যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর নীতির বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ শিরোনামে বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আয়োজকদের মতে, শনিবার দেশটির ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ৩,২০০-এর বেশি স্থানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা একদিনে সবচেয়ে বড় অহিংস আন্দোলন হতে পারে।
বিক্ষোভের মূল কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, ওয়াশিংটন ডিসি এবং মিনেসোটার টুইন সিটিজে। তবে আয়োজকদের দাবি, অংশগ্রহণকারীদের দুই-তৃতীয়াংশই বড় শহরের বাইরে ছোট শহর ও উপশহর থেকে আসবে, যা আন্দোলনের বিস্তারকে নতুন মাত্রা দিচ্ছে।
এই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক সংগঠন Indivisible-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা লিয়া গ্রিনবার্গ বলেন, “এই বিক্ষোভের বড় গল্প শুধু অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা নয়, বরং তারা কোথায় বিক্ষোভ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।”
যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই বিক্ষোভকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আয়োজকদের দাবি, আইডাহো, ওয়াইওমিং, মন্টানা ও উটাহর মতো রিপাবলিকান-প্রধান রাজ্যগুলোতেও অংশগ্রহণ বাড়ছে।
এদিকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যাবিগেইল জ্যাকসন বিক্ষোভগুলোকে তুচ্ছ করে বলেছেন, এগুলো “ট্রাম্প-বিরোধী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ” এবং সাধারণ মানুষের আগ্রহ কম।
উল্লেখ্য, ‘নো কিংস’ আন্দোলনটি গত বছর ট্রাম্পের জন্মদিন ১৪ জুন শুরু হয়। প্রথম কর্মসূচিতে প্রায় ৪ থেকে ৬ মিলিয়ন মানুষ অংশ নেয়। পরবর্তীতে অক্টোবরের দ্বিতীয় দফা বিক্ষোভে অংশ নেয় প্রায় ৭ মিলিয়ন মানুষ।
আয়োজকদের মতে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান হামলার বিরুদ্ধেও এবারের বিক্ষোভ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবাদের অংশ।
এদিকে American Civil Liberties Union-এর রাজনৈতিক ও অ্যাডভোকেসি প্রধান ডেইড্রে শিফেলিং বলেন, “আগের বিক্ষোভগুলো বাস্তব পরিবর্তন এনেছে। জনগণ যখন ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তখন প্রশাসন পিছু হটতে বাধ্য হয়।”
সূত্র: রয়টার্স।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
সারাবিশ্ব এর সর্বশেষ খবর