জিম্বাবুয়ের লজ্জাজনক রেকর্ডে ভাগ বসালো আফগানিস্তান

২৫ জুন ২০১৯, ১০:১২:৫০

এবারের বিশ্বকাপের আগে আফগানদের দেওয়া হুমকি-ধামকির ছিটেফোঁটাও দেখা গেলো না আসর শুরু হওয়ার পর। এখন পর্যন্ত খেলা সাত ম্যাচের একটিতেও পাত্তা পায়নি আফগানরা। সবগুলোতে হেরে পয়েন্ট টেবিলে সবার শেষে অবস্থান তাদের।

বরাবরই আফগান ক্রিকেটারদের নিজেদেরকে নিয়ে উচুঁ বাক্যে কথা বলার মনোভাবটা একটু বেশি। রশিদ-নবীরা ভালো মানের ক্রিকেটার হলেও তাদের এই মানসিকতার কারণে বহুবার নিন্দনীয় হতে হয়েছে ক্রিকেট বিশ্বে।

এই যেমন বাংলাদেশের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ নবী বলেছিলেন, ‘অবশ্যই বাংলাদেশের বিপক্ষে আমরাই ফেবারিট।’

তাদের অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব বলেছিলেন, ‘বিশ্বকাপ থেকে যেহেতু আমরা বাদ পড়েছি, সেহেতু বাংলাদেশকেও আমাদের সেই যাত্রায় সঙ্গী করবো।’

তাদের এই সকল মন্তব্যের বেশ সমলোচনাও হয়েছিল ক্রিকেট পাড়ায়। তবে সকল সমলোচনার জবাব টাইগাররা দিয়েছেন মাঠে ব্যাটে-বলে।

সাউদাম্পটনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের ৭ম ম্যাচে ৬২ রানের বড় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটে-বলে টাইগারদের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এ জয়ে ৭ পয়েন্ট পেয়ে সেমির স্বপ্ন জাগিয়ে রাখলো টিম টাইগার।

এদিকে বাংলাদেশের কাছে হারের পর বাজে এক রেকর্ড ছুঁয়েছে তারা। এক বিশ্বকাপে এখনো পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি হারের রেকর্ড এতদিন ছিলো জিম্বাবুয়ের দখলে। ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচ খেলে ৭টিতেই হেরেছিলো তারা। সে বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচের মধ্যে কেবল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯ রানের জয় পেয়েছিলো জিম্বাবুয়ে।

আর এবারের বিশ্বকাপে টানা ৭ ম্যাচ হেরে সে তালিকায় জিম্বাবুয়ের পাশে নাম লেখালো আফগানরা। বিশ্বকাপে এখনো দুটি ম্যাচ বাকি তাদের। ওই দুই ম্যাচের একটিতে হেরে গেলেই এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি হারের রেকর্ড এককভাবে দখল করবে আফগানিস্তান।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।