• ঢাকা
  • ঢাকা, সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ২৮ সেকেন্ড পূর্বে
লাইফস্টাইল
ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০১:২০ দুপুর

ক্ষুধা পেলে রেগে যাওয়াটা কি কোনো রোগের ইঙ্গিত?

ছবি: সংগৃহীত

অনেক সময় দেখা যায় দীর্ঘ সময় ধরে খাবার গ্রহণ না করার কারণে অনেকেই বিরক্ত বা রেগে যায়। একই পরিস্থিতিতে কেউ শান্ত থাকতে পারলেও অন্য কেউ হঠাৎ রেগে যায়। সাধারণত আমরা বলি, ‘খিদে পেয়েছে তাই রেগে গেছে।’ 

সম্প্রতি এই অবস্থার জন্য ব্যবহৃত শব্দ হলো ‘হ্যাংরি’। যদিও শব্দটি মজার মনে হয়, কিন্তু এর পেছনে শরীর, মস্তিষ্ক ও আবেগের জটিল সম্পর্ক কাজ করছে।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষ খিদে ও রাগের সম্পর্ক অনুভব করলেও ‘হ্যাংরি’ শব্দটি মাত্র ২০১৮ সালে অক্সফোর্ড ডিকশনারিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ক্ষুধা কীভাবে মেজাজ প্রভাবিত করে তা নিয়ে গবেষণা এখনো সীমিত। আগে ধারণা ছিল রক্তে শর্করা কমলে মানুষ খিটখিটে হয়ে যায়, কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে বিষয়টি এতটা সরল নয়।

এক গবেষণায় ৯০ জন প্রাপ্তবয়স্কের শরীরে এক মাস ধরে কন্টিনিউয়াস গ্লুকোজ মনিটর ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে তারা দিনে দুবার ক্ষুধা ও মানসিক অবস্থা অ্যাপে রিপোর্ট করতেন। ফল দেখিয়েছে, রক্তে শর্করা কম থাকলেও সবাই রেগে যায় না। বরং যারা সচেতনভাবে নিজেদের ক্ষুধা অনুভব করেছেন, তারাই বেশি বিরক্তি বা নেতিবাচক আবেগ দেখিয়েছেন। অর্থাৎ ক্ষুধা ও রাগের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মানসিক প্রক্রিয়া কাজ করে, যাকে বলা হয় ইন্টারোসেপশন—নিজের শরীরের সংকেত কতটা ঠিকভাবে আমরা বুঝতে পারি। 

ক্ষুধার সংকেত প্রথম ধরা পড়ে মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে। এরপর ইনসুলা নামের অংশ আমাদের বলে দেয় আমরা খিদে পেয়েছি। এই ইনসুলা আবেগ নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ইন্টারোসেপশন ভালো, তারা ক্ষুধার্ত হলেও আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।

ক্ষুধাজনিত মেজাজের পরিবর্তন শুধু ব্যক্তিগত নয়, পারিবারিক, সামাজিক ও কর্মক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে। এমন সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়, ফলে মানুষ চিপস, বার্গার বা মিষ্টিজাতীয় খাবারের দিকে ঝুঁকে যায়। দীর্ঘদিন শরীরের সংকেত উপেক্ষা করলে মানসিক চাপ ও শারীরিক সমস্যা বাড়তে পারে।

শিশুদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়, কারণ তারা এখনো শরীরের সংকেত ঠিকভাবে বুঝতে পারে না। তাই হঠাৎ কান্না, রাগ বা জেদ দেখা দিতে পারে। বড়দের ক্ষেত্রেও ব্যস্ত জীবন ও স্ক্রিনের কারণে এমন ঘটনা সাধারণ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষুধা লাগলেও মেজাজ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। নিয়মিত খাবার খাওয়া, শরীরের সংকেত বুঝতে শেখা এবং হালকা ব্যায়াম বা হাঁটা মেজাজ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। সব খারাপ মুডের কারণ ক্ষুধা নয়, তবে সচেতন হলে অনেক অপ্রয়োজনীয় রাগ ও ভুল সিদ্ধান্ত এড়ানো সম্ভব। পরেরবার রেগে যাওয়ার আগে নিজেকে প্রশ্ন করা যায়—এটা কি আসলেই পরিস্থিতির কারণে, নাকি শুধু ক্ষুধার প্রভাব? 

সূত্র: এনডিটিভি।

মাসুম/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]