশ্রীকে জিজ্ঞেস করেছেন, &lsquo;চাপ হবে না তো? তুমি সামলে নেবে তো?&rsquo; একটা সময় দেবের সবচেয়ে কাছের বন্ধু ছিলেন শুভশ্রী। দুজনের কথায় সে বিষয়গুলো উঠে এসেছে বারবার।</p>
<p>&lsquo;দেশু৭&rsquo; সিনেমার অংশ হিসেবে ফেসবুক লাইভে দেব জানান, শুভশ্রীর সঙ্গে &lsquo;দুই বাচ্চার মা&rsquo; বিতর্কের পর তাদের ভুল বুঝাবুঝি হয়েছি; আর রাগে অভিনেত্রীর ফোন নম্বর ডিলিট করে দেন। আর ঝগড়া হলে পরস্পরের নম্বর ব্লক করে দেয়া কিংবা ডিলিট করা তাদের পুরোনো অভ্যাস। দেব জানান, এসবের পরেও শুভশ্রীর সঙ্গে তার যোগাযোগ পুরোপুরি ছিন্ন হয়নি কোনওদিনও। এমনকি রাজ-শুভশ্রীর বিয়ের আগেরদিনও শুভশ্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে দেবের।&nbsp;</p>
<p>এমনকি তাদের প্রতিজ্ঞার কথাও জানান শুভশ্রী। অভিনেত্রী জানান, আর যাই হোক, আমরা ঠিক করেছি আর ঝগড়া করব না। আর একে অপরের নম্বর ব্লক করব না। এমনি দেব ফেসবুক লাইভে শুভশ্রীর নম্বর এডিট করে লেখেন &lsquo;শুভ&rsquo;। সব মিলিয়ে দুই তারকার গল্প নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে তাদের ভক্তরা।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805071</link>
<description>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এখনো সফরের কোনো নির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের কোনো সম্ভাবনাও নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবশ্যই ভারত সফর করবেন। এ সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সফরের সময়সূচি এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আগে এ সফর হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখনো সফরের চূড়ান্ত কর্মসূচি বা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা।
এদিকে গত ২৯ আগস্ট ভারতে আওয়ামী লীগ নেতাদের একটি সভা পুলিশের হস্তক্ষেপে বাতিল হওয়ার বিষয়টিকেও বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে দেখছে বলে জানান হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যে পদক্ষেপ নিয়েছে, বাংলাদেশ সেটিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছে।
ভারত থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা কিংবা বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে গিয়ে অবস্থান করা বিভিন্ন অপরাধী ও দুষ্কৃতিকারীদের বিষয়েও কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
হুমায়ুন কবির বলেন, ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো দুষ্কৃতিকারীকে বাংলাদেশ আশ্রয় দেবে না। একইভাবে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো দুষ্কৃতিকারীকে ভারতও আশ্রয় দেবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
দুই দেশের মধ্যে পলাতক অপরাধীদের বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। কোনো দেশই যেন অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত না হয়, সে জন্য দুই দেশের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিমান চলাচল খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়েও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, কোনো ধরনের চাপের কারণে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কিনছে না। দেশের নিজস্ব প্রয়োজন ও ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনা করেই উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। বিমান পরিবহন খাতের ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বিমান চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য এর সঙ্গে জড়িত।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিএনপির জনপ্রিয়তা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বাংলাদেশের গণতন্ত্র যখনই ঝুঁকির মুখে পড়েছে, তখনই বিএনপি সামনে থেকে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805071</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:05:01 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="1366" height="768" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-09%2FOne%20School%20Bell%2C%201%2C643%20Lives%20Saved%20%2836%29_original_1788256792.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এখনো সফরের কোনো নির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের কোনো সম্ভাবনাও নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।</p>
<p>মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।</p>
<p>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবশ্যই ভারত সফর করবেন। এ সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সফরের সময়সূচি এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আগে এ সফর হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখনো সফরের চূড়ান্ত কর্মসূচি বা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা।</p>
<p>এদিকে গত ২৯ আগস্ট ভারতে আওয়ামী লীগ নেতাদের একটি সভা পুলিশের হস্তক্ষেপে বাতিল হওয়ার বিষয়টিকেও বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে দেখছে বলে জানান হুমায়ুন কবির।</p>
<p>তিনি বলেন, ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যে পদক্ষেপ নিয়েছে, বাংলাদেশ সেটিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছে।</p>
<p>ভারত থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা কিংবা বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে গিয়ে অবস্থান করা বিভিন্ন অপরাধী ও দুষ্কৃতিকারীদের বিষয়েও কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।</p>
<p>হুমায়ুন কবির বলেন, ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো দুষ্কৃতিকারীকে বাংলাদেশ আশ্রয় দেবে না। একইভাবে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো দুষ্কৃতিকারীকে ভারতও আশ্রয় দেবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।</p>
<p>দুই দেশের মধ্যে পলাতক অপরাধীদের বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। কোনো দেশই যেন অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত না হয়, সে জন্য দুই দেশের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন।</p>
<p>বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিমান চলাচল খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়েও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।</p>
<p>তিনি বলেন, কোনো ধরনের চাপের কারণে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কিনছে না। দেশের নিজস্ব প্রয়োজন ও ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনা করেই উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।</p>
<p>হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। বিমান পরিবহন খাতের ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বিমান চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য এর সঙ্গে জড়িত।</p>
<p>বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।</p>
<p>তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিএনপির জনপ্রিয়তা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।</p>
<p>বাংলাদেশের গণতন্ত্র যখনই ঝুঁকির মুখে পড়েছে, তখনই বিএনপি সামনে থেকে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছি: প্রধানমন্ত্রী</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805070</link>
<description>দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে বিএনপি সক্ষম হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এ দলের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।
সাক্ষাতে তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করেছে বিএনপি। এ সময়ে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন এবং প্রায় ৪০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুগম করা সম্ভব হয়েছে। তবে সামনে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। গণতন্ত্র নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, তার সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
সাক্ষাতে আইপিইউ সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, নিয়মিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকারের শক্তিশালী বার্তা বহন করে।
আন্দা ফিলিপ জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার পড়েছেন। এতে শিক্ষা খাতে বিভিন্ন উদ্যোগ ও কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি। বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রারও প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
আইপিইউ সেক্রেটারি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তানজানিয়ায় অনুষ্ঠেয় আইপিইউর ১৫৩তম সম্মেলনে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সাক্ষাতে গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিও আলোচনায় আসে।
নারীর ক্ষমতায়নকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের জন্য অনার্স পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হলো নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো।
সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805070</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 15:56:50 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="888" height="499" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-09%2FPM5342_original_1788256582.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে বিএনপি সক্ষম হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এ দলের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p>মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।</p>
<p>সাক্ষাতে তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করেছে বিএনপি। এ সময়ে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন এবং প্রায় ৪০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুগম করা সম্ভব হয়েছে। তবে সামনে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। গণতন্ত্র নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, তার সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।</p>
<p>সাক্ষাতে আইপিইউ সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, নিয়মিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকারের শক্তিশালী বার্তা বহন করে।</p>
<p>আন্দা ফিলিপ জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার পড়েছেন। এতে শিক্ষা খাতে বিভিন্ন উদ্যোগ ও কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি। বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রারও প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।</p>
<p>আইপিইউ সেক্রেটারি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তানজানিয়ায় অনুষ্ঠেয় আইপিইউর ১৫৩তম সম্মেলনে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।</p>
<p>সাক্ষাতে গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিও আলোচনায় আসে।</p>
<p>নারীর ক্ষমতায়নকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের জন্য অনার্স পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।</p>
<p>ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হলো নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো।</p>
<p>সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            
                
<item>
<title>জানা গেল ২০২৭ সালে রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ</title>
<link>https://www.bd24live.com/bangla/805069</link>
<description>ইসলামী বর্ষপঞ্জির নবম মাস পবিত্র রমজান। মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই মাসের তারিখ প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়। কারণ, রমজান নির্ধারিত হয় চন্দ্রভিত্তিক হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি অনুসারে নয়।
আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যাগত হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী, ২০২৭ সালে ফেব্রুয়ারির শুরুতেই পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর মার্চের প্রথমার্ধে উদযাপিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল ফিতর।
২০২৭ সালে রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ
শাবান মাসের শেষ দিকে, অর্থাৎ ২০২৭ সালের ৬ বা ৭ ফেব্রুয়ারি রমজানের নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জ্যোতির্বিদ্যাগত তথ্য অনুযায়ী, ২৯ শাবান সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের কয়েকটি অঞ্চলে চাঁদ দেখা সম্ভব নাও হতে পারে। ওই দিন চাঁদ সূর্যের আগে অস্ত যেতে পারে কিংবা সূর্যাস্তের পর চাঁদের সঙ্গে সূর্যের সংযোগ ঘটতে পারে।
এ কারণে শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান শুরু হতে পারে।
তবে বিভিন্ন দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, চাঁদ দেখার সময় এবং অনুসৃত পদ্ধতির পার্থক্যের কারণে রমজান শুরুর তারিখ এক দিন আগে-পরে হতে পারে। সংশ্লিষ্ট দেশের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের ঘোষণার পরই চূড়ান্ত তারিখ নিশ্চিত হবে।
২০২৭ সালে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ
হিজরি শাওয়াল মাসের প্রথম দিন মুসলমানরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করেন। ফলে রমজান ২৯ নাকি ৩০ দিনে শেষ হবে, তার ওপর নির্ভর করবে ঈদের তারিখ।
জ্যোতির্বিদ্যাগত হিসাব অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৭ সালের ৮ মার্চ, সোমবার অথবা ৯ মার্চ, মঙ্গলবার শাওয়ালের চাঁদ দেখা যেতে পারে।
৮ মার্চ সন্ধ্যায় রমজানের ২৯তম দিন শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেলে পরদিন ৯ মার্চ, মঙ্গলবার ঈদুল ফিতর পালিত হবে। আর ওই দিন চাঁদ দেখা না গেলে রমজান ৩০ দিনে পূর্ণ হবে এবং ঈদুল ফিতর হতে পারে ১০ মার্চ, বুধবার।
বাংলাদেশে কবে শুরু হতে পারে রমজান ও ঈদ?
ভৌগোলিক অবস্থান ও চাঁদ দেখার পার্থক্যের কারণে বাংলাদেশে অনেক সময় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর এক দিন পর রমজান ও ঈদুল ফিতর শুরু হয়।
সে হিসাবে মধ্যপ্রাচ্যে ৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু হলে বাংলাদেশে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একইভাবে মধ্যপ্রাচ্যে ৯ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হলে বাংলাদেশে ১০ মার্চ ঈদ হতে পারে।
তবে এগুলো কেবল জ্যোতির্বিদ্যাগত হিসাবের ভিত্তিতে করা সম্ভাব্য তারিখ। বাংলাদেশে পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত এবং সরাসরি চাঁদ দেখার ঘোষণার ভিত্তিতে।</description>
<guid isPermaLink="false">https://www.bd24live.com/bangla/805069</guid>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 15:46:48 +0600</pubDate>
<media:content medium="image" width="799" height="461" url="https://www.bd24live.com/bangla/public/uploads%2F2026-03%2FEid343_original_1774011093.jpg"/>
<content:encoded>
    <![CDATA[
    <p>ইসলামী বর্ষপঞ্জির নবম মাস পবিত্র রমজান। মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই মাসের তারিখ প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়। কারণ, রমজান নির্ধারিত হয় চন্দ্রভিত্তিক হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি অনুসারে নয়।</p>
<p>আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যাগত হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী, ২০২৭ সালে ফেব্রুয়ারির শুরুতেই পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর মার্চের প্রথমার্ধে উদযাপিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল ফিতর।</p>
<p><strong>২০২৭ সালে রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ</strong></p>
<p>শাবান মাসের শেষ দিকে, অর্থাৎ ২০২৭ সালের ৬ বা ৭ ফেব্রুয়ারি রমজানের নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>
<p>জ্যোতির্বিদ্যাগত তথ্য অনুযায়ী, ২৯ শাবান সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের কয়েকটি অঞ্চলে চাঁদ দেখা সম্ভব নাও হতে পারে। ওই দিন চাঁদ সূর্যের আগে অস্ত যেতে পারে কিংবা সূর্যাস্তের পর চাঁদের সঙ্গে সূর্যের সংযোগ ঘটতে পারে।</p>
<p>এ কারণে শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান শুরু হতে পারে।</p>
<p>তবে বিভিন্ন দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, চাঁদ দেখার সময় এবং অনুসৃত পদ্ধতির পার্থক্যের কারণে রমজান শুরুর তারিখ এক দিন আগে-পরে হতে পারে। সংশ্লিষ্ট দেশের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের ঘোষণার পরই চূড়ান্ত তারিখ নিশ্চিত হবে।</p>
<p><strong>২০২৭ সালে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ</strong></p>
<p>হিজরি শাওয়াল মাসের প্রথম দিন মুসলমানরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করেন। ফলে রমজান ২৯ নাকি ৩০ দিনে শেষ হবে, তার ওপর নির্ভর করবে ঈদের তারিখ।</p>
<p>জ্যোতির্বিদ্যাগত হিসাব অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৭ সালের ৮ মার্চ, সোমবার অথবা ৯ মার্চ, মঙ্গলবার শাওয়ালের চাঁদ দেখা যেতে পারে।</p>
<p>৮ মার্চ সন্ধ্যায় রমজানের ২৯তম দিন শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেলে পরদিন ৯ মার্চ, মঙ্গলবার ঈদুল ফিতর পালিত হবে। আর ওই দিন চাঁদ দেখা না গেলে রমজান ৩০ দিনে পূর্ণ হবে এবং ঈদুল ফিতর হতে পারে ১০ মার্চ, বুধবার।</p>
<p><strong>বাংলাদেশে কবে শুরু হতে পারে রমজান ও ঈদ?</strong></p>
<p>ভৌগোলিক অবস্থান ও চাঁদ দেখার পার্থক্যের কারণে বাংলাদেশে অনেক সময় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর এক দিন পর রমজান ও ঈদুল ফিতর শুরু হয়।</p>
<p>সে হিসাবে মধ্যপ্রাচ্যে ৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু হলে বাংলাদেশে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একইভাবে মধ্যপ্রাচ্যে ৯ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হলে বাংলাদেশে ১০ মার্চ ঈদ হতে পারে।</p>
<p>তবে এগুলো কেবল জ্যোতির্বিদ্যাগত হিসাবের ভিত্তিতে করা সম্ভাব্য তারিখ। বাংলাদেশে পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত এবং সরাসরি চাঁদ দেখার ঘোষণার ভিত্তিতে।</p>
    ]]>
</content:encoded>

</item>
            </channel>
</rss>