• ঢাকা
  • ঢাকা, বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৪২ সেকেন্ড পূর্বে
শাহীন মাহমুদ রাসেল
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৮ মার্চ, ২০২৬, ০৯:১৪ সকাল

ঈদের ভিড় ঘিরে প্রস্তুত কক্সবাজার, বুকিংয়ে উচ্ছ্বাস হোটেলগুলোতে

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

সমুদ্রের ঢেউ এখনও একই ছন্দে আছড়ে পড়ছে। তবে বদলে গেছে সৈকতের আবহ। সামনে টানা সাত দিনের ছুটি- ঈদুল ফিতর। আর সেই ছুটিকে ঘিরে যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। পর্যটকের ঢলের অপেক্ষায় এখন ব্যস্ততার শেষ নেই কোথাও।

সৈকতজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। জেট স্কি চালক থেকে বিচ বাইক মালিক, ঘোড়াওয়ালা, ফটোগ্রাফার- সবাই প্রস্তুত। পাশাপাশি শামুক-ঝিনুক, বার্মিজ পণ্য আর আচারের দোকানগুলোও নতুন সাজে সেজেছে। কয়েক সপ্তাহের মন্দা কাটিয়ে আবার জমে উঠবে ব্যবসা- এই আশাতেই দিন গুনছেন তারা।

ফটোগ্রাফার আব্দুস সবুর বলেন, রমজানজুড়ে পর্যটক কম থাকায় কাজ তেমন হয়নি। তবে ঈদ ঘিরে ভিড় বাড়বে, সেই সঙ্গে বাড়বে কাজের সুযোগও। একই প্রত্যাশা কিটকট বিক্রেতা জমির উদ্দিনের।

তার ভাষায়, রমজানে বেচাকেনা ছিল কম। ঈদে মানুষ বাড়লে আবার আগের মতো জমে উঠবে।

সৈকতপাড়ের দোকানগুলোতেও প্রস্তুতির ছাপ স্পষ্ট। আচারের দোকানদার মাহমুদুল হক সবুজ জানান, বার্মিজ আচার, চকলেটসহ থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে নানা পণ্য এনে সাজানো হয়েছে দোকান।

তার অভিজ্ঞতা বলছে, কক্সবাজারে আসা পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় থাকে আচার, চকলেট আর শুঁটকি।

লাবণী এলাকার শুঁটকি ব্যবসায়ী জামশেদ আলম বলেন, ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন ধরনের শুঁটকি দিয়ে দোকান সাজিয়েছি। পর্যটক বাড়লে বিক্রিও বাড়বে- এই আশা।

শুধু সৈকত নয়, প্রস্তুত হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোও। কক্সবাজারে পাঁচ শতাধিক আবাসনকেন্দ্রের মধ্যে ইতোমধ্যে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ১৯ তারিখ থেকে পর্যটক আসা শুরু হবে, যা ঈদের মূল ভিড়ে ২৩ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত চূড়ায় পৌঁছাবে।

হোটেল কক্স-টুডের এক কর্মকর্তা জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে বুকিং বেশ ভালো। অন্যদিকে, রামাদা হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পর্যটকদের জন্য থাকছে বিশেষ আয়োজন- ডিজে পারফরম্যান্স, স্যাক্সোফোন পরিবেশনা এবং গালা বুফে ডিনার। পরিবার নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করতেই এই আয়োজন।

কলাতলী মেরিন ড্রাইভ এলাকার হোটেল-রিসোর্ট মালিকদের সংগঠনের এক নেতা জানান, টানা ছুটিতে প্রতিদিন লক্ষাধিক পর্যটক কক্সবাজারে অবস্থান করতে পারেন। এতে পর্যটন খাতে বড় ধরনের অর্থনৈতিক গতি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রস্তুত রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও। সৈকতজুড়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। ইউনিফর্ম পরা পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাক ও গোয়েন্দা টিম কাজ করছে ২৪ ঘণ্টা।

সমুদ্রসৈকতে দায়িত্বে থাকা লাইফগার্ড সদস্যরা বলছেন, ঈদের সময় সমুদ্র কিছুটা উত্তাল থাকতে পারে। তাই নির্দিষ্ট পয়েন্ট- লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী- ছাড়া অন্য কোথাও না নামার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে লাইফগার্ড ও স্বেচ্ছাসেবক মিলিয়ে কয়েক ডজন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন, লক্ষ্য একটাই- কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করা।

সব মিলিয়ে, রমজানের নীরবতা পেরিয়ে কক্সবাজার এখন যেন অপেক্ষার প্রহর গুনছে। পর্যটকের পদচারণায় আবারও মুখর হবে বিশ্বের দীর্ঘতম এই সমুদ্রসৈকত- এমন প্রত্যাশায় বুক বাঁধছেন ব্যবসায়ীরা।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ info@bd24live.com
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ office.bd24live@gmail.com