নিয়ম বহির্ভূতভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের অভিযোগে দুই নির্বাচন কর্মকর্তাকে শাস্তি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বরিশালের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হককে তিরস্কার ও এক বছরের জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে, আর ভোলার দৌলতখান উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম ইশতিয়াক আহমাদকে নিম্নতর বেতন গ্রেডে অবনমিত করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ মার্চ) এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
বরিশালের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হকের বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূত এনআইডি সংশোধনের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে নির্বাচন কমিশন। প্রাথমিক যাচাই ও তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ আনা হয়। কারণ দর্শানোর জবাব ও ব্যক্তিগত শুনানি শেষে তদন্ত বোর্ড অভিযোগ সত্য বলে প্রতিবেদন দেয়। পরে দ্বিতীয় দফা জবাবে তিনি অনিচ্ছাকৃত ভুল স্বীকার করলে তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’ ও এক বছরের জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়। বিভাগীয় মামলা নম্বর-১৪/২০২৫ এর মাধ্যমে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ভোলার দৌলতখান উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম ইশতিয়াক আহমাদের বিরুদ্ধেও একাধিক এনআইডি সংশোধনে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তে দেখা যায়, প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত ও জন্ম সনদ উপেক্ষা করে তিনি ৯টি আবেদন অনুমোদন করেন এবং নির্দেশনা অমান্য করেন। এ ঘটনায় তাকে ‘অসদাচরণ’-এর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে লঘুদণ্ড হিসেবে বেতন গ্রেডের নিম্নতর ধাপে অবনমিত করা হয়। আদেশ অনুযায়ী, তার বর্তমান মূল বেতন ২১,৪৭০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বিভাগীয় মামলা নম্বর-১৭/২০২৫ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মাসুম/সাএ
সর্বশেষ খবর
জাতীয় এর সর্বশেষ খবর