রাত পোহালেই হল ছেড়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আবরার

৯ অক্টোবর ২০১৯, ৯:৪০:০০

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের নৃশংস হত্যাকাণ্ড এখন দেশের সব থেকে আলোচিত বিষয়। শুধু এক ফেবু পোস্টকে কেন্দ্র করে বুয়েটের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা কিভাবে এতো অমানবিক হতে পারে-তা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে পুরো দেশের মানুষ। আটককৃত শিক্ষার্থীদের কাল রিমান্ডে নিলে বের হয়ে পুরো ঘটনা। ঘটনার বিবরণ যেন দুনিয়ার কুৎসিত নিশৃংসতাকেও হার মানায়।

আবরার হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃতরা রিমান্ডে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নানা তথ্য দিয়েছেন আটককৃত শিক্ষার্থীরা। আবরারের ওপর নির্যাতনের কথাও তারা স্বীকার করেন। আবরার হত্যা মামলায় ১৯ আসামির ১০ জন বুয়েট ছাত্রলীগের পদধারী; বাকিরা কর্মী ও সমর্থক।

জিজ্ঞাসাবাদে ছাত্রলীগের নেতারা স্বীকার করেন, নির্যাতনের মুখে রাত পোহালেই হল ছেড়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আবরার। শেরেবাংলা হলের দুটি কক্ষে দুই দফায় তার ওপর চলে নির্মম নির্যাতন। এর আগে রাত ৮টায় হলের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে আবরারকে ডেকে নেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের দুই সদস্য মুনতাসিরুল আল জেমি ও এহেতাশামুল রাব্বি তানিম। ২০১১ ও ২০০৫ নম্বর কক্ষে চালানো হয় নির্যাতন। আবরারের নিস্তেজ দেহ কক্ষে ফেলে রেখে পলাশী মোড়ে কয়েকজন খেতেও যান। রাত ২টার কিছুক্ষণ পর তার মরদেহ নিচে নামিয়ে আনেন কয়েকজন।

মেধাবী ছাত্র আবরারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের করা চুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে সমালোচনামূলক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। এজন্য তাকে ছাত্রশিবির হিসেবে সন্দেহ করা হয় এবং নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

ওই ঘটনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেলসহ ১১ নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। গত সোমবার রাতে নিহত আবরারের বাবা বরকতুল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করলে ওই রাতেই হত্যায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের গতকাল আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেককে পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া গতকাল গ্রেফতার করা হয় আরও তিনজনকে। তারা হলেন- শামসুল আরেফিন রাফাত, মনিরুজ্জামান মনির ও আকাশ হোসেন। মনির ও আকাশ এজাহারভুক্ত আসামি। রাফাতকে সন্দেহভাজন হিসেবে ধরা হয়। আবরার হত্যা মামলাটি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত করছে। এ নিয়ে এ হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হলো ১৩ জন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, আবরার হত্যার ঘটনায় ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের অল্প সময়ের মধ্যে ধরা হবে। এছাড়াও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) আবদুল বাতেন  বলেন, গ্রেফতারকৃতরা আবরারের ওপর হামলায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

আবরারকে কক্ষ থেকে ডেকে আনেন জেমি ও তানিম :আবরার শেরেবাংলা হলের নিচতলায় ১০১১ কক্ষের আবাসিক ছাত্র। গতকাল তার কয়েকজন সহপাঠী জানিয়েছেন, রোববার রাত পৌনে ৮টার মধ্যে ১৭ ব্যাচের এমই বিভাগের ছাত্র মুনতাসির আল জেমি ও একই ব্যাচের সিই বিভাগের এহতেশামুল রাব্বি তানিম তার কক্ষে যান। ওই সময়ে তারা আবরারকে বলেন, বড় ভাই রাসেল, ফুয়াদ ও রবিন তাকে দোতলায় ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকেছেন। এক পর্যায়ে ওই দু’জন আবরারকে সঙ্গে করে নিয়ে যান বলে জানিয়েছেন আবরারের কক্ষের পাশের কয়েকজন আবাসিক ছাত্র।

ছাত্রলীগের একটি সূত্র জানিয়েছে, জেমি ও তানিম বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সদস্য। এরই মধ্যে তাদের সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া দু’জনই আবরার হত্যার এজাহারভুক্ত আসামি।

ডিবি পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারাও প্রাথমিকভাবে জেনেছেন, জেমি ও তানিম নামের দুই শিক্ষার্থী আবরারকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নেন। এর মধ্যে জেমিকে গ্রেফতার করা গেলেও তানিম পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শিবির কর্মীদের নাম বলতে না পারায় মারধর: তদন্তের সঙ্গে যুক্ত এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সমকালকে জানান, ‘শিবির সন্দেহে’ আবরারকে রাত পৌনে ৮টার দিকে সকাল ও অমিত সাহার কক্ষে ধরে আনা হয়। এরপর তার মোবাইল, ল্যাপটপ সবকিছু পরীক্ষা করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। আবরার শিবির কর্মী এটা স্বীকার করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এ ছাড়া হলে আর কে কে শিবির করে এটা জানতে চাওয়া হয়। এ সময় তাকে বেদম পেটানো হচ্ছিল। আবরার জানান, আমি শিবির করি না। এমনকি কোনো শিবির কর্মী তার চেনাজানা নেই বলেও জানান। আবরারের কথায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা আরও ক্ষুব্ধ হন। দফায় দফায় রাত ১টা পর্যন্ত আরবারের ওপর চলতে থাকে অমানবিক নির্যাতন। এ সময় বারবার প্রাণে বাঁচার আকুতি জানান তিনি। তবে এতে হামলাকারীদের মন গলেনি।

জানা গেছে, প্রায়ই বুয়েটের কিছু কক্ষকে টর্চারসেল বানিয়ে সন্দেহভাজন শিবির কর্মীদের মারধর করা হয়। এরপর তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়। আবরারকেও মারধর করে পুলিশের কাছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বেদম প্রহারে তার প্রাণই চলে যায়। এর মধ্যে কয়েকজন ছিলেন মদ্যপ। ফলে তাদের স্বাভাবিক জ্ঞান ছিল না। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে গ্রেফতার কয়েকজন এই কাজে জড়িত থাকায় অনুতপ্ত বলে জানান।

তদন্ত সংশ্নিষ্টরা বলছেন, এখন পর্যন্ত তাদের কাছে থাকা তথ্য বিশ্নেষণ করে দেখা গেছে, ঘটনার সময় অমিত সাহা ক্যাম্পাসে ছিলেন না। পূজা উপলক্ষে তিনি ক্যাম্পাস ছাড়েন। তবে ক্যাম্পাসে না থাকলেও যদি তদন্তে আবরার হত্যার সঙ্গে অমিতের কোনো সংশ্নিষ্টতা পাওয়া যায় তাহলে তাকেও আসামি করা হবে।

ঘটনার পর কেন জড়িতদের অধিকাংশই পালিয়ে যাননি- এমন প্রশ্নের জবাবে রিমান্ডে থাকা আসামিরা জানান, তাদের বিশ্বাস ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের হলেই তারা বেশি নিরাপদ।

আবরার হত্যাকাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। গতকাল ওই কমিটি তাদের প্রতিবেদন দিয়েছে। এতে হত্যায় সরাসরি জড়িতদের নাম উঠে এসেছে। ওই সূত্রগুলো বলছে, আগেই ২০১১ নম্বর কক্ষে অবস্থান করছিলেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহসভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন। জেমি এবং তানিম আবরারকে ওই কক্ষে নেওয়ার পর তারা তাদের জেরা করেন। ওই সময়ে কক্ষে ঢোকেন তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. অনিক সরকারসহ কয়েকজন। তখন আবরারকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হয়। এক পর্যায়ে ‘সিনিয়র নেতারা’ তাকে শিবির আখ্যা দেন। এরপরই স্টাম্প দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি পেটানো হয়। একপর্যায়ে মারতে মারতে তাকে ২০০৫ নম্বর কক্ষে নেওয়া হয়। সেখানে কিছুক্ষণ তাকে আটকে রাখা হয়। এরপর আবার শুরু হয় নির্যাতন। আবরার চিৎকার করলে সহসভাপতি ফুয়াদ তাকে মুখ চেপে ধরেন। একপর্যায়ে আবরারকে হল ছেড়ে চলে যেতে বললে তিনি তাতে রাজি হয়েছিলেন।

ওই সূত্রটি জানায়, পুরো নির্যাতনে সক্রিয় অংশ নেন ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশররফ সকাল, উপ-দপ্তর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ, সদস্য এহতেশামুল রাব্বি তানিম, মুনতাসির আল জেমি এবং ছাত্রলীগ কর্মী ১৭তম ব্যাচের এমই বিভাগের সাদাত, একই ব্যাচ ও বিভাগের হোসেন মোহাম্মদ তোহা এবং ১৬তম ব্যাচের তানভীর আহম্মেদ। ওই সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন আরও কয়েকজন।

নির্যাতনে বড় ভূমিকা মো. অনিক সরকারের : ছাত্রলীগ সূত্র জানিয়েছে, মারধরের সময়ে বড় ভূমিকা ছিল মো. অনিক সরকারের। তিনি ঘটনার সময় মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। আবরারকে স্টাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটান তিনি। তার সঙ্গে অন্যরা যোগ দেন। ওই ঘটনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে করা তদন্ত কমিটির প্রধান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ সমকালকে বলেন, এখন পর্যন্ত তারা ১১ জনের সম্পৃক্ততা পেয়েছেন। তবে মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারে যাদের নাম রয়েছে তাদের সম্পৃক্ততা পেলে সংগঠন থেকে অবশ্যই স্থায়ী বহিস্কার করা হবে।

আবরারের নিথর দেহ বের করেন যারা : আবরারকে মারধরের দৃশ্যপট সিসিটিভিতে ধরা না পড়লেও বুয়েট শিক্ষার্থীদের হাতে কয়েক মিনিটের একটি ফুটেজ ঘুরছে। তাতে দেখা যায়, আবরারের নিথর দেহ কক্ষ থেকে বের করছেন তিনজন। তাদের পেছনে হাঁটছেন আরও অন্তত পাঁচজন। ডিবি পুলিশ ওই ফুটেজ বিশ্নেষণ করে প্রায় সবাইকে শনাক্ত করেছে। বুয়েটের শেরেবাংলা হলের শিক্ষার্থীরাও ফুটেজ দেখে তাদের শনাক্ত করেছেন। ডিবি ও শিক্ষার্থী সূত্র জানায়, আবরারকে চ্যাংদোলা করে বের করার সময় কালো গেঞ্জি পরা অবস্থায় ছিলেন মো. মোয়াজ। তিনি ১৭তম ব্যাচের সিএসই বিভাগের ছাত্র। সংগঠনে তার পদ না থাকলেও তিনি বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সদ্য বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেলের সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে। পাশে ছিলেন সদস্য মুনতাসির আল জেমি, আবরারের ঠিক পেছনে ছিলেন অপর সদস্য তানিম এবং এরপরই ঠিক পেছনে ছিলেন উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল। এর কিছুক্ষণ পরই পেছন পেছন বেরিয়ে আসেন ছাত্রলীগের সদস্য মুজাহিদুর রহমান, কর্মী ও ১৭তম ব্যাচের এমএমই বিভাগের মাজেদুল ইসলাম, ১৬ ব্যাচের এমই বিভাগের তানভীর আহম্মেদ, ১৭তম ব্যাচের এমই বিভাগের মো. মোর্শেদ এবং একই বিভাগ ও ব্যাচের হোসেন মোহাম্মদ তোহা।

অপর একটি ফুটেজে দেখা যায়, দোতলার একটি কক্ষ থেকে বেশ কয়েকজন বেরিয়ে আসছেন। শিক্ষার্থীরা তাদের মধ্যে সহসভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদকে শনাক্ত করতে পেরেছেন। তবে রাসেল বা রবিনকে ফুটেজে দেখা যায়নি। তদন্ত সংশ্নিষ্ট ডিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বুয়েট ঘটনার পর অনেক ফুটেজ ঘুরছে ফেসবুকে। নানা ফুটেজ ছড়িয়ে এগুলো বুয়েটের ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা হচ্ছে। সবকিছুই যাচাই করা হচ্ছে।

এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে হলের ভেতরে এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন ও যথাসময়ে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা না করায় হল প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আসামিদের পরিচয় :আবরারের বাবার দায়ের করা মামলায় ১৯ আসামির মধ্যে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেলকে। তিনি ১৩ ব্যাচের সিই বিভাগের ছাত্র। এর পরের আসামিদের মধ্যে ১৪তম ব্যাচের সিই বিভাগের ছাত্র ও সহসভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, ১৫তম ব্যাচের ছাত্র এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. অনিক সরকার, একই ব্যাচের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ও ১৬ ব্যাচের ইফতি মোশাররফ সকাল, সাহিত্য সম্পাদক ও একই ব্যাচের মনিরুজ্জামান মনির, ক্রীড়া সম্পাদক ও ১৫ ব্যাচের মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, ১৭তম ব্যাচের মাজেদুল ইসলাম, ছাত্রলীগের সদস্য ও ১৬তম ব্যাচের মুজাহিদুর রহমান, একই ব্যাচের ছাত্র তানভীর আহম্মেদ, ১৭তম ব্যাচের হোসেন মোহাম্মদ তোহা, ১৬ ব্যাচের মো. জিসান, একই ব্যাচের মো. আকাশ, ১৭ ব্যাচের শামীম বিল্লাহ ও মো. সাদাত, ছাত্রলীগ সদস্য এহতেশামুল রাব্বি তানিম, ১৭ ব্যাচের মো. মোর্শেদ ও একই ব্যাচের মো. মোয়াজ এবং ছাত্রলীগ সদস্য ও ১৭ ব্যাচের ছাত্র মুনতাসির আল জেমি। মামলার সব আসামিই শেরেবাংলা হলের বিভিন্ন তলার আবাসিক ছাত্র। তাদের মধ্যে মাজেদুল, তানভীর, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, জিসান, আকাশ, শামীম, সাদাত, মোর্শেদ ও মোয়াজ ছাত্রলীগের কোনো পদে রয়েছেন কি-না তা জানা যায়নি। তবে শেরেবাংলা হলের একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, সক্রিয় কর্মী হিসেবে তারা নিয়মিত ছাত্রলীগের মিছিল-মিটিংয়ে যান এবং সবাই সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেলের কর্মী।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।