রাণীশংকৈলে পেঁয়াজের কেজি ৯০ টাকা!

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৫:২৩:০৩

ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলা এলাকায় খুচরা বিক্রেতারা প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৯০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। কিছুদিন আগেও বাজারে পেঁয়াজ সংকট দেখিয়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকায় কেজি বিক্রি করলেও বর্তমানে কেজিতে ১০ টাকা করে বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার রানীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ বাজার, গোগর বাজার, ভরনিয়া বাজার ও কাউন্সিল বাজার এবং পৌর শহরের শিবদিঘী বাজার, শান্তিপুর বাজার বন্দর গুদরি বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পেঁয়াজ সর্বনিম্ন ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কোনো বাজারে আবার কিছু খুচরা ব্যবসায়ী সুযোগ বুঝে ১০০ টাকা পর্যন্ত কেজি প্রতি দাম রাখছে পেঁয়াজের।

তবে উপজেলা প্রশাসন বলছে বাজারে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। প্রশাসনের এমন নির্দেশনা থাকলেও হারহামেশায় পেঁয়াজ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার পেঁয়াজের অতিরিক্ত দামের বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রীতম সাহা বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে। পেঁয়াজের দাম বেশি নেয়ার কোনো সুযোগ নেই।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খুচরা বিক্রেতা যদি বেশি দামে পেঁয়াজ কিনে বেশি দামে বিক্রি করে, সেক্ষেত্রে তাদের পেঁয়াজ বেশি দামে কেনার প্রকৃত রশিদ দেখাতে হবে। দোকানের সামনে প্রতিদিনের মূল্য তালিকা টাঙাতে হবে। নয়তো তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অন্যদিকে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আমরা স্থানীয় আড়ৎদারদের কাছে পেঁয়াজ নিয়ে খচুরা বিক্রি করি। তারা যখন যা দাম ধরে তা থেকে কেজি প্রতি সামান্য মুনাফা নিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করছি। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।

ভরনিয়া বাজারের কাচাঁমাল বিক্রেতা আব্বাস আলী ও শিবদিঘীর রাজু গোগরের রাজিব বলেন, স্থানীয় পাইকারদের নিকট বর্তমানে আমরা ৮৫ টাকা কেজি দরে পাইকারি কিনে পাঁচ টাকা মুনাফা রেখে ৯০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছি। তবে তারা ৮৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ দিলেও কোনো রশিদ আমাদের দিচ্ছে না।

তবে স্থানীয় আড়ৎদাররা বলছেন, ঠাকুরগাঁও জেলা আড়ৎ থেকে পেঁয়াজ নিয়ে আসি। তারা যা দাম ধরে তা থেকে দুই তিন টাকা মুনাফা রেখে আমরা স্থানীয় খুচরা পাইকারদের কাছে বিক্রি করি।

স্থানীয় আড়ৎদার নূর আলম বলেন, আমি ঠাকুরগাঁও সেলিম আড়ৎ থেকে ১২ বস্তা পেঁয়াজ ৮০ টাকা দরে কিনেছি। সেখান থেকে নিয়ে আসার খরচসহ অন্যান্য খরচ মিলে কেজি প্রতি ৮২ টাকা পরে যায়। সেই পেঁয়াজ আমি স্থানীয় খুচরা বিক্রেতাদের কাছে কেজি প্রতি ৮৫ টাকায় বিক্রি করি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এলসি পেঁয়াজ বাজারে নেই। যা আছে তা দেশি পেঁয়াজ। এছাড়াও তার কাছে পেঁয়াজ বেশি দামে কেনার রশিদ কাগজ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

 

 

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।