প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে স্বামীকে ঢুকতে বাধা, মুখ খুললেন নুসরাত!

২৩ মে ২০২০, ১০:৩৩:৪৩

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশাসনিক বৈঠকে স্বামী নিখিল জৈনকে নিয়ে ঢুকতে পারেননি স্থানীয় সাংসদ নুসরত জাহান। ক্ষুব্ধ হয়ে সেখান থেকে চলে যান তিনি। এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিলেন নুসরত জাহান। তবে সরাসরি সংবাদ মাধ্যমকে এ ব্যাপারে কিছু বলেননি তিনি। ঘটনাটি নিয়ে জানতে চাওয়া হলে নুসরত বলেন, ‘আমি এখন বসিরহাটে আমপান ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে এসছি। আমি বিভিন্ন জায়গার শেল্টার হোমে গিয়ে মানুষের সঙ্গে দেখা করছি। প্রধানমন্ত্রী আর মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক মিটিং ছিল বসিরহাট কলেজে। ওঁদের মন্ত্রীদের সঙ্গে। আমি আমার পার্টির সহকর্মীদের সঙ্গে ওখানে ছিলাম। আমি পরের সপ্তাহে সন্দেশখালি আর হিংগলগঞ্জের অঞ্চলে যাব। প্রচুর ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। আমি বসিরহাটের মানুষের সঙ্গে সব সময় আছি।’

এদিন প্রথমে বসিরহাটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশাসনিক বৈঠকে স্বামী নিখিল জৈনকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন নুসরত। স্বামী ছাড়াও দুই আপ্তসহায়কও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু বসিরহাট কলেজে ঢোকার মুখে নুসরতকে প্রথমে বাধা দেওয়া হয়। তবে তিনি নিজের সাংসদ পরিচয় দেওয়ার পর প্রবেশের অনুমতি পান বলে জানা যায়। তাঁর সঙ্গে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন নিখিলও। কিন্তু নুসরতের স্বামী ও দুই আপ্তসহায়ককে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। এসপিজির তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, সাংসদকে একাই ঢুকতে হবে বৈঠকে। তাঁর সঙ্গে কেউ ভিতরে যেতে পারবেন না। সেকথা শুনে রেগে গিয়ে বচসায় জড়ান নুসরত। কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি। নিখিল জৈন ভিতরে ঢুকতে না পারায় সেখান থেকে বেরিয়ে যান স্থানীয় তৃণমূল সাংসদ। সেখান থেকেই ত্রাণ শিবিরে দিতে যান নুসরত। এ খবর দিয়েছে কলকাতা ২৪।

ঘূর্ণিঝড় আমফানে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে উত্তর ২৪ পরগণার বসিরহাট। এখনও পর্যন্ত সেখানে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। এদিন স্বামী নিখিল জৈনকে নিয়ে আমফান বিধ্বস্ত বসিরহাটে ত্রাণ বিতরণ করেছেন স্থানীয় সাংসদ নুসরত জাহান। হারোয়া ও মিনাখার ত্রাণ শিবিরে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী দেন তিনি। ত্রাণ শিবিরে গিয়ে সকলকে মাস্ক পরতে বলেন। আর মাস্ক না থাকলে গামছা বা কাপড় বাঁধতে বলেন তিনি।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।