ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে প্রথমবারের মতো চালকবিহীন ড্রোন স্পিডবোট ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। Pentagon আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, ‘Operation Epic Fury’ অভিযানের অংশ হিসেবে এসব ড্রোন নৌকা মোতায়েন করা হয়েছে, যা নজরদারি ও সম্ভাব্য হামলা—দুই কাজেই ব্যবহার করা যেতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত এসব ড্রোন নৌকার মধ্যে রয়েছে ‘গ্লোবাল অটোনোমাস রিকনাইস্যান্স ক্রাফট (GARC)’। পেন্টাগনের সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র টিম হকিন্স জানিয়েছেন, এই প্ল্যাটফর্ম ইতোমধ্যে ৪৫০ ঘণ্টার বেশি সময় সমুদ্রে টহল দিয়েছে এবং প্রায় ২,২০০ নটিক্যাল মাইল পথ অতিক্রম করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুদ্ধক্ষেত্রে চালকবিহীন নৌযানের গুরুত্ব বেড়েছে। বিশেষ করে Black Sea অঞ্চলে ইউক্রেনের ব্যবহৃত বিস্ফোরকবাহী ড্রোন নৌকা রাশিয়ার নৌবাহিনীর ওপর বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করেছিল।
অন্যদিকে, ইরানও পারস্য উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলার জন্য সমুদ্র ড্রোন ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত এসব ড্রোন নৌকা সরাসরি আক্রমণে ব্যবহার করেছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে চালকবিহীন নৌবহর গড়ে তুলতে কাজ করলেও US Navy নানা প্রযুক্তিগত সমস্যা, ব্যয় বৃদ্ধি এবং পরীক্ষামূলক ব্যর্থতার কারণে পিছিয়ে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতের নৌযুদ্ধে স্বয়ংক্রিয় ও মানববিহীন প্রযুক্তি বড় ভূমিকা রাখবে, তবে এর কার্যকারিতা ও নির্ভরযোগ্যতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর