ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েলে প্রাণহানির পাশাপাশি আরও ১২১ জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, অধিকাংশ হামলা প্রতিহত করা গেলেও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র তেল আবিব ও বেইত শেমেশে আঘাত হেনেছে। একই সময়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরেও ধ্বংসাবশেষ পড়েছে এবং ফিলিস্তিনি হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এখন পর্যন্ত একজন ইসরায়েলি নারী নিহত এবং আরও ১২১ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস। আহতদের বেশিরভাগের আঘাত সামান্য।
ইসরায়েলের ওপর ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত বা ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র তেল আবিব ও জেরুজালেমের পশ্চিমে অবস্থিত বেইত শেমেশ শহরে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।
অধিকৃত পশ্চিম তীরেও ধ্বংসাবশেষ পড়েছে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের শহর কালকিলিয়ার কাছে। তবে সেটি কোনও রকেটের অংশ, নাকি প্রতিরোধকারী ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ, তা এখনও নিশ্চিত নয়। কালকিলিয়ার কাছে একটি অবৈধ ইসরায়েলি বসতির কিছুটা দূরে এবং ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত এলাকার কাছাকাছি সেটি পড়ে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূলত ইসরায়েলিদের সুরক্ষার জন্য গড়ে তোলা। আর তাই অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসবাসকারী অবৈধ বসতিস্থাপনকারীরাও এর আওতায় পড়েন। তবে ফিলিস্তিনিদের জন্য কোনও সুরক্ষা নেই। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্রটিকে ইসরায়েলি বসতি এলাকা থেকে সরিয়ে ফিলিস্তিনি অঞ্চলের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
এছাড়া শনিবার ভোরে অধিকৃত পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলের বেইত সাহুর শহরে একজন ফিলিস্তিনি আহত হন।
এটি মূলত ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ। কিন্তু ফিলিস্তিনিরা প্রতিরক্ষাহীন অবস্থায় সামরিক দখলদারিত্বের মধ্যে বসবাস করছে। এছাড়া হেবরনের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে একজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে ইসরায়েলে রকেট হামলা চললেও কিছু ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীর হামলা অব্যাহত থাকার খবর পাওয়া গেছে।
মাসুম/সাএ
সর্বশেষ খবর