রেহাই পেল না আবরারের ভাবীও!

১০ অক্টোবর ২০১৯, ৮:৫০:৫৮

বুয়েট নিহত ছাত্র আবরার ফাহাদের বাড়িতে দেখা করতে আসেন তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। কিন্তু গ্রামবাসীর বাধার মুখে আবরারের বাড়ির সামনে থেকেই ফিরে যেতে হয় উপাচার্যকে। এ সময় গ্রামবাসীর সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের পিটুনিতে আবরারের ভাবিসহ তিনজন আহত হন।

বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে এলাকাবাসীর বাধার মুখে ভিসির গাড়িবহর চলে যাওয়ার পর গ্রামবাসীর ওপর পুলিশ হামলা করে। এসময় আবরারের মামাতো ভাবি তমাকে পিটিয়ে আহত করেছে বলে অভিযোগ করে আবরারের পরিবার। এরপর কয়েক ঘণ্টা বিক্ষোভ করেন গ্রামবাসী। পরে আবরারের ভাবিকে কুমারখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মারধর করা প্রসঙ্গে আবরারের ছোটভাই ফায়াজ বলেন, ‘আজ এখানে আমার ভাবি ছিলেন, তাঁকেও পুলিশ দিয়ে বেধড়ক মারা হয়েছে। তাঁর কাপড়-চোপড় টেনে তাঁর শ্লীলতাহানি পর্যন্ত করা হয়েছে। এটা বাংলাদেশের কোন ধরনের পুলিশ?

আবরারের আরেক নিকটাত্মীয় তমা খাতুন বলেন, ‘আবরারকে যেভাবে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে, আমাদেরও সেভাবে আজ গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে আবরারের গ্রামে। আবরারের এক ভাবিকে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে। তাঁর গায়ের কাপড়চোপড়, ওড়না পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আজ ভিসি সাহেব আসলেন, উনার একটা জীবন রক্ষার জন্য প্রশাসনের এত রক্ষক আসলো। আর আমাদের হাজার হাজার ছেলে-মেয়ের জীবন রক্ষার জন্য কয়টা রক্ষক আছে?’

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।