বগুড়ার নন্দীগ্রামে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে ছাত্রদল নেতা ফিরোজ আহমেদ শাকিল ছুরিকাহত হয়েছেন। গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে নন্দীগ্রাম শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
ফিরোজ আহমেদ শাকিল মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি এবং পৌর শহরের মাঝগ্রাম মহল্লার শফিকুল ইসলামের ছেলে। এই হামলার ঘটনায় পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিনের নাম উঠে এসেছে, যিনি মাঝগ্রাম মহল্লার আব্দুর রউফ স্ট্যালিনের ছেলে।
জানা গেছে, দলীয় নেতৃত্ব নিয়ে শাকিল ও পলিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধের জেরেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার আগে এক তরুণীকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করেছিলেন শাকিল, যা নিয়েও বিরোধ সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।
খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে হাসপাতালে যান বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের এমপি মোশারফ হোসেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তরা দলের কেউ হলেও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না এবং সাংগঠনিকভাবেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আহত শাকিলের মা ফিরোজা বেগম বলেন, “আমার একটাই ছেলে। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমি এই নৃশংস হামলার বিচার চাই।”
এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার ওসি মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সর্বশেষ খবর