বাঁধ সংস্কারে নেমেছে সেনাবাহিনী

২০ জুলাই ২০১৯, ১২:৫৯:২১

তীব্র স্রোতের কারণে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের টেপিবাড়ি নামক স্থানে বাধ ভেঙে গেছে। এর ফলে প্লাবিত হয়েছে ভূঞাপুর পৌরসভা ও ফলদা ইউনিয়নের ৭/৮ টি গ্রাম। গ্রামগুলো সাথে অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগও বন্ধ হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় তারাকান্দি-ভূঞাপুর সড়কের টেপিবাড়ির ভাঙন সংস্কারে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী। শুক্রবার (১৯ জুলাই) সকালে ভাঙ্গন পরিদর্শনে আসেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবীর বিন আনোয়ার ও ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম বিপি।

টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, গত কয়েকদিন ধরেই বাঁধটি হুমকির মুখে থাকায় সেটি মেরামত করার তৎপরতা চললেও হঠাৎ করেই রাতে বাঁধের টেপিবাড়ি অংশে ভেঙে যায়।

জেলা প্রশাসনের বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্র জানায়, যমুনা নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিপদসীমার ৯৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে টাঙ্গাইল সদর, ভূঞাপুর, গোপালপুর, কালিহাতী, নাগরপুর, দেলদুয়ার উপজেলার প্রায় ১১১টি গ্রামের তিন লক্ষাধিক মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। বন্যার পানি প্রবেশ করায় এসব এলাকার ৬৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, তীব্র স্রোতের কারণে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে বাঁধটির ভূঞাপুর পৌর এলাকার টেপিবাড়ি নামক স্থানে ভেঙে যায়। ফলে ভূঞাপুর পৌরসভা ও ফলদা ইউনিয়নের সাত/আট গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ভূঞাপুরের সঙ্গে তারাকান্দির সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।