• ঢাকা
  • ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে
সম্পাদনা: মুনতাসীর মামুন
সাব এডিটর
প্রকাশিত : ০৮ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:৩২ সকাল
জবানবন্দিতে কনস্টেবল

আশুলিয়া থানার ভ্যানভর্তি লাশগুলো পুলিশের গাড়িতে তুলে পুড়িয়ে দিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে আশুলিয়ায় ছয়জনের লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১২তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন কনস্টেবল রাশেদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বেলা ১১টা ১০ মিনিটে আদালতকক্ষে আসেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে বিচারিক প্যানেল। এরপর সাক্ষীর ডায়াসে ওঠেন কনস্টেবল রাশেদুল। প্রথমেই তিনি দেন নিজের পরিচয়।

জবানবন্দিতে রাশেদুল বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট আশুলিয়া থানায় চালক (কনস্টেবল) হিসেবে কর্মরত ছিলাম। ওই দিন আমার কোনো ডিউটি ছিল না। থানা ভবনের চতুর্থ তলায় অবস্থান করছিলাম। বিকাল চারটা কি সাড়ে চারটায় হঠাৎ গুলির শব্দ শুনতে পাই। ওই সময় থানা ভবনের জানালা দিয়ে দেখি নিচে লোকজনের হইচই। সেখানে থাকা নিরাপদ না মনে করে নিচে নেমে আসি।

তিনি আরও বলেন, নিচে নামার পর থানার মূল ফটকের বাঁ দিকে রাস্তার ওপর একটি ভ্যানে লাশের স্তুপ দেখতে পাই। আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি সায়েদ স্যার বলেন, রাশেদ আপনার হাত খালি আছে, লাশগুলো ঢেকে দেন। তখন পাশে থাকা নীল রঙের ব্যানার দিয়ে লাশগুলো আমি ঢেকে দেই। ওই সময় ওসি সায়েদ স্যারের সঙ্গে ওসি (তদন্ত) মাসুদুর রহমান, ওসি (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস, এএসআই বিশ্বজিৎ, কনস্টেবল মুকুল চোকদার, ডিবি ইন্সপেক্টর আরাফাত ছিলেন।

এই সাক্ষী আরও বলেন, লাশগুলো ঢাকার পর থানার পশ্চিম পাশে আটতলা একটি ভবনের নিচে এক ঘণ্টা ধরে অবস্থান নেই। ওই ভবনের নিচতলার একটি ছেলেকে (যার বাড়ি জামালপুর) একটি পাঞ্জাবি ও টুপি দিতে আমি অনুরোধ করি।

পরে পাঞ্জাবি ও টুপি পরে কাইচা বাড়ি রোড হয়ে জামগড়া রূপায়নে বন্ধুর বাসায় গিয়ে উঠি। এরপর শুনতে পাই আশুলিয়া থানার ভ্যানভর্তি লাশগুলো পুলিশের গাড়িতে তুলে পুড়িয়ে দিয়েছে। যারা এ কাজ করেছে তারা অমানবিক কাজ করেছে।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাকে জেরা করেন পলাতক আট আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ও গ্রেফতার আসামিদের আইনজীবীরা। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ ও সাইমুম রেজা তালুকদার। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর তারেক আবদুল্লাহ, সুলতান মাহমুদসহ অন্যরা।

এ নিয়ে এ মামলায় মোট ১২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামীকাল বুধবার (৮ অক্টোবর) দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল-২।

এ মামলায় স্থানীয় সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে আটজনই রয়েছেন পলাতক। আজ গ্রেপ্তার আটজনকে আজও ট্রাইব্যুনালে হাজির করেছে পুলিশ। 

তারা হলেন- ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, পরিদর্শক আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, আবজাল ও কনস্টেবল মুকুল। তবে সাবেক এমপি সাইফুলসহ আটজন এখনও পলাতক রয়েছেন।

মুনতাসির/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ info@bd24live.com
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ office.bd24live@gmail.com