বরগুনার উন্নয়নে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মোঃ নুরুল ইসলাম।
রবিবার (২২ মার্চ) বেলা ১১ টায় বরগুনা সার্কিট হাউসে তিনি মতবিনিময় করেন। শুরুতেই তিনি শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। সূচনা লগ্নে বরগুনা জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন কামাল ১৫টি প্রস্তাব করেন। তার প্রস্ততাবনাগুলো হচ্ছে- বরগুনা-বেতাগী-বাকেরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। বরগুনা জেনারেল হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজে রূপান্তর করতে হবে। জেনারেল হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শূন্য পদে চিকিৎসক নিয়োগ করতে হবে। আড়াইশ শয্যা হাসপাতালের জনবল নিয়োগ ও বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে। রোগ নির্নয়ের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও বিশেষজ্ঞ জনবল নিয়োগ দিতে হবে। ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি, খাবারের মান উন্নত করতে হবে। ডেঙ্গু মোকাবেলায় এখনই প্র্স্তুতি নিতে হবে। বরগুনায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় করতে হবে। (যেখানে দুর্যোগ, কৃষি, মৎস্য ও প্রানীসম্পদ বিষয়ক সাবজেক্ট থাকবে)। বিষখালী ও পায়রা নদীতে ব্রীজ করতে হবে। জেলেদের নিরাপত্তায় জলদস্যু দমন ও ভারতীয় জেলেদের বাংলাদেশী সীমনায় ইলিশ শিকার বন্ধ করতে হবে। বরগুনাকে উপকূলীয় জেলা হিসেবে ঘোষনা (উপকূলীয় অঞ্চল) করে আলাদা বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে হবে। বরগুনার খাকদোন নদীকে অবৈধ দখলদার মুক্ত করতে হবে। বিষখালী নদী থেকে খাকদোন হয়ে পায়রা নদী পর্যন্ত খনন করে পানির প্রবাহ চালু করতে হবে। জাহাজভাঙ্গা শিল্পসহ বরগুনায় শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিতে হবে। আহরিত মাছ ও উৎপাদিত শষ্য বাজারজাতকরনে পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করতে হবে। কিশোর গ্যাং ও মাদক বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসে জনবল পদায়ন করতে হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করতে হবে। সেই সঙ্গে সকল অফিসে জনবল পদায়ন করতে হবে। বরগুনায় পর্যটন কেন্দ্র ও পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে হবে। বন ও পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ নিতে হবে। দুর্নীতিকে না বলতে হবে। দুর্নীতিগ্রস্তদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অপরাধীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়া যাবে না। এবং বরগুনার তিনটি সংসদীয় আসন পূন:বহাল করতে হবে।
সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে আরও বক্তব্য রাখেন, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ হাফিজুর রহমান ,সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি হারুন আর রশিদ রিংকু, সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মোঃ সালেহ, সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা কাদের, সোহেল হাফিজ, প্রেসক্লাবের সহসভাপতি রেজউল ইসলাম টিটু, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মালেক মিঠু ও আইসিটি সম্পাদক শাহ আলী। তাদের প্রস্তাবে পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিস, আবহাওয়া কেন্দ্রে, বরগুনা পৌরসভাকে সম্প্রসারণ, পৌরসভার খাসজমির খাজনা নেয়াসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।
সবশেষে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মোঃ নুরুল ইসলাম বলেন, সকল প্রস্তাবনা বাস্তবায়নে তিনি চেষ্টা করবেন। তবে সাংবাদিকসহ বরগুনার নাগরিকদের তার সাথে থাকতে হবে।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর