কুমিল্লার ব্যবসায়ী মতিনের ঘাতকের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানবন্ধন

১২ জুলাই ২০২০, ৪:২২:১২

কুমিল্লা নগরীর চকবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ও বৃহত্তর সংরাইশ টিক্কাচর সমাজ কল্যাণ পরিষদ এর সর্দার আব্দুল মতিনের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন করেছে মতিনের পরিবার ও এলাকাবাসী। এজাহারে ১৪জনের নাম উল্লেখ থাকলেও ৩জন গ্রেফতার হওয়ায় আতঙ্কে দিন কাটছে মতিনের পরিবারের সদস্যদের। আসামীরা নানা সময় হুমকী ধুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন নিহতের সন্তান মোঃ শামীম উদ্দিনসহ পরিবারের সদস্যরা। রোববার (১২ জুলাই) সকালে ১৬ নং ওয়ার্ডে নিহতের বাড়ির সামনে মানববন্ধনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন নিহতের পরিবার।

এলাকাবাসী ও নিহতের সন্তান মোঃ শামীম উদ্দিন জানান, গত ২৯ মার্চ এলঅকার মাদক ব্যবসায়ি ও সন্ত্রাসী আল আমিন বাহিনী আমাদের উপর দা ছেনি ও লাঠি ও চাপাতি নিয়ে হামলা করে। এ সময় আমার বাবা গুরুতর আহত হয়। ৩০ মার্চ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমার বাবা আব্দুল মতিন মারা যান। আমার বাবা ৪০ বছর ধরে সমাজের উন্নয়নমূলক কাজ করে আসছিলেন। কিন্তু মাদক ব্যবসায়ি, চাদাঁবাজ ও সন্ত্রাসীরা আমার বাবার কর্মকান্ডকে ভালো চোখে নেয়নি। এলাকায় গত ৭/৮ বছরে কয়েকজন গডফাদারের নেতৃত্বে একাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে উঠে। ২০০৩ সালে সংরাইশে প্রকাশ্যে মহিন হত্যান মধ্য দিয়ে জনু ও তার বাহিনীর সন্ত্রাসী রাজত্বের যাত্রা শুরু হয়। ২০১১ সালের সিটি নির্বাচনের পর জনু বাহিনীর তান্ডবলীলা ও সহিংসতা আরো বেড়ে যায়। ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মহিনের চাচা শহীদকে প্রকাশ্যে হত্যা করে। জনু গ্রেফতার হয়। এরপর শুরু হয় জনুর সেকেন্ড ইন কমান্ড আল আমিন বাহিনীর তান্ডবলীলা। তারা মাদক ব্যবসা, চাদাঁবাজি, ডাকাতি ও অস্ত্র ব্যবসাসহ নানা অপকর্ম শুরু করে। তারাই কারোর নির্দেশে আমার বাবাকে হত্যা করে। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ ১০/১২টি মামলা চলমান রয়েছে। সেই মদদদাতারা কারা গত ২৯ মার্চ থেকে তাদের মোবাইল ট্র্যাকিং করলে তাদের সন্ধান পাওয়া যাবে। খুনি পরিবার ও খুনীরা মিডিয়াকে ধোকা দিয়ে কুমিল্লা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে, তা দু:খজনক। আমার বাবার হত্যাকারিদের বাচাঁনোর জন্য খুনিরা আমার জেঠাতো ভাই আক্তার ও আরো অন্যান্য সম্মানিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমার বাবার হত্যার ঘটনায় জড়িত ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। তাই পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি বাকি ১১ জন আসামিও গ্রেফতার হবে। সকল ঘাতকদের অচিরেই গ্রেফতার করে ফাঁসি করার কার্যকর করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিহতের সন্তান মোঃ শামীম উদ্দিন, ফারুক, আব্দুল হালিম, ভাবী হাসু ও ভাবি রেনু।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।