প্রচ্ছদ / সারাবিশ্ব / বিস্তারিত

থাইল্যান্ডে পর্যটকদের জন্য চালু হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদি ভিসা

   
প্রকাশিত: ৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি: আকাশ ইসলাম

থাইল্যান্ড বা তাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। এর সরকারি নাম তাইরাজ্য । এর বৃহত্তম শহর ও রাজধানীর নাম ব্যাংকক। ভ্রমন পিপাষুদের জন্য থাইল্যান্ড অন্যতম একটি স্বর্গরাজ্য বলে বলা হয়।

বিশ্বজুড়ে করোনার প্রভাবে বন্ধ ছিল থাইল্যান্ড ভ্রমন। তবে এবার পর্যটকদের জন্য সুখবর দিয়েছে দেশটির মন্ত্রীসভা।

দেশটির মন্ত্রীসভা পর্যটকদের জন্য ২৭০ দিনের ভিসার অনুমোদন দিয়েছে। করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল থাইল্যান্ডের পর্যটন। তবে এবার থাই সরকার আবারো খুলে দিতে চাইছে এই খাত। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

থাইল্যান্ডের অফিশিয়াল ট্যুরিজম অথরিটি (ট্যাট) এর গভর্নর যুথাসক সুপাসর্ন রয়টার্সকে বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য, নিম্ন-ঝুঁকিপূর্ণ বা ঝুঁকিহীন দেশগুলির বিদেশী দর্শকদের আগামী মাস থেকে এই দেশে আসতে দেওয়া হবে।

খবরে জানানো হয়, থাইল্যান্ডের অর্থনীতিতে পর্যটনের ভূমিকা ব্যাপক। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছিল দেশের অর্থনীতি। এবার অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তাই বিদেশি পর্যটকদের থাইল্যান্ডে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে।

একইসঙ্গে যেসব পর্যটক দীর্ঘদিন দেশটিতে অবস্থান করতে চান তাদের জন্যও দীর্ঘমেয়াদি ভিসার অনুমোদন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে থাই মন্ত্রীসভা। এতে বলা হয়েছে, পর্যটকরা ৯০ দিন করে মোট ৩ বার ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবে। এ জন্য প্রতিবার খরচ হবে মাত্র ৬৪ ডলার বা সাড়ে ৫ হাজার টাকা। তবে প্রথমদিকে শুধুমাত্র কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকেই পর্যটক আসতে পারবেন। দেশটির পর্যটন কর্তৃপক্ষের প্রধান ইউথাসাক সুপাসর্ন বলেন, আমি চাই যত দ্রুত এই সুযোগ খুলে যাক। অক্টোবর থেকেই বিদেশিদের ভিসার সুযোগ চালু হচ্ছে।

করোনা ভাইরাস মহামারির একদম প্রথম দিকেই থাইল্যান্ডে ছড়িয়ে পড়েছিল এ ভাইরাস। তবে দেশটির সরকার এর সংক্রমণ রোধে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়। এরমধ্যে রয়েছে বিদেশীদের জন্য থাইল্যান্ড সফর নিষিদ্ধ ঘোষণা। যেসব থাই নাগরিক বিদেশে ছিলেন তাদেরকেও দেশে এনে বাধ্যতামূলক ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছিল।

এআইআ/এইচি

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: