রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, জাতিসংঘের অধীনে শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা সেখানে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। এ সময় পুলিশ হঠাৎ লাঠিপেটা, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মুখপাত্র ও ডাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমা, শান্তা আক্তারসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
হামলার পর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, “সবাইকে শাহবাগে এসে সমবেত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।।” অন্য এক পোস্টে তিনি বলেন, “পরিস্থিতি কেউ ঘোলাটে করবেন না। শান্তভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।”

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম জানান, শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া ফাতিমা তাসনিম জুমা (মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক, ডাকসু), শান্তা আক্তার (সদস্য, জকসু), সালাউদ্দীন আম্মার (জিএস, রাকসু)সহ শতাধিক আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। বরং বিচারের দাবিতে আন্দোলনরতদের ওপর গুলিবর্ষণ ও হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনাকে ‘ফ্যাসিবাদী কায়দায় ন্যক্কারজনক হামলা’ উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং কার নির্দেশে ও কার মদদে এ হামলা হয়েছে—তা স্পষ্ট করার দাবি জানানো হয়।
ঘটনাটি ঘিরে রাজধানীতে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর