‘সহস্রাধিক তরুণীকে দুবাই নিয়ে দেহব্যবসা করায় আজম’

১২ জুলাই ২০২০, ৫:৪৫:১২

দুবাই ড্যান্স ক্লাবে আন্তর্জাতিক নারী পাচারকারী চক্রের হোতা মোহাম্মদ আজম খান এবং তার দুই সহযোগী আনোয়ার হোসেন ময়না ও আলামিন হোসেন ওরফে ডায়মন্ডকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে সিআইডির অরগানাইজড ক্রাইম শাখার একটি টিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে রাজধানী থেকে তাদের গ্রেফতার করে। সিআইডির অরগানাইজড ক্রাইম শাখার ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয় সংবাদ সম্মেলন এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, আজম খান গত আট বছর ধরে বাংলাদেশ থেকে অল্প বয়সী তরুণীদের দুবাইয়ের হোটেলে মোটা অঙ্কের বেতনে কাজের লোভ দেখিয়ে নিয়ে যেত। জানা গেছে, দুবাইয়ে আজম খানের চারটি হোটেল রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি চার তারকা হোটেল ও একটি তিন তারকা হোটেল। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আজম খান জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে যে, সে ওই সব হোটেলে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে সহস্রাধিক তরুণীকে নিয়ে দেহব্যবসায় বাধ্য করেছে। ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, এই চক্রের বাংলাদেশে অন্তত ৫০ জন রয়েছে যারা বিভিন্ন এলাকা থেকে তরুণীদের সংগ্রহ করত।

সম্প্রতি দুবাই পুলিশ আজম খানের ব্যাপারে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ দূতাবাসে জানায়। দেশটি তার পাসপোর্ট বাতিল করে দেয়। একটি এক্সিট পাস নিয়ে আজম বাংলাদেশে চলে আসেন। তার পর থেকে আত্মগোপনে যান। ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, অল্প বয়সী তরুণীদের হোটেলে ৫০ হাজার টাকা বেতনে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিনাখরচে তাদের দুবাই নিয়ে যেত আজম খান। এ ক্ষেত্রে তরুণীদের অগ্রিম ২০-৩০ হাজার টাকা দিয়ে দিত। দুবাই যাওয়ার পর প্রথমে তাদের ড্যান্স বারে নাচতে বাধ্য করত আজম খান। পরে জোর করে দেহব্যবসা করাত।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।