‘আবরারের মৃত্যুতে বড় নেতার ইন্ধন রয়েছে’

৯ অক্টোবর ২০১৯, ১২:৩০:০৮

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরারের হত্যাকে পূর্ব পরিকল্পিত হত্যা বলে অভিযোগ করেছেন তার চাচা মিজানুর রহমান। হত্যায় ক্ষমতাসীন দলের ‘বড় নেতার’ নির্দেশ ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। আবরার হত্যাকাণ্ডে ক্ষমতাসীন দলের বড় কোনো নেতার নির্দেশ আছে বলে অভিযোগ করেন তার চাচা মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় কোনো নেতার ইন্ধন রয়েছে। কেননা দুই একজন নয়, সেখানে ১৫ জনেরও বেশি ছেলে হত্যায় অংশ নিয়েছে। পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া এতজন কাউকে মারতে পারে না। হাইকমান্ডের নির্দেশেই এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে।’ তবে বড় নেতা কে সেটি তিনি স্পষ্ট করেননি।

মৃত্যুর আগে আবরার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেই স্ট্যাটাসে সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সাক্ষরিত একটি চুক্তির সমালোচনা করেন। এই স্ট্যাটাস দেখে অনেকে প্রচার চালান যে, আববার শিবির সমর্থক ছিলেন। যার জের ধরেই তাকে পিটিয়ে মারা হয়। আবরারের চাচা মিজানুর রহমান বলেন, ‘সে শিবিরের কর্মী, এমন কথা রটাচ্ছে সবাই। এটা বানোয়াট, আমরা সবাই আওয়ামী লীগের সমর্থক। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল হানিফ সাহেবের বাড়ির পাশে আমাদের বাড়ি। আমরা হানিফ সাহেবের বিভিন্ন মিটিং মিছিলে অংশ নেই।’ আবরারের চাচা জানান, তার ভাতিজা তাবলিগ জামাতে যেতেন। বুয়েটে ভর্তির পর দুই-তিনবার তিনি তাবলিগে গিয়েছিলেন। আবরারের হত্যাকে পূর্বপরিকল্পিত আখ্যা দিয়ে তার বাবা বরকতউল্লাহ বলেন, ‘এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। যে ছেলেটা বিকাল ৫টায় ঢাকায় পৌঁছাল, তাকে ৮টার দিকে নির্যাতন করার জন্য ডেকে নিয়ে গেল। ছয় ঘণ্টা ধরে নির্যাতন চালাল- এটা অবশ্যই পরিকল্পিত।’ প্রসঙ্গত রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একতলা থেকে দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মাঝ থেকে আবরারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়, ওই রাতেই ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরারকে ডেকে নিয়ে পেটান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।