• ঢাকা
  • ঢাকা, শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • শেষ আপডেট ৫ মিনিট পূর্বে
হারুন অর রশিদ
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, ০৩:২১ দুপুর

পঞ্চগড় মুক্ত দিবস: মুক্তিযুদ্ধে পঞ্চগড়ের গৌরবময় ইতিহাস স্মরণ

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

২৯ নভেম্বর পঞ্চগড় মুক্ত দিবস। দিনটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পঞ্চগড়ে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে। সকালে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে বধ্যভূমি স্মৃতি ফলকে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে পুনরায় শ্রদ্ধাঞ্জলির পর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কাজী মোঃ সায়েমুজ্জামান বলেন, পঞ্চগড়ের মুক্ত দিবস আমাদের গৌরবের ইতিহাস। এই মাটির মানুষ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধকে অন্তরে ধারণ করে বিজয়ের পথ সুগম করেছিলেন। নতুন প্রজন্মকে এই ইতিহাস জানতে হবে, মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগকে শ্রদ্ধা করতে হবে। প্রশাসন সর্বদা মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ রক্ষা ও উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে সবাইকে দেশপ্রেম, সততা ও দায়িত্বশীলতার সাথে নিজের অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে হবে।

এছাড়া বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়খুল ইসলাম, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক পসিকিউটর অ্যাডভোকেট আদম সুফি, জিপি আব্দুল বারী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী।

বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আলাউদ্দিন প্রধান মুক্তিযুদ্ধকালীন পঞ্চগড়ের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর দেশজুড়ে আক্রমণ শুরু করলেও ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত পঞ্চগড় মুক্ত ছিল। ১৭ এপ্রিল পাকবাহিনী পঞ্চগড় দখল করলেও তেঁতুলিয়া ছিল পুরো সময়জুড়ে হানাদারমুক্ত। মুক্তাঞ্চল হিসেবে তেঁতুলিয়া মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়, যেখানে অস্থায়ী সরকারের নানা গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, ১ নভেম্বর থেকে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনী যৌথভাবে আক্রমণ শুরু করলে একের পর এক এলাকা মুক্ত হতে থাকে। ২০ থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত অমরখানা, জগদলহাট, শিংপাড়া, পূর্ব তালমা, আটোয়ারী, মির্জাপুর, ধামোরসহ বিভিন্ন এলাকা শত্রুমুক্ত হয়। অবশেষে ২৮ নভেম্বর রাতে পাক সেনারা পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং ২৯ নভেম্বর ভোরে পঞ্চগড় সম্পূর্ণভাবে হানাদারমুক্ত হয়।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]