ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির বিশ্লেষণী গ্রুপ দাবি করেছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়া মার্কিন নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ারগুলো অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতির মুখে পড়ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সাইপ্রাসের কাছে একটি মার্কিন সাবমেরিন থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ছবি প্রকাশের পর এই সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, আগে আক্রমণাত্মক ভূমিকা পালন করা ডেস্ট্রয়ারগুলো হয় ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ কমে যাওয়ার মুখে পড়েছে, নয়তো তাদের অধিকাংশ অস্ত্র ইতোমধ্যেই ব্যবহৃত হয়েছে।
বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়, ডেস্ট্রয়ার ও সাবমেরিনের মতো যুদ্ধজাহাজ সমুদ্রে অবস্থানরত অবস্থায় ক্ষেপণাস্ত্র পুনরায় লোড করতে পারে না। এ কারণে তাদেরকে বাধ্যতামূলকভাবে নৌঘাঁটিতে ফিরে যেতে হয়, যা সামরিক কার্যক্রমে বিরতি সৃষ্টি করে।
এই প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে মার্কিন Arleigh Burke-class destroyer-শ্রেণির ডেস্ট্রয়ারগুলোর আক্রমণাত্মক সক্ষমতা বর্তমানে কিছুটা হ্রাস পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই ধরনের পরিস্থিতি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাতেও দেখা দিতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সেয়েদ আলী খামেনেই হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। এর জবাবে ইরানও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: Tasnim News Agency.
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর