
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক থেকে ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। ৯ ঘণ্টা গণনার পর শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা পাওয়া যায়। এখনও টাকা গণনার কাজ চলছে।
চার মাস ১৮ দিন পর মসজিদের ১৩টি দান সিন্দুক খোলা হয়। এতে ৩২ বস্তা টাকা, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়। শনিবার সকাল সোয়া ৭টা থেকে সিন্দুক খুলে মসজিদের দ্বিতীয় তলার মেঝেতে রেখে গণনার কাজ শুরু হয়।
রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ আলী হারেছী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গণনায় ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে দুপুরে সাড়ে ৮ কোটি টাকা মসজিদের অ্যাকাউন্ট রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখায় জমা করা হয়েছে। এখনও গণনার কাজ চলছে। এতে প্রায় ৫০০ জনের একটি দল অংশ নিয়েছে।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী এবং জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলীসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।
এর আগে, গত ১২ এপ্রিল কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১১টি দানবাক্স থেকে রেকর্ড ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। এছাড়াও বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়। ঐতিহাসিক এই মসজিদের দানবাক্সে একসঙ্গে এত টাকা পাওয়াটা তখন নতুন রেকর্ড ছিল। এবার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মসজিদটিতে নিয়মিত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অসংখ্য মানুষ।
সর্বশেষ খবর