আজ রাতেই নির্ধারণ হবে ছাত্রদলের নতুন কান্ডারী

১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৯:২৩:৫০

রাতেই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামের ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত সংগঠনটির নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বাসায়।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় ছাত্রদলের কাউন্সিলরের ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

এর আগে বিকেলে সংগঠনের নির্দেশনায় ছাত্রদলের কাউন্সিলররা ঢাকাসহ সারা দেশে থেকে নয়াপল্টনে জড়ো হন। পরে সন্ধ্যায় কাউন্সিলর ও প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন কাউন্সিলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। স্কাইপের মাধ্যমে বৈঠকে অংশ নেন ছাত্রদলের অভিভাবক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এরআগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের ৬ষ্ঠ কাউন্সিলের দিনক্ষণ ঠিক ছিলো। কিন্তু এই কাউন্সিলে বাধ সাধে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আমান উল্লাহ। ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালতে আবেদন করে। এরপ্রেক্ষিতে জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ নুসরাত জাহান কাউন্সিলে অস্থায়ী স্থগিতাদেশ দেন। কাউন্সিলের সব আয়োজন যখন সম্পন্ন ঠিক এই সময়ে কোর্টের এই আদেশ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে একধরণের শঙ্কা তৈরি হয়। পাল্টে যায় হিসাব নিকাশ।

এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের সিনিয়র নেতা ও ছাত্রদলের কাউন্সিলের দায়িত্বপ্রাপ্তসাবেক ছাত্রনেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। এসব আলোচনা থেকে বের হয়ে আসে সিদ্ধান্ত। কাউন্সিলের কৌশল পাল্টে নতুন পথে হাটতে শুরু করেন নেতারা। ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অবস্থানরত কাউন্সিলদের বৈঠক ডাকা হয়। সেখানে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নিয়ে ছাত্রদলের কাউন্সিলরা সর্বময় ক্ষমতা দিয়ে তারেক রহমানকে সংগঠনের অভিভাবকের দায়িত্ব দেয়। ওই দিন রাতে দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আবারো বৈঠক করেন তিনি। লন্ডন থেকে স্কাইপিতে সংযুক্ত থেকে তারেক রহমান আলোচনা করেন। এরপর তিনি ভিন্ন কৌশলে নেন। রাতেই ৫৩৩ কাউন্সিলকে জানিয়ে দেয়া হয় বুধবার বিকেল ৪টার মধ্যে ঢাকায় অবস্থানের। দলের নির্দেশ পেয়ে কাউন্সিলরা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে কাউন্সিলরা ঢাকায় অবস্থান নেয়।

সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, মাহমুদুল হাসান বাপ্পি, হাফিজুর রহমান, রিয়াদ মো. তানভীর রেজা রুবেল, মো. এরশাদ খান, মো. ফজলুর রহমান খোকন, এসএম সাজিদ হাসান বাবু ও এবিএম মাহমুদ আলম সরদার।

সাধারণ সম্পাদক পদে মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির, মোহাম্মদ কারিমুল হাই (নাঈম), মাজেদুল ইসলাম রুমন, ডালিয়া রহমান, মো. আমিনুর রহমান আমিন, শেখ আবু তাহের, শাহ নাওয়াজ, সাদিকুর রহমান, কে এম সাখাওয়াত হোসাইন, সিরাজুল ইসলাম, মো, ইকবাল হোসেন শ্যামল, মো. জুয়েল হাওলাদার (সাইফ মাহমুদ জুয়েল) মো. হাসান (তানজিল হাসান), মুন্সি আনিসুর রহমান, মো. মিজানুর রহমান শরিফ, শেখ মো. মশিউর রহমান রনি, মোস্তাফিজুর রহমান, সোহেল রানা ও কাজী মাজহারুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।