বিদেশে ডাক্তারি পড়তে গিয়ে ঋণে জর্জরিত যুবক

১৬ আগস্ট ২০২২, ৩:০৭:১৪

বিদেশে ডাক্তারি পড়তে গিয়ে ঋণের দায়ে জর্জরিত সম্যক নামের এক যুবক। তাঁর পরিবারের দাবি, ওই তরুণ সহায় সম্বলহীন হয়ে বিদেশের পথে পথে ঘুরছেন। তাঁকে বাড়ি ফেরানোর জন্য প্রশাসনের দ্বারস্থ ওই তরুণের বাবা-মা। ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরের এক তরুণের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে জানা যায়।

ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সোদপুরের পানিহাটি পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সনৎকুমার চৌধুরী এবং কাকলি চৌধুরী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রোডের নীহারিকা আবাসনের ওই দম্পতির একমাত্র সন্তান সম্যক। সনতের দাবি, দিল্লি থেকে এমএসসি করার পর ডাক্তারি পড়তে জর্জিয়া গিয়েছিয়েছিলেন তাঁর ছেলে। সম্প্রতি তিনি ডাক্তারি পাশও করেন।

সনৎকুমার জানান, গত জুলাই মাসে আমার ছেলে ডাক্তারি পাশ করেছে। কিন্তু ওই সময় তাকে কুকুর কামড়ায়। শারীরিক ভাবে অসুস্থও হয়ে পড়ে। সেই সময় ওখানকার বন্ধুবান্ধবদের থেকে ঋণ নিয়েছিল। আমরাও সেই সময় এতটা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ি যে, ওকে টাকা পাঠাতে পারিনি। কিন্তু আমার ছেলে ঋণ শোধ করতে না পারায় তার জিনিসপত্র ঘরে আটকে রেখে তাকে ভাড়া বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। সে এই মুহূর্তে বাইরে বাইরে ঘুরছে। এই আগস্টেই তার ভিসার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। একমাত্র সন্তানের এমন দুরবস্থার কথা শুনে আতঙ্কে রয়েছেন সনৎ-কাকলি।

সম্যকের বাবা বলেন, বন্ধু-বান্ধব এবং অনেকে আমার ছেলেকে ফেসবুকে ঠাট্টা, মশকারা করছে। এটা তার কাছে দুঃসহ হয়ে গিয়েছে। আমাদের কাছে ছেলে বলেছে, তার আর বাঁচার ইচ্ছা নেই। কিন্তু আমরা মা-বাবা! আমাদের তো মন মানে না। সনৎ আরও বলেন, আমরা গোটা বিষয়টি জানিয়ে পুলিশ এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। মহকুমাশাসকের দফতর থেকে উদ্যোগ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। আশা করা যায়, ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শরণাপন্ন হওয়ার কথাও জানিয়েছেন সনৎ।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।