ধুনটে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণে কৃষকের আবাদ অনিশ্চিত

১২ আগস্ট ২০২০, ১১:৩২:১১

আব্দুল ওয়াদুদ, শেরপুর (বগুড়া) থেকে: বগুড়ার ধুনট উপজেলায় বিলকাজলী গ্রামের কাজলী বিলের মাঝে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মান করে মাছ চাষ করায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে করে ওই বিল এলাকার চারটি গ্রামের প্রায় এক হাজার বিঘা জমির চাষাবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে বাঁধ অপসারণ করে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার (ইউএনও) নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী জমি মালিকেরা। এর আগে জলাবদ্ধতার শিকার জমি মালিকেরা উক্ত বাঁধ অপসারনের দাবীতে একটি মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। মানববন্ধন কর্মসূচীতে ইউপি চেয়ারম্যান লাল মিয়া, ইউপি সদস্য প্রফুল্ল চন্দ্র সরকার, স্থানীয় মাতব্বর ও জমি মালিক আজিজুল হক, আমিনূল হক, মাহিনূর ইসলাম ও আবুল হোসেনসহ কয়েকশ জমি মালিক অংশ নেন।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিলকাজলী, মাঠপাড়া, চালাপাড়া ও পেঁচীবাড়ি গ্রামের মাঝে ফসলের মাঠের নি¤œাঞ্চলটি কাজলি বিল নামে পরিচিত। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারনে বিলের নিচু অঞ্চলের জমিগুলো জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বিলটি প্রশস্ত হওয়ায় এবং পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা থাকায় অল্প দিনেই জমিগুলো ফসল চাষের উপযোগী হয়।

কিন্তু প্রায় এক বছর আগে বিলকাজলী গ্রামের হাকিম আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম ও রহমত আলী এবং চালাপাড়া গ্রামের আব্দুল মন্ডলের ছেলে আজিজার রহমান মন্ডল ও হারেজ আলী মন্ডল বিলের মাঝে বাঁধ নির্মান করে মাছ চাষ শুরু করেছে। বিলের মাঝে বাঁধ নির্মান করায় বৃষ্টির পানি আটকে গিয়ে বাঁধের উজানের প্রায় এক হাজার বিঘা জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চলতি মৌসুমে ওইসব জমিগুলো চাষাবাদের অনুযোগী হয়ে পড়েছে।

অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণকারীদের পক্ষে রহমত আলী জানান, তার জমি বেশী নিচু হওয়ায় সেখানে আবাদ করা সম্ভব হয় না। সেকারনে এক পাশ ফাঁকা রেখে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ শুরু করেছেন। তারপরও যদি সমস্যা হয় তবে বাঁধ অপরাসণ করে দেয়া হবে।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, কৃষকদের অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।