ভারতে আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে করোনা

২ আগস্ট ২০২০, ৭:০২:১৭

ভারতে যে হারে প্রতিদিন করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে, তাতে আতঙ্কে রয়েছে দেশটির আমজনতা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আরও অর্ধলক্ষাধিক মানুষের দেহে ভাইরাইসটি চিহ্নিত হয়েছে। এতে করে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ১৭ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃত্যু হয়েছে ৩৭ হাজার মানুষের। তবে, পূ্র্বের তুলনায় বেড়েছে সুস্থতাও। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, দেশটিতে নতুন করে একদিনে সর্বোচ্চ ৫৭ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, যা আগের সব রেকর্ডকে ভেঙে দিয়েছে। এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ লাখ ৫০ হাজার ৭২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। যার ষাট শতাংশই তিন রাজ্যের (মহারাষ্ট্র, দিল্লি ও তামিলনাড়ু)।

অন্যদিকে, গত একদিনে প্রাণহানি ঘটেছে ৮৫৩ জনের। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৩৬৪ জনের মৃত্যু হলো করোনায়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৯০ লাখের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে সর্বাধিক সংক্রমণ ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। তারপরেই তামিলনাড়ু, দিল্লি, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক এবং তেলেঙ্গানা। এদিকে, বিশ্ব তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিলের পরে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ করোনাক্রান্ত দেশ হলো ভারত। ভারতে যে হারে প্রতিদিন করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে, তা আমেরিকার পরেই। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আরও অর্ধলক্ষাধিক মানুষের দেহে ভাইরাইসটি চিহ্নিত হয়েছে। এতে করে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ১৭ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃত্যু হয়েছে ৩৭ হাজার মানুষের। তবে, পূ্র্বের তুলনায় বেড়েছে সুস্থতাও। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪ হাজার ৭৩৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ লাখ ৫০ হাজার ৭২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। যার ষাট শতাংশই তিন রাজ্যের (মহারাষ্ট্র, দিল্লি ও তামিলনাড়ু)। অন্যদিকে, গত একদিনে প্রাণহানি ঘটেছে ৮৫৩ জনের। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৩৬৪ জনের মৃত্যু হলো করোনায়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৯০ লাখের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে সর্বাধিক সংক্রমণ ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। তারপরেই তামিলনাড়ু, দিল্লি, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক এবং তেলেঙ্গানা। এদিকে, বিশ্ব তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিলের পরে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ করোনাক্রান্ত দেশ হলো ভারত।

এদিকে মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৩১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার মানুষের। রাজধানী দিল্লিতে করোনার থাবায় প্রাণ গেছে ৩ হাজার ৯৬৩ জনের। আর ভুক্তভোগীর সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৭১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে সেখানে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে করোনার দাপট। তামিলনাড়ুতে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৫১ হাজার ৭৩৮ জনের শরীরে ভাইরাসটির সংক্রমণ পাওয়া গেছে। যেখানে প্রাণহানি ঘটেছে ৩ হাজার ৯৩৫ জনের। সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতে প্রথমদিকে সামাজিক দূরত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন লকডাউনের কড়াকড়ি নেই। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ায় বাজার-হাট, গণপরিবহনে বেড়েছে লোকের ভিড়। বেড়েছে একে অপরের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাও। তাই, প্রতিদিনই আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।